আজঃ মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী-এমপিরা রাষ্ট্রিয় সুবিধা পেয়ে থাকেন।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী-এমপিরা কত টাকা বেতন পান, তা জানতে সাধারণ মানুষের আগ্রহ রয়েছে। বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বেতন পান রাষ্ট্রপতি। তিনি মূল বেতন হিসেবে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, প্রধানমন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এই দুই ব্যক্তির যাবতীয় রাষ্ট্র বহন করে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বেতনের সঙ্গে বাড়ি ভাড়া হিসেবে ১ লাখ টাকা পেয়ে থাকেন। দৈনিক ভাতা হিসেবে ৩ হাজার টাকা, বিমান ভ্রমণের জন্য বিমা কভারেজ ২৫ লাখ টাকা এবং স্বেচ্ছাধীন তহবিল দেড় কোটি টাকা পেয়ে থাকেন । অবশ্য সরকারি বাসভবনে থাকলে তিনি বাড়ি ভাড়া বাবদ ১ লাখ টাকা পাবেন না। 
জাতীয় সংসদের স্পিকার বেতন পান ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। প্রধান বিচারপতি বেতন পান ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। মন্ত্রীরা বেতন পান মাসিক ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রীরা বেতন ৯২ হাজার টাকা। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিপ হুইপ এবং বিরোধী দলীয় নেতা ৯২ হাজার টাকা পান। উপমন্ত্রীদের বেতন ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা।  সংসদ সদস্য বেতন পান ৫৫ হাজার টাকা করে। এছাড়া বিভিন্ন ভাতা বাবদ পান আরও কিছু টাকা। এর মধ্যে রয়েছে- আপ্যায়ন, চিকিৎসা, পরিবহন, ভ্রমণ, অফিস পরিচালনা ও টেলিফোন বিল। এছাড়া বিমার আওতায় থাকেন সংসদ সদস্যরা। 

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী সরকারি খরচে একটি করে গাড়ি সুবিধা পান। এই গাড়ি পরিবহন পুল থেকে সরবরাহ করা হয়। এছাড়া সরকারি প্রয়োজনে ভ্রমণের সময় তারা মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেকোনো সংস্থা বা দপ্তর থেকে একটি জিপ গাড়ি পান। জ্বালানি বাবদ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী দৈনিক ১৮ লিটার জ্বালানি তেলের সমপরিমাণ অর্থ পান। একজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দেশের ভেতরে কোথাও ভ্রমণে গেলে দৈনিক ভাতা পান ২ হাজার টাকা। উপমন্ত্রী পান দেড় হাজার টাকা। 

আইন অনুযায়ী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব (পিএস) পাবেন। এছাড়া একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং সরকারি কর্মকর্তার বাইরে নিজের পছন্দের একজন সহকারী একান্ত সচিব পেয়ে থাকেন। এছাড়া দুইজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, একজন জমাদার, একজন আরদালি, দুইজন অফিস সহায়ক ও একজন পাচক পেয়ে থাকেন। 
এছাড়া মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা একটি করে মুঠোফোনের সুবিধাও পেয়ে থাকেন।

বাংলা খবর পত্রিকা –
Banglakhaborpatrika @ gmail.con/[email protected]

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অন্তর্বর্তী সরকার ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী এবং ৬০০ নির্বাহী আদেশ জারি করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন-চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেয়ালে দেয়ালে তরুণরা যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন এঁকেছিল— তাছিল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার প্রায় ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন করেছে এবং প্রায় ৬০০টি নির্বাহী আদেশ জারি করেছে, যার প্রায় ৮৪ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।
‘এই সংস্কারসমূহ নাগরিক অধিকারকে সংহত করেছে, বিচারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে এবং গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সংস্কৃতি যেন আর কখনো ফিরে না আসে সেটা নিশ্চিত করেছে’— যোগ করেন তিনি।

মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত ভঙ্গুর। থানাগুলো ছিল পুলিশশূন্য, জনগণের মধ্যে আস্থার বদলে ভয় ও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ধাপে ধাপে আমরা সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছি। আজ পুলিশ আর মারণাস্ত্র ব্যবহার করে না, বেআইনিভাবে কাউকে তুলে নিয়ে যায় না, ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে হত্যা করে না, পুলিশ ও গোয়েন্দাবাহিনীর ভয়ে কাউকে ডিলিট বাটন চাপতে হয় না। জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিচার বিভাগকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে পৃথক সচিবালয় গঠন, বিচারক নিয়োগে স্বচ্ছ কাঠামো এবং দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনে যুগান্তকারী সংস্কার করা হয়েছে বলেও ভাষণে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। এজন্য সেপারেশন অব জুডিশিয়ারি করতে মাজদার হোসেন মামলার রায় আমরাবাস্তবায়ন করার কথা জানায়।

তিনি আরও বললেন, গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে রায় সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ, বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ এবং অন্তর্বর্তী আপিলের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ যেন আর কখনো মানবাধিকারহীন রাষ্ট্রে পরিণত না হয়— সে লক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে এবং কমিশন গঠন করা হয়েছে।

বাংলা খবর পত্রিকা –
[email protected]/[email protected]

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপদেষ্টারা থাকছেন, কেউ দেশ ছাড়ছেন না- প্রেস সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন । তারা দেশ ছাড়ছেন,এমন আলোচনা চলার মধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন-উপদেষ্টারা সবাই দেশেই আছেন। রোববার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন-শপথের দিন উপদেষ্টারা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। শপথ শেষে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাদের দায়িত্বের সমাপ্তি হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ