আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

বিশ্বের অধিক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বের অধিক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৫ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এক ধাপ অবনতি হয়েছে। এবছর বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। ২০২৪ সালে এ অবস্থান ছিল ১৪তম।সূচকটি তৈরি করা হয়েছে ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের তথ্যের ভিত্তিতে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা নিরসন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন।

মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি (SAIDA Shinichi) এর সাথে মতবিনিময় কালে এ কথা বলেন তিনি। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে অবস্থিত জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব জনাব মোচিদা ইউতারো (MOCHIDA Yutaro) ও ফুজিমোতো সাওরি (FUJIMOTO Saori)।

সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে জাপানের সহায়তায় চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যত সহযোগিতার নানা ক্ষেত্র তুলে ধরেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী।

এসময় স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় জাপানকে ধন্যবাদ জানিয়ে মেয়র বলেন, “বর্তমানে চট্টগ্রাম শহরে যে সমস্যাগুলো প্রকটভাবে দেখা দিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। চট্টগ্রাম শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক এবং পরিবেশসম্মত না হওয়ায় পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ কারণে আমরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করার জন্য নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।”
“জাপান এক্ষেত্রে প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত উন্নত। সেই জন্য আমরা আমাদের ল্যান্ডফিল ব্যবস্থাপনার জন্য জাপানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে নানামুখী কার্যক্রম চালাচ্ছি। এক্ষেত্রে জাইকাও দারুণ ভূমিকা রাখছে। আমরা চাই চট্টগ্রাম শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে জাপান আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সহায়তা করুক।

চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা চেয়ে মেয়র বলেন, “চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়নে, বিশেষ করে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তরে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুরো নগরী জুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, মেট্রোরেল নির্মাণ এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের মতো নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা, যেমন ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহারসহ বিভিন্নভাবে জাপান আমাদের সহায়তা করতে পারে।

জবাবে রাষ্ট্রদূূত সাইদা শিনিচি বলেন, চট্টগ্রাম অত্যন্ত সম্ভাবনাময় নগরী। চট্টগ্রামের উন্নয়নে জাপানের সহায়তায় যেসব প্রকল্প চলছে তা চট্টগ্রামের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে আরো নানা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো খতিয়ে দেখবে জাপান।
সভায় প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিস্থিতি এবং এক্ষেত্রে মান উন্নয়নে জাপান কী ধরনের সহায়তা করতে পারে তা তুলে ধরেন। এছাড়া প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষা অবকাঠামো তুলে ধরে শিক্ষার মান উন্নয়নে চলমান কার্যক্রম এবং জাপানের সম্ভাব্য ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ফারিয়ার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পেশার মর্যাদা রক্ষা ও ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণের নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবীতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিডগনের প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে জেলা ফারিয়া ও ম্যানেজার্স ফোরাম এর আয়োজনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। 

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা ম্যানেজার্স ফোরাম এর সভাপতি সালেহীন, সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন, জেলা ফারিয়ার সাধারণ সম্পাদক মহিতোষ রায়সহ অনেকে।

সেখানে তারা বলেন অন্যান্যদের মতো দেশের শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী তারা। একটি কুচক্রী মহল তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। মালিকপক্ষ এই বিষয়ে কিছুই বলছেন না। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তারা লাঞ্ছিত হচ্ছে না। ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। তাই দ্রুত এই বিষয়গুলো সমাধান না হলে, সামনে কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন তারা।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ