আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

পাবনার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রারম্ভের মধ্যে পাবনার পাঁচটি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে এমপি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

পাবনা জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা ৭০,পাবনা-৩, ৭১,পাবনা-৪ ও ৭২,পাবনা-৫ আসনের মোট ১৮ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন। পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বরাদ্দ প্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন হাসান জাফির তুহিন- বিএনপি (ধানের শীষ), কে.এম. আনোয়ারুল ইসলাম- বিএনপি বিদ্রোহী (ঘোড়া), মুহাম্মদ আছগার আলী- জামায়াতে ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), আশা পারভেজ- গণফোরাম (উদীয়মান সুর্য্য), আব্দুল খালেক- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা), মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরী- বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি বিএসপি (একতারা) ও মীর মোহাম্মদ নাদিম হোসেন ডাবলু- জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল)।

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন হাবিবুর রহমান হাবিব- বিএনপি (ধানের শীষ), আবু তালেব মন্ডল- জামায়াত ইসলামী (দাঁড়িপাল্লা), জাকারিয়া পিন্টু- বিএনপি বিদ্রোহী (মোটর সাইকেল), কমরেড সোহাগ হোসেন- সিপিবি (কাস্তে), সাইফুল আজাদ মল্লিক- জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল), মাওলানা আনোয়ার হোসেন শাহ- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) ও শাহনাজ হক- নাগরিক ঐক্য (কেটলি)।

পাবনা-৫ (সদর) আসনে বরাদ্দ প্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস- বিএনপি (ধানের শীষ), অধ্যাপক ইকবাল হুসাইন- জামায়াতে ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), আব্দুল মজিদ মোল্লা- এবি পার্টি (ঈগল) এবং মুফতি নাজমুল হুসাইন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা)। প্রতীক বরাদ্দের পর ধানের শীষ প্রার্থী এডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তা জনগণের ভোটের উৎসব হিসেবে গণ্য হয়। এবার জনগণ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে এবং নির্বাচন হবে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের মঞ্চ।

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ৬৮,পাবনা-১ ও ৬৯,পাবনা-২ আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করেছে। ওই দুই আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৯ জানুয়ারি, আপিল ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি, এবং আপিল নিষ্পত্তি ২৫ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ হয়েছে ২৬ জানুয়ারি এবং ২৭ জানুয়ারি বাকি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচারণা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফের অনিশ্চয়তায় সিসিসিআই নির্বাচন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) নির্বাচন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে উচ্চ আদালতের নির্দেশে নির্ধারিত ৪ এপ্রিলের নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেছে। তবে আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।
তথ্যটি নিশ্চিত করে রিটকারী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বেলালের পক্ষে আইনজীবী আশফাকুর রহমান বলেন, আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তি করে সিদ্ধান্ত দিতে বলেছেন। পাশাপাশি হাইকোর্টের সর্বশেষ আদেশ আমলে না নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

চেম্বার সূত্রে জানা যায়, ৩ মার্চ প্রায় পাঁচ মাস স্থগিত থাকার পর চট্টগ্রাম চেম্বারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের নতুন তফশিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তফশিল অনুযায়ী আগামী ৪ এপ্রিল নগরের আগ্রাবাদ এলাকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। ২৬ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনি মতামতের ভিত্তিতে সাধারণ ও সহযোগী গ্রুপের ১৮ জন পরিচালক নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে আদালতের নতুন আদেশে সেই নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেল।

এর আগে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের আটটি সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশ দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল হাইকোর্টে রিট করেন এবং এফবিসিসিআইতেও অভিযোগ করেন।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্ট দুই শ্রেণিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে রুল জারি করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ৪ সেপ্টেম্বরের চিঠির ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে আপিলের পর ৩০ অক্টোবর আদালত দুই সপ্তাহের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেন।

পরবর্তীতে গত ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ছয়টি টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের ছয় প্রতিনিধিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধেও আপিল করেন রিটকারী মোহাম্মদ বেলাল। সেই আপিলের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত এফবিসিসিআইয়ের ট্রাইব্যুনালে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং মৌখিকভাবে বলেন, ৪ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। এভাবে ২৪ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়। পরে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে একজন সভাপতি ও দুজন সহসভাপতি নির্বাচিত হন।এবার টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ছয়জন পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ছিলেন। তবে দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে নির্ধারিত সময়েও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং নতুন তফশিল ঘোষণার পরও তা আবার স্থগিত হয়ে গেছে।

পাবনার ভাঙ্গুড়া শরৎনগর হাটের টোল রেট পুনঃনির্ধারণের দাবি; জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শরৎনগর হাট-বাজারের সরকারি টোল রেট পুনঃনির্ধারণ বা বৃদ্ধির দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন শরৎনগর বাজার হাটটির ইজারাদার।

জানা গেছে, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার আওতাধীন শরৎনগর হাট-বাজারের বাংলা ১৪৩৩ সনের অনুমোদিত ইজারাদার মো. ফজলে আজিম সম্প্রতি পাবনা জেলা প্রশাসকের কাছে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা ও ইজারা সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১১ অনুযায়ী ইজারা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে টোল আদায়ের হার নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, জেলা প্রশাসকের অনুমোদনে ভাঙ্গুড়া উপজেলার সকল হাট-বাজারের জন্য বাংলা ১৪৩২ থেকে ১৪৩৪ সন পর্যন্ত তিন বছরের জন্য টোল রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই টোল চার্ট অনুযায়ী বড় গরু বা মহিষ প্রতি ৬৫০ টাকা, ছোট গরু বা মহিষ ৪৪০ টাকা, বড় ছাগল ৩০০ টাকা, ছোট ছাগল ২০০ টাকা, ভেড়া ১৫০ টাকা এবং হাঁস-মুরগির খাঁচি প্রতি ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে আবেদনকারী দাবি করেন, পাবনা জেলার অন্যান্য উপজেলার তুলনায় ভাঙ্গুড়া উপজেলার টোল রেট কম নির্ধারণ করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ঈশ্বরদী উপজেলার টোল চার্ট উল্লেখ করে বলেন, সেখানে বড় গরু প্রতি ৮০০ টাকা, ছোট গরু ৬০০ টাকা, মহিষ ১ হাজার টাকা এবং হাঁস-মুরগির খাঁচি প্রতি ১২০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
তার দাবি, শরৎনগর হাট-বাজারটি অত্র অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র।ন্তু তুলনামূলক কম টোল রেটের কারণে হাট পরিচালনা এবং ইজারা কার্যক্রমে আর্থিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে হাট-বাজার থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব পৌরসভার আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হওয়ায় টোল রেট কম থাকলে পৌরসভার রাজস্ব আয়ও কমে যেতে পারে।

এ অবস্থায় ভাঙ্গুড়া উপজেলার (পৌরসভা সহ) সকল হাট-বাজারের অনুমোদিত টোল রেট সংশোধন করে ১৪৩৩-১৪৩৪ সনের জন্য পুনঃনির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক জনাব মিজানুর রহমান বলেন, শরৎনগর হাট-বাজারের টোল রেট পুনঃনির্ধারণ সংক্রান্ত আবেদন টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।বিষয় টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা বলেন, আবেদন পেয়েছি বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ