আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামবাসীকে ন্যায়বিচার উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার- সিএমএম চট্টগ্রাম।

প্রেস রিলিজ

চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৩১ জানুয়ারি ২০২৬: চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো. মহিদুল ইসলাম, বিজ্ঞ স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন জনাব মোঃ সোয়েব খান, বিজ্ঞ স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জনাব হামীমুন তানজীন, বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু বকর সিদ্দিক, জনাব মো: আলমগীর হোসেন, জনাব মোহাম্মদ মোস্তফা ও জনাব মুহাম্মদ আবুল মনছুর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব ফাহমিদা সাত্তার।


পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে ডিসি (দক্ষিণ) জনাব হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া, ডিসি (প্রসিকিউশন) জনাব মো: হাসান ইকবাল চৌধুরী, শিল্প পুলিশের এডিশনাল পুলিশ সুপার জনাব সাইদুর রহমান, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব বিজয়া সেন, এসি (প্রসিকিউশন) জনাব মো: আরিফ ইকবাল, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সালাউদ্দিন, পিবিআিইয়ের পরিদর্শক (প্রশাসন) জনাব মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর) সিএমপি চট্টগ্রাম জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, এসি ট্রাফিক (নর্থ) কবির উদ্দিন সরকার, এসি ট্রাফিক (উত্তর) জনাব মো: সালাউদ্দিন, চমেক পরিচালকের প্রতিনিধি জনাব ডা. ইমরান হেসেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর আইন কর্মকর্তা জনাব মাসুম রেজা, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব রোমানা আক্তার, র‌্যাবের প্রতিনিধি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য অংশীজনসহ চট্টগ্রাম মহনগর এলাকার ১৬ থানার অফিসার ইন-চার্জবৃন্দ এবং পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ পরিদর্শকগণ উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি জনাব আবদুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ হাসান আলী চৌধুরী এবং মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যডভোকেট জনাব মোঃ মফিজুল হক ভূইয়া।

আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ মাহবুবুল হক, কমান্ডার ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রতিনিধি মেজর তানভীর।
কনফারেন্সের শুরুতে বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো. মহিদুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরে আজকের কনফারেন্সের আলোচ্য সূচী উপস্থাপন করেন।

এরপর বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকারের পরিচালনায় উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্বে কনফারেন্সে উপস্থিত মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানার অফিসার ইন-চার্জগণ তদন্তকাজে তাদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয় তুলে ধরেনে এবং সভাপতি মহোদয় তাদের সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন আইনগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পুলিশ কমিশনারের প্রতিনিধি ডিসি (দক্ষিণ) জনাব হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, নিরাপদ ব্যক্তিকে মামলা হতে অব্যহতির লক্ষ্যে সংশোধিত ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩-বি ধারা অনুযায়ী অন্তবর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রিমান্ড আবেদনে পর্যাপ্ত যৌক্তিক তথ্য উল্লেখ করার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান। ক্রোকি পরোয়ানামূলে জব্দকৃত মালামাল রাখার পর্যাপ্ত স্থান নেই মর্মে জানান।চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: হাসান আলী চৌধুরী বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি জনাব আবদুস সাত্তার বলেন, বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হতে রিমান্ড না-মঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চাইলে বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারে।
কমান্ডার ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রতিনিধি মেজর তানভীর বলেন, মাঠ পর্যায়ে পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছেন। আইন-শৃংঙ্খলা উন্নতিতে একযোগে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ মাহবুবুল হক বলেন, বিনা ময়না তদন্তে লাশ দাফনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানা অফিসার ইন-চার্জ আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেন। তিনি আরো বলেন, ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারার মামলায় শান্তি-শৃংঙ্খলার আদেশ মানে মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা নয় বরঞ্চ মামলার কার্যক্রম চালু রেখে শান্তি-শৃংঙ্খলা বজায় রাখাকে বুঝায়।

বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার বলেন, শুধুমাত্র আসামীর দোষস্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির উপর ভিত্তি করে তদন্ত না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী ও সাক্ষী উপস্থাপন বিষয়ে নিয়মিত NER প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে পলাতক আসামীর সম্পত্তির বিবরণ প্রদান, জব্দকৃত আলামতের মালিককে মামলার সাক্ষী কিংবা আসামী করা ও মেডিকেল অফিসারদের হোয়াটসআপ মোবাইল নম্বর উল্লেখ করারও নির্দেশ দেন।

তিনি পিআরবির বিধি ২৮৩ অনুযায়ী মামলার আসামীকে আদালত চলাকালীন সময়ে উপস্থাপন করা এবং আসামীকে সনাক্ত করার জন্য টিআই প্যারেডের আয়োজন করারও নির্দেশ দেন। সঠিক সময়ে মেডিকেল সনদ সরবরাহের জন্য কমিটি বা বোর্ড গঠন করা যায় কিনা সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালকের প্রতিনিধিকে নির্দেশ প্রদান করেন।

আদালতের চাহিতমতে জেলখানা থেকে আসামীদেরকে নিয়মিত উপস্থাপন না করা গেলে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপযুক্ত কারণ উল্লেখে প্রতিবেদন প্রদানের জন্য সিনিয়র জেল সুপারকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স, মোবাইল টিম প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেন।মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যডভোকেট জনাব মোঃ মফিজুল হক ভূইয়া আদালতের বিজ্ঞ বিচারক, আইনজীবী, সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় বিচার প্রশাসন, নির্বাহী প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ একে অপরের পরিপূরক। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তরিকতা ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে একযোগে ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে বিচার প্রার্থী মানুষের কল্যাণে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। বিচারপ্রার্থীর অধিকার নিশ্চিতে স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সাথে মামলা নিষ্পত্তিতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

পারস্পরিক মত বিনিময়ের মাধ্যমে ও বিদ্যমান সমস্যাসমূহ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করলে কাজের মুল্যায়ন হয় এবং পারষ্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। তিনি সামনের দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর পারষ্পরিক সমন্বয়ে আইনের অধীনে থেকে জবাবদিহিতার মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীকে ন্যায়বিচার উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে কনফারেন্সের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে সন্ত্রাসী হামলার মামলাশ ৭ জন গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার চালিতাবাড়ী গ্রামে মোঃ হাসেম আলীর ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১৩ জন আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে হামলা, মারধর ও এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চালিতাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হাসেম আলীর ওপর পূর্ব বিরোধের জেরে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষ শিবালয় থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—১. মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক (৩৫), পিতা: আফছার উদ্দিন
২. পাবেল বেপারী (৩০), পিতা: বরকত আলী
৩. আকিব বেপারী (২৪), পিতা: মজিবর বেপারী
৪. নাইম শেখ (২৮), পিতা: আলেম শেখ
৫. মিন্টু বেপারী (৪০), পিতা: মৃত তমেজ বেপারী
৬. বাসসা বেপারী (৫৫), পিতা: মৃত অছিমদ্দি বেপারী
৭. রওনক মোল্লা (১৯), পিতা: তাইজুল ইসলাম মোল্লা
পুলিশ জানায়, মামলায় মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
হামলার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শিবালয় থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ