বিশ্বের অধিক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বের অধিক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৫ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এক ধাপ অবনতি হয়েছে। এবছর বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। ২০২৪ সালে এ অবস্থান ছিল ১৪তম।সূচকটি তৈরি করা হয়েছে ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের তথ্যের ভিত্তিতে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুই মাসেও খোঁজ মিলেনি পিসিটি থেকে গায়েব হওয়া পণ্যের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) থেকে চীন থেকে আনা ৭৮ কার্টন ক্যাপিটাল মেশিনারি গায়েব হয়ে গেছে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল এক আমদানিকারকের পণ্য খালাস করতে গিয়ে এমন পণ্য গায়েবের ঘটনা ধরা পড়ে। এরপর খোদ চীন থেকে সরবরাহকারী এসেছিলেন পিটিসি পরিদর্শনে, কর্তৃপক্ষের কাছে চেয়েছিলেন পণ্যের খোঁজ। কিন্তু ঘটনার দুই মাস পেরোলেও টার্মিনাল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ের (আরএসজিটি) কর্মকর্তারা দিতে পারেননি গায়েব হওয়া পণ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য।

এর আগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইয়ার্ডগুলো থেকে একের পর এক পণ্য উধাও ও চুরির ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল। সে সময় বন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে তৈরি পোশাক খাতসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। এবার দেশের প্রথম বিদেশি অপারেটর পরিচালিত পিসিটিতে একই ঘটনা ঘটল। চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বললেন, বন্দর থেকে শত কনটেইনার উধাও হয়ে যায় বন্দর চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেন না। এখন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আরএসজিটিও যদি এমন অব্যবস্থাপনা দেখায়! তাহলে ব্যবসায়ীরা কার ওপর আস্থা রাখবেন?

এদিকে মেশিনারি না পেয়ে রাইয়ান নিট কম্পোজিট লিমিটেড উৎপাদন সচল রাখা নিয়ে বিপাকে পড়েছে। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৭ জুলাই বিজিএমইএ সচিব আরএসজিটিকে চিঠি দিয়ে পণ্যের খোঁজ দিতে বলেছেন। রাইয়ান নিট কম্পোজিট লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) এ বি এম হালিম বলছিলেন, মেশিনারিজ না পেয়ে আমার একটা চালান যথাসময়ে উৎপাদন করতে পারিনি। দেরিতে উৎপাদিত পণ্য বিদেশি ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে এয়ারশিপমেন্ট করতে হয়েছে। আমরা একটা যৌথ জরিপ করে পণ্যের হদিস ও বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে চেয়েছি। কিন্তু আরএসজিটি থেকে সাড়া মিলছে না।

তবে উধাও পণ্যের খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেল, চট্টগ্রামের এইচবিডি মেশিনারি একই ধরনের মেশিনারি এনেছিল চীন থেকে। নিজেদের পণ্যের সঙ্গে ‘গায়েব’ ক্যাপিটাল মেশিনারি তারাই বের করে নিয়ে গেছে। আর এর সঙ্গে ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার সি ট্রান্ডজ বাংলাদেশের জড়িত থাকার অভিযোগও পাওয়া গেছে। আরএসজিটির সিসিটিভি ফুটেজে এসব মেশিনারি পণ্য নিতে দেখা গেছে। কিন্তু বিষয়টি স্বীকার করতে বা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে নারাজ আরএসজিটির কর্মকর্তারা।
অবশ্য আরএসজিটি বাংলাদেশের হেড অব কমার্শিয়াল সৈয়দ আরেফ খুরশিদ পণ্য হারানোর কথা স্বীকারই করলেন না। তার দাবি, ‘কার্গো চালান হারায়নি। অনেক পণ্য আছে ইয়ার্ডে সে কারণে একই পণ্য অন্যদের সঙ্গে এক্সচেঞ্জ হতে পারে। আমাদের টার্মিনাল থেকে গায়েব হওয়ার আশঙ্কা নেই।

৩৫ বছর পর ২০ আগস্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৩৫ বছর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোট দেবেন। ভোটগ্রহণ শেষে একই কক্ষে ব্যালট গণনা করে প্রাথমিক ফল ঘোষণা করা হবে। পরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ফলাফলের সরকারি গেজেট।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ও ভোটগ্রহণের বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরেন।

সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর
ইতিপূর্বে ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সময় পরোক্ষ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ৩৩০ সদস্যের মধ্যে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করেন। বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট। ৬৬ জন সংসদ সদস্য ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ