আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামবাসীকে ন্যায়বিচার উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার- সিএমএম চট্টগ্রাম।

প্রেস রিলিজ

চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৩১ জানুয়ারি ২০২৬: চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো. মহিদুল ইসলাম, বিজ্ঞ স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন জনাব মোঃ সোয়েব খান, বিজ্ঞ স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জনাব হামীমুন তানজীন, বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু বকর সিদ্দিক, জনাব মো: আলমগীর হোসেন, জনাব মোহাম্মদ মোস্তফা ও জনাব মুহাম্মদ আবুল মনছুর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ফাহমিদা সাত্তার।


পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে ডিসি (দক্ষিণ) জনাব হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া, ডিসি (প্রসিকিউশন) জনাব মো: হাসান ইকবাল চৌধুরী, শিল্প পুলিশের এডিশনাল পুলিশ সুপার জনাব সাইদুর রহমান, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব বিজয়া সেন, এসি (প্রসিকিউশন) জনাব মো: আরিফ ইকবাল, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সালাউদ্দিন, পিবিআিইয়ের পরিদর্শক (প্রশাসন) জনাব মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর) সিএমপি চট্টগ্রাম জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, এসি ট্রাফিক (নর্থ) কবির উদ্দিন সরকার, এসি ট্রাফিক (উত্তর) জনাব মো: সালাউদ্দিন, চমেক পরিচালকের প্রতিনিধি জনাব ডা. ইমরান হেসেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর আইন কর্মকর্তা জনাব মাসুম রেজা, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব রোমানা আক্তার, র‌্যাবের প্রতিনিধি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য অংশীজনসহ চট্টগ্রাম মহনগর এলাকার ১৬ থানার অফিসার ইন-চার্জবৃন্দ এবং পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ পরিদর্শকগণ উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি জনাব আবদুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ হাসান আলী চৌধুরী এবং মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যডভোকেট জনাব মোঃ মফিজুল হক ভূইয়া।

আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ মাহবুবুল হক, কমান্ডার ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রতিনিধি মেজর তানভীর।
কনফারেন্সের শুরুতে বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো. মহিদুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরে আজকের কনফারেন্সের আলোচ্য সূচী উপস্থাপন করেন।

এরপর বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকারের পরিচালনায় উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্বে কনফারেন্সে উপস্থিত মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানার অফিসার ইন-চার্জগণ তদন্তকাজে তাদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয় তুলে ধরেনে এবং সভাপতি মহোদয় তাদের সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন আইনগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পুলিশ কমিশনারের প্রতিনিধি ডিসি (দক্ষিণ) জনাব হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, নিরাপদ ব্যক্তিকে মামলা হতে অব্যহতির লক্ষ্যে সংশোধিত ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩-বি ধারা অনুযায়ী অন্তবর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রিমান্ড আবেদনে পর্যাপ্ত যৌক্তিক তথ্য উল্লেখ করার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান। ক্রোকি পরোয়ানামূলে জব্দকৃত মালামাল রাখার পর্যাপ্ত স্থান নেই মর্মে জানান।চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: হাসান আলী চৌধুরী বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি জনাব আবদুস সাত্তার বলেন, বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে রিমান্ড না-মঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চাইলে বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারে।
কমান্ডার ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রতিনিধি মেজর তানভীর বলেন, মাঠ পর্যায়ে পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছেন। আইন-শৃংঙ্খলা উন্নতিতে একযোগে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ মাহবুবুল হক বলেন, বিনা ময়না তদন্তে লাশ দাফনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানা অফিসার ইন-চার্জ আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন। তিনি আরো বলেন, ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারার মামলায় শান্তি-শৃংঙ্খলার আদেশ মানে মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা নয় বরঞ্চ মামলার কার্যক্রম চালু রেখে শান্তি-শৃংঙ্খলা বজায় রাখাকে বুঝায়।

বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার বলেন, শুধুমাত্র আসামীর দোষস্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির উপর ভিত্তি করে তদন্ত না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী ও সাক্ষী উপস্থাপন বিষয়ে নিয়মিত NER প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে পলাতক আসামীর সম্পত্তির বিবরণ প্রদান, জব্দকৃত আলামতের মালিককে মামলার সাক্ষী কিংবা আসামী করা ও মেডিকেল অফিসারদের হোয়াটসআপ মোবাইল নম্বর উল্লেখ করারও নির্দেশ দেন।

তিনি পিআরবির বিধি ২৮৩ অনুযায়ী মামলার আসামীকে আদালত চলাকালীন সময়ে উপস্থাপন করা এবং আসামীকে সনাক্ত করার জন্য টিআই প্যারেডের আয়োজন করারও নির্দেশ দেন। সঠিক সময়ে মেডিকেল সনদ সরবরাহের জন্য কমিটি বা বোর্ড গঠন করা যায় কিনা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালকের প্রতিনিধিকে নির্দেশ প্রদান করেন।

আদালতের চাহিতমতে জেলখানা থেকে আসামীদেরকে নিয়মিত উপস্থাপন না করা গেলে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপযুক্ত কারণ উল্লেখে প্রতিবেদন প্রদানের জন্য সিনিয়র জেল সুপারকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স, মোবাইল টিম প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেন।মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যডভোকেট জনাব মোঃ মফিজুল হক ভূইয়া আদালতের বিজ্ঞ বিচারক, আইনজীবী, সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় বিচার প্রশাসন, নির্বাহী প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ একে অপরের পরিপূরক। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তরিকতা ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে একযোগে ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে বিচার প্রার্থী মানুষের কল্যাণে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। বিচারপ্রার্থীর অধিকার নিশ্চিতে স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সাথে মামলা নিষ্পত্তিতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

পারস্পরিক মত বিনিময়ের মাধ্যমে ও বিদ্যমান সমস্যাসমূহ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করলে কাজের মুল্যায়ন হয় এবং পারষ্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। তিনি সামনের দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর পারষ্পরিক সমন্বয়ে আইনের অধীনে থেকে জবাবদিহিতার মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীকে ন্যায়বিচার উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে কনফারেন্সের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল দুই পেট্টোল পাম্প, ওজন কম ও হালনাগাদ নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে দুইটি পেট্টোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়। বুধবার বিএসটিআইয়ের পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতে এসব জরিমানা করা হয়। দুটি পেট্টোল পাম্পকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরীক্ষক প্রিময় মজকুরী জয়। অভিযানে নগরীর পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদের বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স পেট্টোল পাম্পের ডিসপেন্সিং ইউনিট যাচাই করে দেখা যায়, ডিজেল সরবরাহে প্রতি ৫ লিটারে ১২০ মিলিলিটার কম দেওয়া হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন মন্ডল অপু।

একইদিন, কাতালগঞ্জ এলাকার হাজি ইউনুস অ্যান্ড কোং নামের পেট্টোল পাম্পের ভেরিফিকেশন সনদ হালনাগাদ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে তাদের ডিসপেন্সিং ইউনিটে পরিমাপের যথার্থতা সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এছাড়া একই এলাকায় খান ব্রাদার্স সিএনজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিমাপ সঠিক এবং প্রয়োজনীয় সব সনদ হালনাগাদ থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ