আজঃ শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, এই নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের-তারেক রহমান।।

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও:।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছেন মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, হারিয়ে যাওয়া অধিকার প্রয়োগের সময় এসেছে। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।


শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।

তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা সাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন। ১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রতি দেন তিনি। 

দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।

বক্তব্যে অঞ্চলটির উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, মেডিক্যাল কলেজের দাবি বাস্তবায়ন করবে বিএনপি। এছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারেও ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি তিনি।

পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যতো দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।ফ্যাসিষ্ট সরকার নিজেদের স্বার্থ দেখেছে, জনগণের স্বার্থ দেখেনি মন্তব্য করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, সবার চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হেলথ কেয়ারার নিযুক্ত করে ঘরে বসে চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।

সমাবেশে উপস্থিত হাজারও জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দেশটি সবার, বিএনপির শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ। জনগণের সমর্থন নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চায় বিএনপি, যেখানে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কোটি মানুষের নিরাপদ রাষ্ট্র গঠন করতে চায় বিএনপি।

তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে,  ধর্মের ভিত্তিতে নয়। এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে  দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন। 

সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।ধানের শীষের কোনো বিকল্প নাই মন্তব্য করেন মহাসচিব বলেন, ধানের শীষের জয়ের মাধ্যমে দেশকে বাঁচাবেন তারেক রহমান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-৮ আসন জামায়াত-এনসিপির সমঝোতা হয়নি, খালি মাঠে গোল দেবেন বিএনপি প্রার্থী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের আসনগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনে একমাত্র ‘জুলাই আন্দোলনকারী’ তরুণদের দল এনসিপির প্রার্থী আছে। কিন্তু ওই আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. আবু নাছের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। কিন্তু প্রত্যাহারের শেষদিনে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী সংবাদ সম্মেলন করে তাদের প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে ঘোষণা দেয়। ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’র সমঝোতা অনুযায়ী চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও নগরীর একাংশ) আসনটি পেয়েছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এর পর গত ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে নির্বাচনি জনসভায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের হাতে শাপলাকলি প্রতীক তুলে দিয়ে তাকে ১১ দলের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করে দেন। কিন্তু ভোটের আগমুহূর্তে হঠাৎ করেই জামায়াত নেতা আবু নাছের গত তিনদিন ধরে কোমর বেঁধে মাঠে নেমে গেছেন। নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধন, গণসংযোগ, পথসভা, কবর জিয়ারতসহ আরও নানাভাবে শুরু করেছেন প্রচার।এতে নতুন দল এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ কার্যত নির্বাচনের মাঠে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।

এ অবস্থায় দলটির হতাশ ও ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জামায়াতের প্রার্থীর সমালোচনায় সরব হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি প্রার্থীর এই ‘রশি টানাটানিতে’ বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ। স্থানীয় ভোটারদের মতে, শুরুতে প্রচারের মধ্য দিয়ে জোরালো অবস্থান তৈরি হলেও মাঝপথে এসে প্রার্থী হওয়া নিয়ে দোলাচলে পিছিয়ে গেছেন আবু নাছের। এতে এরশাদ উল্লাহ অনেকটা খালি মাঠে গোল দেবেন বলে ধারণা ভোটারদের।

মহানগরীর উপকণ্ঠে বোয়ালখালী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পাঁচটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। বিএনপি-জামায়াত ও এনসিপি ছাড়াও এখানে তিনজন প্রার্থী আছেন। এরা হলেন- ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক (আপেল), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম (হাতপাখা) ও ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান (মোমবাতি)।
ভোটারদের মতে, যথারীতি বিএনপির ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। তবে ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতিও চমক দেখাতে পারে।

চট্টগ্রাম-৮ আসন বরাবরই বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান এ আসন থেকেই নির্বাচিত ছিলেন। ২০০৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবশ্য এরশাদ উল্লাহকে এ আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নৌকার জোয়ারে তিনি টিকতে পারেননি। সেখানে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তির ধারে-কাছেও এতদিন জামায়াতে ইসলামী দৃশ্যমান ছিল না। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ আগেভাগেই মাঠে নেমে যান ডা. আবু নাছের। গত দেড় বছর ধরে ধারাবাহিক সাংগঠনিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তিনি মোটামুটি জামায়াতকে আলোচনায় আনতে সক্ষম হন।

স্থানীয় ভোটারদের মতে, প্রার্থীদের মধ্যে এরশাদ উল্লাহ, আবু নাছের ও সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান পরিচিত মুখ। চিকিৎসক হিসেবে আবু নাছেরের আলাদা পরিচিতি ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা আছে। পক্ষান্তরে এনসিপির জোবাইরুল হাসান আরিফ ভোটের মাঠে নতুন, ভোটারদের কাছে তেমন পরিচিত নন। সৈয়দ মুহাম্মদ হাসানের রাজনৈতিক দল ইসলামী ফ্রন্টের এ আসনে সাংগঠনিক ভিত্তি আছে।

এরশাদ উল্লাহ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও বনেদি পরিবারের সন্তান। নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রমের শুরুতে গতবছরের গত ৩ নভেম্বর নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার চালিতাতলী এলাকায় এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনি প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা। এ ঘটনায় ভোটারদের মধ্যে এরশাদ উল্লাহর প্রতি সহানুভূতি তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।

তবে এরশাদ উল্লাহ নির্বাচনের মাঠ একেবারে প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন দেখছেন না। তিনি বলেন, আমি কাউকে দুর্বল প্রার্থী হিসেবে দেখছি না। ভোট করতে যখন নেমেছি, সব প্রার্থীই আমার কাছে সমান। আর ভোট মানেই চ্যালেঞ্জ। ভোটাররাও এখন অনেক সচেতন। আমি আমার বক্তব্য তুলে ধরছি। অন্য প্রার্থীরা উনাদের বক্তব্য তুলে ধরছেন। ভোটাররা সবকিছু নির্ধারণ করবেন।
নির্বাচনি প্রচারে এরশাদ উল্লাহকে মূলত ‘বোয়ালখালীর দুঃখ’ হিসেবে খ্যাত কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন, বোয়ালখালীকে একটি উপশহর হিসেবে গড়ে তোলা, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, বায়েজিদ বোস্তামি এলাকা থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, মাদক নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিতে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর ভোটের মাঠে ফেরা নিয়ে জানতে চাইলে দলটির বোয়ালখালী উপজেলার আমির মোরশেদুল আলম বলেন, এনসিপির জোবাইরুল আমাদের ১১ দলের প্রার্থী। আমরা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সাংগঠনিকভাবে অবশ্যই তার পাশে আছি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, জোবাইরুলকে এলাকায় কেউ চেনে না। তার সঙ্গে ১০০-২০০ লোক থাকলেও হতো। কিন্তু নাছেরের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বেশি। তার ব্যক্তিগত ভিত্তি জামায়াতের সাংগঠনিক ভিত্তির চেয়েও বেশি। দলমত, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে এলাকার মানুষ তাকে ভালোবাসে।

আমরা তাকে নির্বাচনের মাঠে আসতে নিষেধ করেছিলাম। এজন্য উনি আটদিন বাসা থেকে বের হননি। আমিরে জামায়াতের জনসভায়ও যাননি। তখন এলাকার লোকজন গিয়ে তাকে বাসা থেকে বের করে আনে। এই লোকগুলো জামায়াত করে না, তাদের আমরা নিয়ন্ত্রণ করব কীভাবে! সাধারণ লোকজন নাছেরকে আবার নির্বাচনের মাঠে টেনে এনেছে।আর জোবাইরুল হাসান আরিফের আশা, জামায়াতে ইসলামীসহ শরিক দলগুলো যদি শক্তভাবে এনসিপির পাশে দাঁড়ায়, তাহলে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।

অন্যদিকে ডা. আবু নাছের সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি নির্মূল, কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন, নদীভাঙন রোধসহ আরও নানা প্রতিশ্রুতি এতদিন যা দিয়ে এসেছিলেন, সেগুলো অব্যাহত রেখেছেন। এনসিপির জোবাইরুল তার মূল প্রতিশ্রুতি হিসেবে তুলে ধরছেন কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়নকে।

বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামের বাসিন্দা ব্যাংকার ইসমাইল হোসেন বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এখানে বিএনপির সাপোর্টার বেশি। তবে নাছেরও একেবারে ফেলে দেওয়ার মতো প্রার্থী নন। আওয়ামী লীগ যেহেতু নির্বাচন করতে পারছে না, তাদের সমর্থকরা যদি ভোটকেন্দ্রে যান, তাহলে ভোট ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে ভাগ হবে। কিছু ভোট মোমবাতির দিকেও যেতে পারে।

সম্প্রীতি ও উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে সাঈদ আল নোমান: নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম ১০ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর মুরাদপুর এলাকায় আয়োজিত সনাতনী সম্প্রদায়ের ভোটারদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি তার নির্বাচনী পরিকল্পনার পাশাপাশি এলাকার দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যার কথা তুলে ধরেন।


বক্তব্যের শুরুতেই সাইদ আল নোমান সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে তার পরিবারের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমার বাবা আসকার দিঘীর দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের একমাত্র মুসলিম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমিও ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা থেকে এই সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজ করে আসছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো ধর্মীয় বৈষম্য নয় বরং সবার অংশগ্রহণেই একটি উন্নত সমাজ গঠন সম্ভব।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভোট দেওয়া আপনাদের নাগরিক অধিকার। প্রশাসন থেকে সকল ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আপনারা সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।

​এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি রাস্তাঘাট সংস্কার, পানির সমস্যা সমাধান এবং কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর অবস্থানের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য।

​অনুষ্ঠানে স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা সাইদ আল নোমানের এই সময়োচিত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানান।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সনাতনী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচিত খবর

র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতিসংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিবকার সংগঠন বহুদিন ধরে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা র‌্যাবের নতুন নাম হবে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন-ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই একটি সরকারি আদেশ জারি হবে।নামের সঙ্গে পোশাকেও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন-ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইএফ সদস্যদের নতুন পোশাকে দেখতে পাবেন।বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ও আইনশৃঙ্খলার ক্রমাগত অবনতির মধ্যে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব গঠিত হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ