আজঃ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রথমদিনেই ধানের শীষের জোয়ার দেখলেন আমীর খসরু।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচনি প্রচারের প্রথমদিনেই ধানের শীষের পক্ষে জোয়ার দেখলেন চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ১৭ বছর ধরে নেতাকর্মীদের ত্যাগের প্রতিদান হিসেবে জনগণ বিএনপির পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর কাট্টলীতে নিজ বাড়িতে বাবা প্রয়াত মাহমুদুন্নবী চৌধুরী ও মা প্রয়াত মেহেরুন্নেসা চৌধুরীর কবর জিয়ারত করে তিনি গণসংযোগে নামেন।
প্রথমদিনে আমীর খসরু চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের আওতাধীন নগরীর কদমতলী থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেন।

মাদারবাড়ি, ডিটি রোড, মাঝির ঘাট, আইস ফ্যাক্টরি রোড, নালাপাড়া এলাকায় তিনি পায়ে হেঁটে গণসংযোগ করেন। তিনি সামান্য হাঁটার পরই বিভিন্ন অলিগলি, মার্কেট, দোকানপাট থেকে লোকজন বেরিয়ে আসতে থাকেন। বিভিন্ন বাসার গেইটে দাঁড়িয়ে নারীরা হাতে নাড়েন। আমীর খসরুও হাত নেড়ে, আদাব-সালাম দিয়ে, কোলাকুলি করে লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আবেদন করেন।
গণসংযোগের মাঝে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘জনগণের ঢল নেমেছে রাস্তায়, ধানের শীষের জোয়ার শুরু হয়েছে। মানুষের এর জন্য অপেক্ষা করেছে।

সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হিসেবে বিএনপি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। এখন মানুষ বিএনপির ত্যাগের প্রতিদান দিচ্ছে, জনগণ বিএনপির পাশে দাঁড়িয়েছে। ১৬-১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা গুম, খুন, জেলখানায় নির্যাতনের শিকার হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যে ত্যাগ‌ তার প্রতিদান বাংলাদেশের মানুষ আজ দিচ্ছে। যেখানেই যাচ্ছি, মানুষ উজাড় করে ভালোবাসা দিচ্ছে।


মানুষের আস্থা একমাত্র বিএনপির ওপর। আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্ন একমাত্র বিএনপিই পূরণ করতে পারবে। তাই মানুষ বিএনপির পাশে দাঁড়িয়েছে এবং নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। জনগণই ঠিক করবে দেশ কোন দিকে যাবে। তার মালিকানা হবে ভোটের মাধ্যমে, প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে। যে সরকার তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহিতা থাকবে তাদের প্রত্যাশা পূরণ করবে তাদেরকে জনগণ নির্বাচিত করবে।

গণতন্ত্রের যুদ্ধে জয়ী হতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সকল নাগরিক আজ আনন্দিত। কারণ, তারা তাদের মালিকানা ফিরে পেয়েছেন। তারা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন এবং প্রত্যাশিত প্রতীকে ভোট দিতে পারবেন। দেশের মানুষ যে স্বপ্ন দেখছে, তারা মনে করছে বিএনপির মাধ্যমে তা পূরণ করতে পারবে। জনগণের সঙ্গে বিএনপির আস্থার যে রাজনীতি, গণতন্ত্র ও বিএনপি একসঙ্গে মিশে গেছে। তাদের আলাদা করা যাবে না।’


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম, শওকত আজম খাজা, সদস্য মো. সালাউদ্দিন, মশিউল আলম স্বপন, জয়নাল আবেদীন, কাউসার হোসেন বাবু, খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ জাহেদ, কামরুন নাহার লিজা, মোহাম্মদ ইলিয়াস, আজিজুর রহমান বাদল, তসলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহজাহান, জামাল উদ্দিন জসিম, জিয়াউর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন নিজস্ব প্রতিবেদক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন নারী নেত্রী ও অধিকারকর্মীরা।রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা এ আবেদনপত্র জমা দেন।

আস্থার সংকট দূর করতে প্রশাসন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দায়িত্ব শতভাগ নিরপেক্ষতা ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করে রাষ্ট্রকে একটি ফ্রি, ফেয়ার ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার কথা জানালেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, অতীতে মানুষ সরকারি কর্মচারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাষ্ট্রের কোষাগার থেকে বেতন নেওয়া সত্ত্বেও প্রত্যাশিত নির্বাচন দিতে না পারার অভিযোগ উঠেছে।তবে এবার সেই আস্থার সংকট দূর করতে প্রশাসন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীরা পক্ষপাতদুষ্ট-এমন অভিযোগে তারা বারবার আহত হয়েছেন। এবার মাঠপর্যায়ে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চান যে প্রশাসন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছে, সেটির আলোকে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই এই নিরপেক্ষতা প্রমাণ করা হবে।

বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, কিন্তু এই মুহূর্তে সেগুলো দেখার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্ব যেভাবে বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আছে, সেখানে দেশের ও প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। প্রত্যেকটি এলাকা ঘুরে মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে।মাঠে থাকা কর্মকর্তাদের জনগণের সঙ্গে আরও বেশি যোগাযোগ রেখে ভয় ও আতঙ্ক দূর করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার শামিম, এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক মো. সফিকুর রহমানসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভায় উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রশাসনের দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকা কর্মকর্তারা একটি প্রিভিলেজড অবস্থানে রয়েছেন। অতীতে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ কিংবা সাম্প্রতিক গণ-আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না থাকলেও এখন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব তাঁদের সামনে এসেছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন—কেউ জয়ী হবেন, কেউ পরাজিত হবেন। তবে প্রশাসনের লক্ষ্য কোনো ব্যক্তি বা দল নয়; লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও জনগণের জয় নিশ্চিত করা।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, এই নির্বাচনকে কেবল একটি আনুষ্ঠানিক নির্বাচন হিসেবে দেখলে চলবে না। পর্যাপ্ত ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত না হলে নির্বাচন আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এত আয়োজন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।

চট্টগ্রামের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জেলার বর্তমান স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।

আলোচিত খবর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা সংক্রান্ত কোনো চুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান – ডিপি ওয়ার্ল্ডের পক্ষ থেকে কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছে। তবে সরকারের হাতে এখন মাত্র দুইটি কার্যদিবস বাকি রয়েছে। এই সীমিত সময়ের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব নয় বলেই বিষয়টি এ পর্যায়ে এগোচ্ছে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ