আজঃ শুক্রবার ১৫ মে, ২০২৬

দ্বীপ জেলার নির্বাচিত ৪ সংসদ সদস্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভোলা জেলা সমিতি চট্টগ্রাম।

প্রেস রিলিজ

Oplus_131072
সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্বীপ জেলা ভোলার আগামী দিনের উন্নয়নের কান্ডারী
জাতীয়তাবাদি শক্তির ধারক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করায় ভোলা জেলা সমিতির পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জাল সনদে চাকরি ফেসে যাচ্ছেন পুর্বধলার দুই শিক্ষক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতায় যোগদানের অভিযোগে নেত্রকোনার পূর্বধলায় দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনার পর এ উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের দীর্ঘ তদন্তে সারা দেশে শনাক্ত ৪০২ জন জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকায় পূর্বধলার এই দুই শিক্ষকের নাম উঠে আসে।অভিযুক্তরা হলেন ঘাগড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মো. জায়েজুল ইসলাম এবং ভূগী জাউয়ানী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) মো. বিল্লাল হোসেন।

মাউশির জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১-এর ১৮.১(ঙ) ধারা অনুযায়ী জাল সনদ ব্যবহার গুরুতর অপরাধ। এ অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষকদের কেন চাকরিচ্যুত করা হবে না এবং কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।ডিআইএ সুপারিশ করেছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে দুই শিক্ষকের এমপিও সুবিধা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি চাকরিতে যোগদানের পর থেকে সরকারি কোষাগার থেকে উত্তোলিত বেতন-ভাতাও ফেরত নেওয়া হবে। এ দুই শিক্ষকের কাছ থেকে মোট ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৫১০ টাকা আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ নির্দেশনার পর নেত্রকোনা জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক জানিয়েছেন, জেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে গত ৬ মে এসংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৭ মে সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবীর আহাম্মদ উল্লেখ করেন, অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে এরই মধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অভিযোগের বিষয়ে মো. জায়েজুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি যথাযথ নিয়মে নিয়োগ পেয়েছেন এবং পরে যাচাই-বাছাই শেষে এমপিওভুক্ত হয়েছেন। এর আগেও এ বিষয়ে জবাব দেওয়া হয়েছিল, এবারও তিনি লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিয়েছেন। তার আশা, বিষয়টির সুরাহা হবে।

মো. বিল্লাল হোসেন জানান, শিক্ষা অফিসের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তিনিও লিখিত জবাব দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মাউশি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে নিজ এলাকা মিরসরাইয়ের ধুম ইউনিয়নের মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। এসময় উপজেলা প্রশাসন থেকে দেওয়া হয় ‘গার্ড অব অনার’।এর আগে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের জানাজা হয়েছে। নগরের জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।পরে জয় বাংলা স্লোগানে তাকে বিদায় জানান দলীয় সমর্থক ও নেতাকর্মীরা।জানাজায় অংশ নেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক মেয়র ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, প্রয়াতের বড় ছেলে সাবেদুর রহমান সমুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেণি পেশার মানুষ। এর আগে মরদেহ জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে পৌঁছালে বর্ষীয়ান রাজনীতিককে একনজর দেখতে ও শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামে। ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় কফিন।সাবেক এই মন্ত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করে বক্তব্য দেন বিভিন্ন দলের নেতারা।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নে তিনি অনেক অবদান রেখেছেন। মিরসরাইয়ের সন্তান হলেও বৃহত্তর চট্টগ্রামের জন্য কাজ করে গেছেন।চট্টগ্রামের উন্নয়নে তাঁর অবদানের জন্য মানুষ তাঁকে স্মরণ করবেন।

উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান বলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা চিরদিন মনে রাখতে হবে। তিনি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে গেছেন। সারাজীবন তার সঙ্গে রাজনীতি করেছি।’সাবেক সিটি মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘পাকিস্তান আমল থেকে উনার সাথে আমার স্মৃতি। চট্টগ্রামের উন্নয়নে অনেক উদ্যাোগ নিয়েছেন। তিনি কথা শুনতেন। চট্টগ্রামের ইতিহাসে মোশাররফ হোসেন এক অবিস্মরণীয় নাম হয়ে থাকবে।’

মোশাররফ হোসেনের সন্তান সাবেদুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন আইসিইউতে থাকার পর তিনি চলে গেছেন। উনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। দেশের উন্নয়নে উনি কাজ করেছেন। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’শ্রদ্ধা জানান সিপিবি নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম, ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন গেরিলা বাহিনী, মীরসরাই অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।জানাজা অংশ নেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, সিপিবিসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা।

পরে মরদেহের কফিন অ্যাম্বুলেন্সে ওঠানোর পর হাজারো সহযোদ্ধা, রাজনৈতিক সহচর ও অনুসারীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন। এ সময় ‘বীর চট্টলার মোশাররফ ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই’, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান শোনা যায়।নেতাকর্মীরা মরদেহবাহী গাড়ির সঙ্গে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠ থেকে বের হয়ে আসেন। এসময় পুলিশ সদস্যরা মাঠের মূল ফটকে দাঁড়িয়ে ছিল। অ্যাম্বুলেন্সটি মীরসরাইয়ের ধুম গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।
মিরসরাইয়ে জানাজায় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের মেজ ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুব রহমান রুহেল বলেন, ‘আজ মিরসরাইবাসীর জন্য অনেক কষ্টের দিন।

দীর্ঘদিন আইসিইউতে থাকার পর আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আমার বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আমার বাবা চট্টগ্রামের তথা মিরসাইয়ের উন্নয়নের জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। কয়েকদিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার (১৩মে) সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ওইদিনই বিকেল ৫টায় গুলশান আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ