আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের সাথে সাঈদ আল নোমানের মতবিনিময়।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাহাড়তলীস্থ চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি) এর সাথে চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের মতবিনিময় সভা শুক্রবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে আয়োজিত সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাাখেন চক্ষু হাসপাতালের উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাষ্টি আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাষ্টি মো. জাহাঙ্গীর আলম খান। আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানীর পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ছানি রোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন।

বক্তব্য রাখেন, কার্যকরী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ফাহমিদা, মো. মামুন প্রমূখ। ম্যানেজিং ট্রাষ্টি মো. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠাতা আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এমন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন যা বাংলাদেশ নয় দক্ষিণ এশিয়ায় আছে বলে মনে হয়না। তিনি এ প্রতিষ্ঠানটি যাতে সুরক্ষিত থাকে সে জন্য সাঈদ আল নোমানকে লক্ষ্য রাখার আহবান জানান।

সভায় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তার আত্মজীবনী ‘প্লেজার অ্যান্ড পেইন’’ নামক গ্রন্থটি সাঈদ আল নোমানের হাতে তুলে দেন। এ সময় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন সাঈদ আল নোমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নিজের জীবন, পরিবার, চিন্তা-ভাবনা এবং সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার যে দুঃসাহস দেখিয়েছে সেজন্য তিনি তার এই সাহসকে শ্রদ্ধা করেন। এমন দুঃসাহস জন্য আমরা গর্বিত।

তিনি বলেন, এমন শিক্ষিত, নন্দিত ব্যক্তি রাজনীতিতে আসার খুব কম নজির রয়েছে। তিনি তাঁর আরো সফলতা কামনা করেন। সাঈদ আল নোমান বলেন, মানবতার কন্যানে মানুষকে ভাালোবেসে আমার অভিভাবক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে এই ৫৪ বছরে অনেক জঞ্জাল, সমস্যা তৈরি হয়েছে। আমরা যদি আমাদের সামষ্টিক শক্তি ধরে রাখতে পারি তাহলে আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারবো।

চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, জেনারেল হাসপাতালের সক্ষমতা বর্তমানে খুবই সীমিত। এটিকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজে রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়তলী, খুলশী ও হালিশহর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের ঘাটতি প্রকট। খুলশীতে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও হালিশহর ও পাহাড়তলীতে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই। ফলে চিকিৎসাসেবাকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে। বড় পরিসরে সরকারি উদ্যোগ ছাড়া এই খাতে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় আগুনে পুড়ে নিঃস্ব ৪ পরিবার, অসহায়দের পাশে উপজেলা প্রশাসন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত চার টি অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসন।শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার অষ্টমনীষা ইউনিয়নের সিংগাড়ি গ্রামে। জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে একটি বসত ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরবাড়িতে। এতে চারটি পরিবারের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, ধান, চাল, সরিষা ও নগদ অর্থ পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো-
মৃত খইমুদ্দিন সরকারের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম, মৃত খইমুদ্দিনের স্ত্রী সবুরা খাতুন, মৃত আজগার আলী মন্ডলের স্ত্রী শাহিদা খাতুন এবং মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান।
এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় অষ্টমনীষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান জাহান বকুল, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন যুব ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মো. ওয়ারেছ আলী উপস্থিত ছিলেন।

 

দুবাই এয়ারপোর্টের কাছে ড্রোন পড়ে বাংলাদেশি-সহ চারজন আহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুবাই কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে বুধবার সকালে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (DXB) আশেপাশে দুটি ড্রোন পড়ে, যার ফলে দুই ঘানার নাগরিক এবং একজন বাংলাদেশী নাগরিক সামান্য আহত হন এবং একজন ভারতীয় নাগরিক মাঝারি আহত হন। বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।City & Local Guides

DXB এবং DWC পরিচালনাকারী দুবাই বিমানবন্দর, সংক্ষিপ্ত বিঘ্নের পর ৭ মার্চ থেকে আংশিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।সময়সূচী পরিবর্তন অব্যাহত থাকায়, যাত্রীদের তাদের বিমান সংস্থা কর্তৃক তাদের বিমান নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরে ভ্রমণ না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

DXB-তে একটি কনকোর্সে একটি ঘটনায় সামান্য ক্ষতি হয়, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। জরুরি প্রতিক্রিয়া দলগুলিকে তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পরিচালনা করা হয়।

চারজন কর্মী আহত হন এবং তাদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই জরুরি পরিকল্পনার কারণে, বেশিরভাগ টার্মিনাল আগেই যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল,বিমানবন্দরটি পূর্বের এক বিবৃতিতে বলেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ