ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদী হল’।

ডেস্ক নিউজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদী হল’ এবং ‘ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’-এর নাম মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল সিতারা পারভীন করার সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সিনেটের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদী হল’ এবং ‘ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’-এর নাম মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল সিতারা পারভীন করার সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সিনেটের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাড়াও ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার ও সুলতানা কামাল হোস্টেলসহ কয়েকটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সিনেটে সুপারিশ আকারে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল সিতারা পারভীনের নামে করার সুপারিশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট হল সংসদ থেকে নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে ডাকসু তাদের নির্বাহী কমিটির পূর্ণাঙ্গ সভায় আলোচনা করে সুপারিশ দিয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসনও মিটিং করে তাদের মতামত দিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছেলেকে হত্যার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, স্ত্রী অন্যত্র বিয়ে করায় ক্ষুদ্ধ স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাবা ছেলেকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে, এমন অভিযোগে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।নাঈম (১৪)লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরজঙ্গালিয়া গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের ছেলে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা আক্তার সুমি বাদী হয়ে নিহতের বাবাকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামের একটি ধানখেতের পাশ থেকে নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাঈমের নানা এবায়েদ উল্যাহ বলেন, সোমবার রাতে নাঈম আমার বসতঘরে ঘুমিয়ে ছিল। ভোরে ফজরের নামাজের সময় আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি, ঘরের দরজা খোলা এবং নাঈম শয়নকক্ষে নেই। পরে সকাল ৭টার দিকে সার আনতে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানখেতের পাশে রাস্তার ওপর নাঈমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পাই।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় তিন বছর আগে তার মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। এরপর নাঈম নানার বাড়িতে থেকে চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর রাতের খাবার খেয়ে নানার বসত ঘরেই ঘুমিয়ে ছিল নাঈম। সকালে। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানক্ষেতের পাশে পাওয়া যায় তার মরদেহ। গত ২০-২৫ দিন আগে নাঈমের মা সুমি আক্তার দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল সাবেক স্ত্রী সুমির ওপর ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে।

পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিলেন। ছেলের আয়-রোজগার খেয়ে কীভাবে মা খায়, তা দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার পরপরই নাঈমের মা সুমি তার সাবেক স্বামী খলিলকে সন্দেহ করেন। সকালে নাঈমের মৃত্যুর খবর জানাতে খলিলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। পরে তিনি নিজে ফোন করলে ছেলের মৃত্যুর খবর তাকে জানানো হয়। সুমি দ্বিতীয় বিয়ে করায় খলিল তার ছেলেকে শ্বশুরের ঘর থেকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেন, বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত বাবাকে আটক করা হয়। থানায় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ছেলের হত্যাকান্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। শুক্রবার বিকেলে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

গাউছিয়া শাহাজাহান মঞ্জিলে শাহসূফি সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (ক.) এর ওফাত দিবস ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহুম উপলক্ষে মাহফিল অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ১১ই রবিউস ছানী বড়পীর হুজুর হযরত গাউছুল আজম শাহসূফি সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (ক.) এর ওফাত দিবস, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহুম উপলক্ষে মাহফিল ও তাবাররুক বিতরণ কার্যক্রমসহ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় গাউছিয়া শাহাজাহান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে ছদারত করেন শাহানশাহ হযরত শাহসূফি সৈয়দ মোহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী মাইজভাণ্ডারী (ক.) কেবলা কাবার শাহজাদাদ্বয় হযরত শাহসূফি সৈয়দ মোহাম্মদ এস্কান্দর মির্জা চৌধুরী মুকুট মাইজভাণ্ডারী (মা.জি.আ) ও হযরত শাহসূফি সৈয়দ মোহাম্মদ সেকান্দার মির্জা চৌধুরী মহান মাইজভাণ্ডারী (মা.জি.আ)। আছরের নামাজের পর প্রস্তুত করা হয় এদিনের বিশেষ ঐতিহ্য ‘চারদানা সিন্নী’। বাদে মাগরিব মিলাদ-কেয়াম ও তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া আদায়ের পর তা ভক্তবৃন্দের মাঝে বিতরণ করা হয়। এশার নামাজের পর অনুষ্ঠিত হয় মাহফিলে সেমা। পরিশেষে বড় শাহজাদা হুজুর কর্তৃক মোনাজাত পরিচলানার পর আগতদের মাঝে তাবাররুক বিতরণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা সমাপ্ত হয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ