আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

গণমাধ্যম কর্মীদের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় সাঈদ আল নোমানের।

প্রেস রিলিজ

সুশিক্ষিত, বেকারত্ব ও জনদুর্ভোগমুক্ত চট্টগ্রাম-১০ গড়ার অঙ্গীকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুশিক্ষিত, বেকারত্ব ও জনদুর্ভোগমুক্ত চট্টগ্রাম-১০ আসন গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। তিনি বলেছেন, গত দুই বছর ধরে নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত সার্ভে করে জনসাধারণের সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই আলোকে পরিকল্পিত উন্নয়নই হবে তার রাজনীতির মূল ভিত্তি।শনিবার রাতে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় চট্টগ্রামে কর্মরত মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সাঈদ আল নোমান বলেন, “আমার প্রথম উদ্যোগ হবে সংসদীয় এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে তরুণ ও যুব সমাজকে কর্মদক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য একটি করে কর্মসংস্থান হাব তৈরি করা। একই সঙ্গে বিদ্যমান সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়ন এবং নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমে সবার জন্য সুশিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।”

স্বাস্থ্য খাতের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বৃহত্তর হালিশহর-পাহাড়তলী ও খুলশী এলাকার মানুষের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ তার অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, মশক নিয়ন্ত্রণ এবং ওয়াসার পানি জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তিনি বলেন, “জনগণের সমর্থন পেলে জনদুর্ভোগ দূর করতে আমি সর্বদা সচেষ্ট থাকবো—ইনশা আল্লাহ।”

আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে সাঈদ আল নোমান বলেন, “আমি নতুন প্রজন্মের হাতে অস্ত্র নয়, কলম দেখতে চাই। কিশোর গ্যাং নয়, কর্মঠ যুব সমাজ দেখতে চাই। কোনো সন্ত্রাস বা কিশোর গ্যাং আমার এলাকায় ঠাঁই পাবে না। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হবে, না হলে আইনের আওতায় আসতে হবে।”তিনি আরও বলেন, জননিরাপত্তার প্রশ্নে তার জিরো টলারেন্স নীতি আগামীতেও অটল থাকবে।

গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদের মতের সঙ্গে আমার দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের প্রশ্নে আপনাদের পাশে থাকবো। প্রয়োজন হলে আপনাদের সঙ্গে লড়তেও প্রস্তুত।”
গণমাধ্যমকর্মীদের আবাসন সমস্যার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুযোগ ও সক্ষমতা পেলে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গোয়াল পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলেও ভয় পায়। অতীতের অভিজ্ঞতার কারণে কিছু শঙ্কা থাকলেও আশা করি এবারের নির্বাচন সেই কালো অধ্যায় মুছে নতুন উজ্জ্বল ইতিহাস সৃষ্টি করবে।

পরিশেষে তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আপনার মূল্যবান ভোট প্রদান করুন। আপনাদের ভোটের ঋণ আমরা আমাদের কাজের মাধ্যমে শোধ করার সুযোগ দিন।মতবিনিময় সভায় সিনিয়র সাংবাদিকসহ মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, বিপ্লব উদ্যান, বধ্যভূমি, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরসহ মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থান সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হবে।বুধবার দুপুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে নগরীর পাহাড়তলীর জাকির হোসেন রোডে অবস্থিত বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর নির্মম গণহত্যা চালায়। সে সময় দিকনির্দেশনাহীন একটি জাতিকে চট্টগ্রাম থেকেই সাহস জুগিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার আহবানে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং বিপ্লব উদ্যান এলাকা থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ইতিহাস আমাদের গর্বের অংশ।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি। আমরা এখনও সঠিকভাবে জানতে পারিনি কতজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, কতজন শহীদ হয়েছেন। একটি নির্ভুল গেজেট প্রকাশ করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিভ্রান্ত না হয়।

ডা.শাহাদাত হোসেন অভিযোগ করেন, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি এবং অযোগ্য ব্যক্তিরা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছে। যারা প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধ করেছেন, যাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন ও সম্মান নিশ্চিত করতে হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে আমরা কাজ করছি। তবে অনেক স্থাপনা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন হওয়ায় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, যাতে সিটি কর্পোরেশনও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এসব ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা দায়মুক্ত হতে পারব না।


এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা সহ বিভাগীয় ও শাখা প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ও স্থানীয় জনগণ।

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ