আজঃ শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

পঞ্চগড় সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, এলাকায় উত্তেজনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের হাসপাতাল সড়কের আমবাজার এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে মো. রজব (২৪) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রজব শহরের মসজিদপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। একই এলাকার দুই বন্ধু মো. মেহেদী (২৪) ও মো. জিসান (২৭) দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব বিরোধে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে আমবাজার এলাকায় রজবের সঙ্গে জিসানের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জিসান রজবের বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় মেহেদী রজবকে ধরে রাখে বলেও স্থানীয়দের বরাতে জানায় পুলিশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একরামুল হক জানান, ঘটনার সময় অভিযুক্ত দুই যুবকই মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা রজবকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হোসাইন পিপিএম জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির হামলায় সাংবাদিক শিশির আহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমন্ডি জোনের উদ্যোগে আওয়ামী লীগ বিরোধী একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।মিছিল শেষে বিফ্রিং চলাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে এক সাংবাদিককে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এতে মাহফুজুর রহমান শিশির নামে একজন সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ ২৩ জুন সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমন্ডি জোনের উদ্যোগে আওয়ামী লীগ বিরোধী একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।মিছিল শেষে বিফ্রিং চলাকালে সাংবাদিকদের সিনিয়র একজনকে কথা বলার জন্য আহ্বান জানানো হয়। এসময় মাহফুজুর রহমান কথা বলার এক পর্যায়ে তাকে আওয়ামী লীগ হিসেবে ট্যাগ দিয়ে হামলা করে।

হামলায় দৈনিক সকাল-এর রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশির গুরুতর আহত হন। হামলার ঘটনায় তার মুখ দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায়। পরে উপস্থিত অন্যান্য সাংবাদিকরা তাকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ মেডিকেলে পাঠান।এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য মুজিবুর রহমান খান সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের কর্মসূচিতে বহিরাগতরাও ঢুকে গিয়ে এমন কাজ করতে পারে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ