আজঃ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬

চবি মেডিকেল সেন্টারে মিনি অপারেশন থিয়েটার উদ্বোধন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সহযোগিতায় মিনি অপারেশন থিয়েটার বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় চবি মেডিকেল সেন্টারে উদ্বোধন করা হয়।

মিনি অপারেশন থিয়েটারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও চবি মেডিকেল উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চবি জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, শাহ আমানত হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. চৌধুরী মোহাম্মদ মনিরুল হাসান ও অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের প্রভোস্ট এ.জি.এম. নিয়াজ উদ্দিন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন এমন উদ্যােগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার এর জন্য একটি মাইলফলক। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। এসময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) চবি মেডিকেল সেন্টার কর্তৃপক্ষ ও চাকসুকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি মেডিকেল সেন্টারের সার্বিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।

বিজয় ২৪ হল সংসদের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সানজিদা শারমিন তৃষার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাকসুর স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আফনান হাসান ইমরান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চবি মেডিকেল সেন্টারের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের সব ধরনের স্বাস্থ্য সেবা দিতে বদ্ধপরিকর। এই মিনি ওটি চালু হওয়ায় ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের জন্য শিক্ষার্থীদের আর ক্যাম্পাসের বাইরে ছুটতে হবে না। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসকগণ, অফিসারগণ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, চাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ