আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আদালত তাকে প্রার্থিতা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের আইনজীবী এড. ইউসুফ আলী মাসুদ বলেন, আদালতে এ আদেশের ফলে সরওয়ার আলমগীরের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোন বাধা রইল না। আদালতে শুনানিতে সরওয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার ফয়সল মাহমুদ ফয়েজি।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের করা রিটের ওপর আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য্য রেখেছিলেন হাইকোর্ট, যা আদালতের মঙ্গলবার কার্যতালিকায় ৮৩ নম্বর ক্রমিকে ওঠে।

এর আগে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে শুনানি শেষে ১৮ জানুয়ারি সরওয়ার আলমগীররের বিরুদ্ধে জামাত প্রার্থী নুরুল আমিনের আপিল প্রথম দফা নামঞ্জুর করেছিলো ইসি। কিন্তু ওইদিন বিকেল পাঁচটায় সরওয়ার আলমগীরের মালিকানাধীন এএনএফজেড টেরি টেক্সটাইলের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিজিং এন্ড ফাইনান্স লিমিটেডের একটি স্থিতিআদেশ জমা দেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামাত প্রার্থী। নির্বাচন কমিশন একতরফাভাবে ফটিকছড়ি আসনের বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করেছিলো। ইসির ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে সরওয়ার আলমগীর ২০ জানুয়ারি মনোনয়ন ফেরত চেয়ে রিটটি করেন।

বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরকে নির্বাচনের মাঠের বাইরে রাখতে জামাত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নুরুল আমিন ছয়টি সিভিল পিটিশন দায়ের করেন। ২২ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজের সর্বশেষ আদেশে বলা হয় চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে আর ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য করা হবে না।
আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি মো. রেজাউল হক প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের করা এক আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছিলেন।

সরোয়ার আলমগীর ঋণখেলাপি নন বলে ঘোষণার বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের ওপর আগে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানানো হলে তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথ সুগম হয় । চেম্বার জজ তার আগের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করায় হাইকোর্টের ওই রায় কার্যকর রাখে।

প্রিমিয়ার লিজিংয়ের সঙ্গে সরোয়ার আলমগীরের ঋণ পুনঃতফসিলের বিষয় নিয়ে তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে রিট শুনানিতে যমুনা ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে সরওয়ার আলমগীরের খেলাপি ঋন রয়েছে মর্মে অভিযোগ উত্থাপন করেন জামায়াত প্রার্থীর আইনজীবীরা।

সরওয়ার আলমগীরের আইনজীবী আহসানুল করিম জানান, এই আদেশের ফলে সরওয়ার আলমগীরের নির্বচনে অংশগ্রহণে আর কোন বাধা রইল না। তিনি চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। সকল আইনি বাধা তিনি পার করলেন।

এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর বলেন, সত্যের জয় অবশ্যাম্ভবি। সেটা আবারও প্রমাণিত হল। একটি গোষ্টি আমাকে নির্বাচন থেকে দুরে সরিয়ে রাখতে নানাভাবে চেষ্টা করেছে কিন্তু তারা সফল হয়নি। মাননীয় আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছি। ফটিকছড়িবাসি আমার সাথে আছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এরশাদ উল্লাহর জনসভায় ককটেল বিস্ফোরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ৮ ( বোয়ালখালীতে – চান্দগাঁও) আসন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণা সভার অদূরে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ করেছে দলের নেতাকর্মীরা। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা প্রায় ৬টার দিকে বোয়ালখালীর পূর্ব কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই সময় বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ নির্বাচনী সভা চলছিল। হঠাৎ সভাস্থলের অদূরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হলে সভায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পরপরই সভাস্থলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেও দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরে সভা সংক্ষিপ্ত করে শেষ করা হয় বলে জানা গেছে। পরে উপজেলা সদরে নেতাকর্মীরা এসে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক বলেন, আল্লাহর রহমতে কেউ হতাহত হয়নি। তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি করেন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম শওকত অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী সভা লক্ষ্য করেই ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা নির্বাচনকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা বলে মন্তব্য করেন তিনি। আমার ধরণা এসব জামায়াত শিবিরের কাজ। তাই আগামীকাল থেকে জামায়াত শিবিরকে যেখানেই পাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখানে ককটেলের কোন আলামত পাওয়া যায়নি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বলেন, ককটেল বিস্ফোরণের সময় আমি বক্তব্য দিচ্ছিলাম। এসময় ঠিক ৫০ গজ দূরে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর-বিমানবন্দর ঘিরে পুরো এলাকা হবে লজিস্টিক্যাল হাব : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন,চট্টগ্রাম শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্রে পরিণত হবে। শুধু চট্টগ্রাম বন্দর নয়, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ব্যবসা-বাণিজ্যের হাব হিসেবে গড়ে উঠবে। এটিও শুধু বাংলাদেশের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগরের ৩৬ নম্বর গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের বন্দর নিমতলা খালপাড় থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় এসব কথা বলেন। এসময় তিনি চট্টগ্রাম বন্দর ও সমুদ্র অঞ্চলকে আন্তর্জাতিক ট্রেডিং পোর্টে রূপান্তরের কথা বলেছেন।

সকাল থেকে শুরু হওয়া এই গণসংযোগ নগরের নিমতলা খালপাড় হয়ে পূর্ব নিমতলা পশ্চিম নিমতলা হয়ে সিডিএ ৯ নম্বর ব্রিজ, রোহিঙ্গা পাড়া, হিন্দু পাড়া ৩ নম্বর ফকিরহাটপশ্চিম গোসাইলডাঙ্গা, এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এসময় তিনি ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বিএনপির দেশ পরিচালনার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দরকে ঘিরে পুরো বেল্ট এলাকা হবে একটি আন্তর্জাতিক মানের লজিস্টিক্যাল হাব। এখান থেকে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের সাথে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও লেনদেন পরিচালিত হবে। এই অঞ্চল সারাদেশের ট্রেডিং পোস্ট হিসেবে এবং ম্যানুফেক্চারিং সেন্টার হিসেবে পরিচালিত হবে। শিল্প-কারখানা, রপ্তানি-আমদানি, উৎপাদন ও বিতরণ সব কিছুরই কেন্দ্রবিন্দু হবে চট্টগ্রাম।

গণসংযোগে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্দর থেকে শুরু করে আধুনিক ওয়্যারহাউজ, কনটেইনার ডিপো, শিপিং সার্ভিস এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এখানে থাকবে।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন,আলাদা করে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার কোনো দরকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে পরিণত হবে। এর ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরের সুবিধা এটিকে স্বাভাবিকভাবেই একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আমীর খসরু বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু একটি আসনের নির্বাচন নয়, এটি গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকতে হবে। অযথা হৈ-হুল্লোড় করা যাবে না। রাজনীতির ধরন এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এখন আর জোরে চিৎকার করে বা মিছিল করে মানুষকে আকৃষ্ট করার দিন নেই।

সবাইকে সরাসরি মানুষের কাছে যেতে হবে, তাদের সাথে কথা বলতে হবে। মানুষের কাছে বিএনপির দেশ পরিচালনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, উন্নয়ন কর্মসূচি এবং জনকল্যাণমুখী নীতি-পরিকল্পনা পৌঁছে দিতে হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক কাজী বেলাল সদস্য বিএনপি নেতা মো. মুছা, মো. সবুর, বিএনপি নেতা জাহিদ হাসান, নুরুল আমিন, মো. হারুন, হুমায়ুন কবির সোহেল, আবু সাঈদ হারুন, মো. শাহজাহান, মো. নেজাম উদ্দিন প্রমুখ। আমীর খসরু আরো বলেন, আমাদের কাজ হবে শান্তিপূর্ণভাবে, সুশৃঙ্খলভাবে মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে তাদের সমস্যা শোনা এবং সমাধানের পথ দেখানো।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে রাজনীতি করে। বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে জনগণের রাজনীতি। আমরা জনগণের কাছ থেকে ক্ষমতা পাই এবং জনগণের সেবা করার জন্যই ক্ষমতায় যাই। বিএনপি কখনো মিথ্যা প্রোপাগান্ডা, ভুয়া প্রতিশ্রুতি বা জনগণকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতি করে না।

বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এবং জনগণের ভোটাধিকারের পাহারাদার। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত যতবার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তার পেছনে বিএনপির অবদান রয়েছে। আমাদের সমস্ত কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক, গণমুখী এবং জনমুখী। আমরা গণতন্ত্রের উপর আস্থা রাখি এবং জনগণের রায়কেই চূড়ান্ত বলে মনে করি। যারা অন্যভাবে রাজনীতি করছে জনগণ তাদের সবকিছু দেখছে এবং বুঝছে। সঠিক সময়ে জনগণ তাদের রায় দেবে। বিএনপি জনগণের সেই রায়ের অপেক্ষায় আছে এবং জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের উপর ভর করেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ