আজঃ বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ।

ডেস্ক নিউজ

র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও, তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতিসংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিবকার সংগঠন বহুদিন ধরে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা র‌্যাবের নতুন নাম হবে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন-ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই একটি সরকারি আদেশ জারি হবে।নামের সঙ্গে পোশাকেও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন-ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইএফ সদস্যদের নতুন পোশাকে দেখতে পাবেন।বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ও আইনশৃঙ্খলার ক্রমাগত অবনতির মধ্যে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব গঠিত হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সম্মানী প্রদানের কথা বলে বিকাশ নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে প্রতারকচক্র।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে একটি প্রতারক চক্র
০১৩৪২-০৪৬২৩২ এবং ০১৬১২-৬৭৭০৭৪ নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণামূলক ফোনকল করছে।নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাচনকালীন সম্মানী প্রদানের কথা বলে তাদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে।

ইসির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়- নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হচ্ছে যে, আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে স্ব স্ব কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তাকে বিধি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সম্মানি প্রদান করা হবে।এ জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রয়োজন নেই।

বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে জনমত জরিপ ও নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে চলছে বিচার বিশ্লেষণ। এনিয়ে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট তাদের সর্বশেষ বিশ্লেষণে যা ফুটে উঠেছে, তাই প্রকাশ করেছে তাদের নিজস্ব মাধ্যমে। তাদের প্রকাশিত তথ্যে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।প্রকাশিত সাময়িকীটির সাম্প্রতিক সংখ্যায় বলা হয়, রাজনৈতিকভাবে সুপরিচিত একটি পরিবারের উত্তরসূরি ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনের পর দেশের নেতৃত্বে আসার প্রধান দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।


ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর এই আন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের শাসনের অবসান ঘটে।বিগত সরকারের বিরুদ্ধে হত্যা, দমন-পীড়ন ও দুর্নীতির অভিযোগে আন্তর্জাতিকভাবেও সমালোচনা ছিল। দ্য ইকোনমিস্ট আরও জানায় , গণতান্ত্রিক ধারায় প্রত্যাবর্তন দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনবে এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ খুলে দেবে।


নির্বাচনের পূর্বে তারেক রহমানকে নিয়ে এমন সময়ে এপূর্বাভাস দেয়া হলো, যখন টাইম ম্যাগাজিন, ব্লুমবার্গসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও তাকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনমতে এগিয়ে থাকার বিষয়টি গত ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘটনাও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে সাময়িকীটিতে । ঐপ্রতিবেদনে বলা হয়, বুলেটপ্রুফ বাসে করে রাজধানীতে প্রবেশের সময় বিপুল সংখ্যক সমর্থক রাস্তায় নেমে আসেন। উচ্ছ্বাসের কারণে বাসটি কয়েক মাইল পথ খুব ধীরগতিতে চলতে থাকে, যেন সমর্থকেরা কাছ থেকে তাকে দেখতে পারেন।


বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থা নিয়েও কঠোর মন্তব্য করেছে সাময়িকীটি। সেপ্রতিবেদনে আরও বলা হয়- ২০০৮ সালের পর দেশে আর কোনো বাস্তব ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়নি। প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটারের মধ্যে আনুমানিক ৪০ শতাংশ নাগরিক কখনো প্রকৃত ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি।বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য এই নির্বাচনই হবে শেষ বড় দায়িত্ব। অধিকাংশ মানুষের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই সরকার অর্থনীতিতে একটি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।


প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এমন কিছু সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছে, যা ভবিষ্যতে স্বৈরতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে সংসদের জন্য একটি নতুন উচ্চকক্ষ গঠন এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছরে সীমাবদ্ধ করার প্রস্তাব।সংসদে ও রাষ্ট্র পরিচালনায় অতীত অভিজ্ঞতা কম জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে দ্যা ইকোনমিস্ট লিখেছে-দলটি ক্ষমতায় গেলে সংযত শাসনের প্রতিশ্রুতি দিলেও শহুরে মধ্যবিত্তদের মধ্যে তাদের উত্থান উদ্বেগ তৈরি করেছে। দলটি নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী দেয়নি, কিন্তু কর্মীদের দ্বারে দ্বারে পাঠাচ্ছেন নারীদের ভোট দাঁড়ি পাল্লায় দেয়ার জন্য। এই রাজনৈতিক বাস্তবতাই তারেক রহমানের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করে সাময়িকীটিতে। কারণ বিভিন্ন জনমত জরিপে তার নেতৃত্বাধীন বিএনপি এগিয়ে রয়েছে।

বিএনপি দীর্ঘদিন তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছে। তার পূর্বে বিএনপির নেতৃত্বে ছিলেন তার বাবা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি নব্বই ও দুই হাজারের দশকে তিনবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে বলা হয়, তারেক রহমান নির্দিষ্ট পরিকল্পনার বিস্তারিত না দিলেও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করে কর্মসংস্থান বাড়ানোর অঙ্গীকার করেছেন। পাশাপাশি তরুণদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিদেশে উচ্চ আয়ের চাকরির সুযোগ বাড়ানোর কথা বলেছেন।
তিনি দেশের পানিসংকট মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং প্রতিবছর পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে তিনি নিজেকে উপযুক্ত মনে করেন এবং তাকে একজন বাস্তববাদী ব্যবসায়ী হিসেবে দেখেন।দ্য ইকোনমিস্ট আরও লিখেছে, তারেক রহমানের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শক্তিশালী করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া। তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচার অবশ্যই হবে।

তবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করা হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে—যে সরকার জনগণের জন্য কার্যকর কর্মসূচি দিতে ব্যর্থ হয়, তাদের পতন অনিবার্য। প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতির বিরোধিতা করে তিনি বলেন- প্রতিশোধ সমাজের জন্য কোনো ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না।বিশ্লেষকদের মতে-লন্ডন থেকে ফিরে আসা এই রাজনীতিককে আগের তুলনায় অনেক বেশি সংযত ও পরিণত মনে হচ্ছে। দেশে ফেরার পর জনমানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে চলছেন।

সংগৃহীত –

আলোচিত খবর

র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতিসংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিবকার সংগঠন বহুদিন ধরে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা র‌্যাবের নতুন নাম হবে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন-ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই একটি সরকারি আদেশ জারি হবে।নামের সঙ্গে পোশাকেও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন-ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইএফ সদস্যদের নতুন পোশাকে দেখতে পাবেন।বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ও আইনশৃঙ্খলার ক্রমাগত অবনতির মধ্যে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব গঠিত হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ