আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

বোয়ালখালীতে এনসিপির সংবাদ সম্মেলনে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৮ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির প্রার্থী ডা. আবু নাসেরের সমর্থনে আয়োজিত একটি মিছিল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বয়কটের স্লোগান প্রদানের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বোয়ালখালী উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এ উপলক্ষে আজ ২৫ জানুয়ারি (রবিবার) বিকালে বোয়ালখালীতে এনসিপির উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণ-অভ্যুত্থান থেকে উদ্ভূত শক্তি জাতীয় নাগরিক পার্টি বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ নামে গঠিত দশ দলীয় জোটে অংশগ্রহণ করেছে। বিষয়টি দেশবাসীর কাছে সুস্পষ্ট ও অবগত।

জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) সারা দেশে ৩০টি আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। তবে দুঃখজনকভাবে কয়েকটি আসনে জোটের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে বিভ্রান্তিকর তৎপরতা ও অসহযোগিতামূলক আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা দশ দলীয় জোটের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রামে এনসিপিকে একটি মাত্র আসন চট্টগ্রাম-৮ এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী এনসিপির পক্ষ থেকে জোবাইরুল হাসান আরিফ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেন। একইসঙ্গে জোটের অন্যান্য শরিক দলগুলোর প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র জমা দেন।

তবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টির প্রার্থীরা জোট মনোনীত প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফকে সমর্থন জানিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও, দশ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির প্রার্থী ডা. আবু নাসের মনোনয়ন প্রত্যাহার না করে একটি বিভ্রান্তিকর ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামি চট্টগ্রাম মহানগরের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. আবু নাসেরের সরে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। তাঁর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ইন্ধনে বোয়ালখালী এলাকায় জোট মনোনীত প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের বিরুদ্ধে মিছিল আয়োজন করা হয় এবং সেখান থেকে “এনসিপি বয়কট” স্লোগান দেওয়া হয়।

এনসিপি নেতারা বলেন, এ ধরনের স্লোগান ও কর্মকাণ্ড দশ দলীয় জোটের ঐক্যের সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং রাজনৈতিকভাবে চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অনভিপ্রেত। বোয়ালখালী উপজেলা এনসিপি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দশ দলীয় জোটের ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মসূচি বা বিভাজনমূলক স্লোগান এনসিপি কখনোই মেনে নেবে না। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জুলাইয়ের ঐক্যবদ্ধ শক্তি, দশ দলীয় জোট এবং পরোক্ষভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমিরের সিদ্ধান্তকেও অবজ্ঞা করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ প্রেক্ষাপটে বোয়ালখালী উপজেলা এনসিপি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নিকট সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছে—চট্টগ্রাম-৮ আসনটি আদৌ জাতীয় নাগরিক পার্টিকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কি না।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, যদি চট্টগ্রাম-৮ আসন এনসিপিকে বরাদ্দ দিয়ে থাকে, তবে দশ দলীয় জোটের সকল শরিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে জোট মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। অন্যথায় জোটের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে দ্বৈত আচরণ ও অসহযোগিতা চলতে থাকলে জোট গঠনের যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।

সবশেষে, দশ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলা হয়—জোটকে কার্যকর, শক্তিশালী ও টেকসই রাখতে হলে চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী সংক্রান্ত সংকট দ্রুত, স্পষ্ট ও চূড়ান্তভাবে সমাধান করতে হবে। একইসঙ্গে সকল শরিক দলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, জনমত নির্বিশেষে বোয়ালখালী তথা চট্টগ্রাম-৮ আসনে ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’-এর প্রার্থীকে বিজয়ী করে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য।

সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সেলিম যুগ্ম সমন্বয়কারী চট্টগ্রাম দক্ষিণ এনসিপি, প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠ করেন বোয়ালখালী এনসিপি প্রধান সমন্বয়কারী কাজী ইয়াছিন, আবরার হাবিব যুগ্ম সমন্বয়কারী বোয়ালখালী এনসিপি,ফয়সাল রায়হান , যুগ্ম সমন্বয়কারী বোয়ালখালী এনসিপি,সাঈদ বিন ইব্রাহিম যুবশক্তি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপি।সদস্য আকতার আশিকি, শাহনেওয়াজ মাহিন বোয়ালখালী এনসিপি সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ