আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

সিভাসু’র ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের কার্যক্রমের অগ্রগতি উপস্থাপন এবং বুলেটিন-এর মোড়ক উন্মোচন ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিতকরণে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) কর্তৃপক্ষ বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিধাসমূহ ভোগ করে শিক্ষার্থীরা একদিন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।’ সিভাসু’র ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের কার্যক্রমের অগ্রগতি উপস্থাপন এবং বুলেটিন-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান এসব কথা বলেন।

প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলনকক্ষে পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) দপ্তর উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র নবনিযুক্ত ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো: নূরুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে সম্পাদিত সার্বিক কার্যক্রম, সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রেজেন্টেশন দেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম। প্রেজেন্টেশনে তিনি শুভ ক্যান্টিনের আধুনিকায়ন, সিভাসু গার্ডেন প্রতিষ্ঠা, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার আয়োজন, শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সাথে সমঝোতা স্মারক সই, ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন, বন্যার্তদের মানবিক সহায়তা, বন্যাদুর্গত এলাকায় বিনামূল্যে প্রাণী চিকিৎসাসেবা প্রদান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সিভাসু শিক্ষার্থীদের গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য, বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও উৎসব উদযাপন, মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সিভাসু যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট, শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক স্টেশনারি শপ স্থাপন, টিউটোরিয়াল পদ্ধতি, শিক্ষাবর্ষ সমারম্ভ অনুষ্ঠান, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রম, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন, ইফতার মাহফিল, পরিবেশ, রক্তসঞ্চালন ও নিরাপত্তা, খাদ্যমান ও স্বাস্থ্যবিধি ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনসহ একে একে ছাত্রকল্যাণ দপ্তর কর্তৃক সম্পাদিত সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানসহ ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সমগ্র কার্যক্রমকে সফল করতে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তাদের সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সার্বিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের এসব উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। শেষে উপাচার্য ছাত্রকল্যাণ দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত বুলেটিন-এর মোড়ক উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টরসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ
আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে স্বাক্ষর নকল ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে নজরুল ইসলাম একজনকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নজরুল ইসলাম পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের বিশেষ পিপি মোকাররম হোসাইন। তিনি বলেন, রায়ের সময় আসামি পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও মো. শাহাজাহান ডবলমুরিং এলাকার মেসার্স নবী এন্ড সন্সের কর্মচারী ছিলেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। ২০০৭ সালের ৩ জুন দুপুর ২টার দিকে নগরীর সদরঘাট এলাকার স্ট্যান্ড রোডের জনতা ব্যাংকের শাখা থেকে তারা দুই কর্মচারী মিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বড় ভাই মো. সেলিমের স্বাক্ষর জাল করে ৬টি চেক জনতা ব্যাংকে জমা দেয় টাকা উত্তোলনের জন্য। পরে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা টাকা দিতে নিষেধ করেন। পরদিন অর্থাৎ ওই বছরের ৫ জুন চেকগুলোর মাধ্যমে টাকা প্রদান না করার জন্য ব্যাংক বরাবর লিখিত আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু সাদাত মোহাম্মদ শামীম। পরে ওই বছরের ১৮ জুলাই তিনি এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ২ নম্বর আসামির সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় শাহাজাহানকে চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ওই মামলায় আজ আসামি নজরুল ইসলামকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সৌদি আরবের উপহার চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবের উপহার
চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ
ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: সৌদি আরব থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুর চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন বরাদ্দ দয়ো হয়েছে। এদিকে খেজুর বরাদ্দ নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্যের পর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার খেজুর বরাদ্দের তালিকা সামনে আসতে শুরু করে এবং কোথায় কত কার্টন খেজুর গেছে তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়। একই সঙ্গে বরাদ্দের পরিমাণ, বণ্টনের স্বচ্ছতা এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে এসব খেজুর পৌঁছাচ্ছে কি না, এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।
চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন মো. ছাইফুল্লাহ মজুমদার জানান, চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলায় মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ফটিকছড়িতে ৩৯ কার্টন, আনোয়ারায় ২৫ কার্টন, হাটহাজারীতে ৩৫ কার্টন, পটিয়ায় ৩৭ কার্টন এবং সীতাকুণ্ডে ২৫ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সন্দ্বীপে ৩৭ কার্টন, মিরসরাইয়ে ৩৭ কার্টন, রাঙ্গুনিয়ায় ৩৫ কার্টন, বোয়ালখালীতে ২৫ কার্টন, রাউজানে ৩৫ কার্টন এবং চন্দনাইশে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী বাঁশখালীতে ৩৭ কার্টন, লোহাগাড়ায় ২৫ কার্টন, সাতকানিয়ায় ৩৭ কার্টন, কর্ণফুলীতে ১৫ কার্টন এবং চট্টগ্রাম মহানগরে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সৌদি আরবের বাদশাহ প্রতিষ্ঠিত ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ২৫০ কার্টন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গত ৫ মার্চ সংশোধিত এক আদেশের মাধ্যমে এই বরাদ্দ চূড়ান্ত করে জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে পাঠিয়েছে। জনসংখ্যার অনুপাত ও ইউনিয়নের সংখ্যা বিবেচনা করে এই খেজুর বণ্টন করা হয়েছে বলে সরকারি নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ