আজঃ শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে আনসার ও ভিডিপির নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ।

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও:

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ঠাকুরগাঁও নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের নির্দশনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ঠাকুরগাঁও এর আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিকনির্দেশনা মূলক নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের বাস স্ট্যান্ড এলাকায় শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে এই প্রস্তুতিমূলক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এই সমাবেশে জেলার ৫টি উপজেলা থেকে প্রায় কয়েক হাজার আনসার ভিডিপি মহিলা ও পুরুষ সদস্য উপস্থিত হয়। 

তাদের দিকনির্দেশনা দেন রংপুর রেঞ্জের রেঞ্জ কমান্ডার, উপ-মহাপরিচালক – আব্দুল আওয়াল,এসময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও আনসার ব্যাটিলিয়ানের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল হাদী, আনসার ভিডিপির জেলা কমান্ডেন্ট, উপ-পরিচালক নুরুল আবছার সহ ৫ টি উপজেলার উপজেলা কর্মকর্তা, পরিক্ষক সহ অন্যান্যরা। 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে চট্টগ্রামে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে শোক মজলিস ও শোক র‌্যালি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে কারবালার শোকাবহ ঘটনা স্মরণে চট্টগ্রামে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে শোক মজলিস ও শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর আত্মত্যাগের আদর্শ তুলে ধরার পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, বিশ্ব শান্তি এবং জঙ্গিবাদ-উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া র‌্যালীতে শোকাবহ কারবালার নানা ঘটনাবলি তাজিয়া, প্রতীকী কফিন, পতাকা, স্লোগান, মাতম ও কথামালায় তুলে ধরেন। শুক্রবার নগরের সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহ থেকে হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি নিউমার্কেট, জিপিও, কোতোয়ালী মোড়সহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে এসে শেষ হয়।

শোক মিছিলে শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোর অংশ নেন। তারা ইমাম হোসাইন (আ.)-এর প্রতীকী কফিন ও বিভিন্ন লেখা সম্বলিত পতাকা (আলাম) বহন করেন। মিছিলজুড়ে কারবালার শহীদদের স্মরণে নওহা ও মার্সিয়া পাঠ করা হয়। ‘ইয়া হোসাইন’ ও ‘লাব্বাইক ইয়া হোসাইন’সহ বিভিন্ন শোকধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে মাসায়েব মজলিস অনুষ্ঠিত হয়। এতে হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আমজাদ হোসেন কারবালার প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে হযরত ইমাম হোসাইন (আ.) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের শাহাদাতের হৃদয়বিদারক ঘটনা তুলে ধরেন। তাঁর বয়ানে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে অংশগ্রহণকারীরা বুক চাপড়ে মাতমের মাধ্যমে শোহাদায়ে কারবালার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নিউমার্কেট এলাকায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাওলানা আমজাদ হোসেন মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, ‘কারবালার শিক্ষা কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি সত্য, ন্যায়বিচার ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর এক চিরন্তন আহ্বান। আজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানসহ নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর ওপর হত্যা, নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, আমরা সকল প্রকার যুদ্ধ, আগ্রাসন ও নিরপরাধ মানুষের রক্তপাতের তীব্র নিন্দা জানাই। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং সব ধরনের জুলুম-নির্যাতনের অবসানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা কামনা করছি। একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে হত্যাকারীদের কঠিন শাস্তি কামনা করি ও ধিক্কার জানাই। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কারবালার মহান আদর্শ আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং শান্তি, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকতে শিক্ষা দেয়।’

মিছিলে ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’, ‘ইয়া হোসেন’, ‘লাব্বায়িক ইয়া হোসেন’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়। হৃদয়গ্রাহী কণ্ঠে ‘আখেরি সালাম লও ওহে নানাজান, তোমারি হোসেন যায় কারবালা ময়দান’সহ ধর্মীয় নাত, গজল পরিবেশন করে যুবকরা মাতম করেন।পিপাসার্ত পথচারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় শরবত।
মিছিলটি কালীবাড়ি মোড়, নিউমার্কেট মোড়, কোতোয়ালী মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ইমাম বাড়িতে ফিরে যায়। সেখানে দিনব্যাপী শিয়াদের চিরায়ত ঐতিহ্য অনুযায়ী আচার-অনুষ্ঠান, আলোচনা আর প্রার্থনা হয়।

বাবা তার ছোট্ট সন্তানকে কাঁধে নিয়ে শরিক হয়েছেন মিছিলে। ছোট্ট শিশুটির হাতে কালো পতাকা। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে এই বাবা বলেন, ১০ মহরম হৃদয়বিদারক ঘটনা। ইমাম হোসাইন সপরিবারে কারবালার মরু প্রান্তরে শহীদ হয়েছেন। আজ আমার বাচ্চাকে নিয়ে হাঁটছি কিন্তু সেদিন ছয় মাসের সন্তানও রেহাই পাননি ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে। সেই স্মৃতি বুকে ধারণ করে আমার সন্তানকে নিয়ে কারবালার জুলুসে এসেছি।

একজন নারী বলেন, আজ ১০ মহররম। আমাদের পবিত্র আশুরা। কারবালায় ইমাম হোসাইন শহীদ হয়েছেন, তাঁর স্মরণে আমরা শোক পালন করছি। ইসলামের জন্য, হক প্রতিষ্ঠার জন্য নবীজীর বংশধর জীবন দিয়েছেন। এমনকি ছোট্ট আলি আজগর পিপাসার্ত অবস্থায় শহীদ হয়েছেন। উনাকে তীর মেরে শহীদ করা হয়েছে। ইমামের মিছিলে যে নারীরা ছিলেন, তাঁদের ওপর জুলুম করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রতিবছর ১০ মহরম পবিত্র আশুরার দিনে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা স্মরণে নগরীর সদরঘাট থেকে এই শোক মিছিলের আয়োজন করে শিয়া সম্প্রদায়। এ উপলক্ষে সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও পালন করা হয়।

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ মাটিকাটার অভিযোগে যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে এক যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ২৫ জুন গভীর রাত দুই(২) টার দিকে উপজেলাধীন পাড়-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাথরঘাটা বিশাপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে হিমু আহমেদ(২৫) পিতা- আব্দুস সামাদ, সাং- সাভার, ফরিদপুর,পাবনা। কে বালুমহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০,০০০/= (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং পৌরসভা প্রশাসক মিজানুর রহমান।
এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার এসআই সুব্রত কুমার সহ পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটিকাটার কার্যক্রম চলছিল,
যা কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এই অভিযান পরিচালনা করেন।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, অবৈধভাবে মাটিকাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ