আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

পঞ্চগড় সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নবাবের পেছনে দৈনিক ৭শ’ টাকা ব্যয়, খায় ১৫ কেজি খাবার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে একটি বিশালাকৃতির গরু।‘নবাব’ নামের এই গরুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় নানা বয়সী মানুষ।

খামারি আক্তার হোসেনের খামারে বেড়ে ওঠা হলিস্ট্রিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটি সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে যত্নে বড় করা গরুটির আনুমানিক ওজন প্রায় ২৫ মণ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহানন্দা নদীর তীরবর্তী এলাকায় গড়ে ওঠা খামারটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঈদকে সামনে রেখে গরুটির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্যের মতোই যত্নে রাখা হচ্ছে ‘নবাব’কে।

খামারি সূত্রে জানা যায়, গরুটির প্রধান খাদ্য মহানন্দা নদীর চরে উৎপাদিত টাটকা কাঁচা ঘাস। এছাড়াও প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ কেজি দানাদার খাবার হিসেবে গম, ভুট্টা, ছোলা ও ভুষি খাওয়ানো হয়। গরুটির পেছনে দৈনিক প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন, “নবাব ছোট থেকেই তাদের খামারে বড় হয়েছে। খুব যত্ন করে তাকে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর খাবার দিতে হয়।

আরেক বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “তিন বছর ধরে গরুটিকে দেখছি। এটি খুব শান্ত স্বভাবের গরু। ছোট শিশুও সহজে ধরে নিয়ে যেতে পারবে।”

খামারি আক্তার হোসেন জানান, “গরুটির বয়স প্রায় তিন বছর। ছোট থেকেই নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছি। প্রতিদিন এর পেছনে যে খরচ হয়, তা দিয়ে একটি পরিবারের সংসার চলতে পারে। গরুটির দাম প্রায় ৮ লাখ টাকা আশা করছি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার বলেন, জেলার চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। তিনি জানান, উন্নত জাতের গরু পালনে খামারিরা এখন আরও আগ্রহী হচ্ছেন এবং ‘নবাব’ সেই আগ্রহেরই একটি উদাহরণ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ৪ ভারতীয় গরু জব্দ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪টি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৩ বিজিবি)।মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এ অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫৩ বিজিবির জহুরপুরটেক বিওপির একটি বিশেষ টহলদল সদর উপজেলার সূর্যনারায়ণপুর ইউনিয়নের মাঠপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তের শূন্য লাইন থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিযান পরিচালনা করে ৪টি ভারতীয় গরু জব্দ করা হয়।জব্দকৃত গরুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। পরে গরুগুলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ শুল্ক কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

বিজিবি আরও জানায়, চলতি মে মাসে ৫৩ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিভিন্ন অভিযানে মোট ১২টি গরু জব্দ করা হয়েছে। এসব গরুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা।চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সম্ভাব্য গরু চোরাচালান ঠেকাতে সীমান্তের দুর্গম এলাকা ও নদীপথে বিশেষ টহল, চেকপোস্ট এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ