আজঃ রবিবার ৩১ মে, ২০২৬

নেত্রকোনা-৪ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা-৪ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা নিবেদনে প্রতি মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বাধীনতার মহান ঘোষক ও বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগরের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন‌ সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি।

সাধারন মানুষের সুখ দুঃখ আমাদের ধারণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন এবং তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জনগণকে সঙ্গে সম্ভব।শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি মোড়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থ, অসহায় ও পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা আজ এমন একটি স্থানে দাঁড়িয়ে আছি, যার সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।এই সার্কিট হাউসেই তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তুতিনি বাংলাদেশে একদলীয় শাসনের পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন।তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলে তাঁর আদর্শ ধারণ করতে হবে এবং জনগণের পাশে থাকতে হবে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের মনে রাখতে হবে, জনগণই দলের মূল শক্তি। তাদের স্বার্থ, চাহিদা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাদের জন্য আমরা রাজনীতি করি, সেই সাধারণ মানুষকে কখনো ভুলে গেলে চলবে না। তাদের সুখ দুঃখ আমাদের ধারণ করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই মানুষগুলোকে আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। তাদের পাশে থাকতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
আমির খসরু বলেন, বিএনপি একা কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে, সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই আমরা একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ জিয়া ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সম্মুখ সমরে তাঁর বীরোচিত অংশগ্রহণ জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করেছিল। পঁচাত্তর পরবর্তী এক ক্রান্তিকালে যখন জাতি দিশেহারা, ঠিক তখনই তিনি দেশের হাল ধরেছিলেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে গেছেন।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি আজ দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। তাঁর শাসনামলে দেশে অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। পোশাক শিল্পকে বিকশিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছিলেন। তার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ দেশের আপামর জনসাধারণকে এক নতুন পরিচয়ে পরিচিত করেছিল।
অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধান অতিথি ও সভাপতি উপস্থিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির সদস্য মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় এ কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপি, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, শাহ আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়কত কমিটির সদস্য ইসকান্দার মির্জা, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন লিপু, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় রিহ্যাব কমিটির সদস্য ডা. এস এম সারোয়ার আলম, মহানগর মহিলাদলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী আবু ফয়েজ প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ