আজঃ শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে বায়েজিদে র‌্যাবের অভিযানে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেফতার-২।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে অভিযান চালিয়ে দুটি বিদেশি পিস্তল ও ৫৬ রাউন্ড গুলিসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭। বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় বায়েজিদ লিংক রোডের পাশে একটি বহুতল ভবনে এ অভিযান চালানো হয় বুধবার লে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে অভিযানটি চালানো হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মহানগরের পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুরে এলাকার চার মামলার আসামি ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম (২৮) ও একই থানার বিবিরহাট এলাকার আবুল কালাম আজাদ (৬২)।

র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, স্থানীয় সূত্র ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ হিসেবে চিহ্নিত। তিনি গত বছরের ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম-৮ আসনের একটি জনসংযোগ কর্মসূচিতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত সরোয়ার বাবলার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

তিনি বলেন দীর্ঘ সময় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানকালে এবং দেশে আসা-যাওয়ার সময় তিনি বায়েজিদ বোস্তামী, অক্সিজেন ও মুরাদপুর এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারসহ ইন্টারনেট কল এবং বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে চাঁদা দাবি করতেন। এছাড়া ‘রিচ কিডস’ নামে একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন তিনি। গ্রেফতার হওয়ার অপর ব্যক্তি আবুল কালাম আজাদ ইমতিয়াজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ব্যক্তিগত গাড়িচালক। তিনি চাঁদার অর্থ উত্তোলনে সহায়তা করতেন।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক জানান, সিডিএমএস পর্যালোচনায় ইমতিয়াজ সুলতান ইকরামের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নাশকতা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক সাংসদ মিতার বিরুদ্ধে মামলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও রূপালী লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ০০ মাহফুজুর রহমান মিতার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ মামলাটি করেন একই কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুসাব্বির আহমেদ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মাহফুজুর রহমান ২০০২-০৩ করবর্ষ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, সংসদ সদস্য হিসেবে ভাতা ও সম্মানী, গৃহভাড়া, লভ্যাংশ, ঋণ, গাড়ি বিক্রি এবং অন্যান্য উৎস মিলিয়ে তিনি মোট ১০ কোটি ৬৬ লাখ ৮৩ হাজার ৭৪৯ টাকা আয় দেখিয়েছেন। তবে আয়কর নথিতে প্রদর্শিত ব্যবসা ও মৎস্য খাতের উল্লেখযোগ্য অঙ্কের আয়ের পক্ষে অনুসন্ধানকালে গ্রহণযোগ্য কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।

০একইভাবে ২০১১-১২ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত স্ত্রীর কাছ থেকে ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার দাবি করা হলেও এর বৈধ উৎস বা প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে দুদক।রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট সময়ে তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ছিল ৯ কোটি ৯১ লাখ ৪৬ হাজার ৪৩২ টাকা। এতে তাঁর সঞ্চয় দাঁড়ায় ৭৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩১৭ টাকা। অন্যদিকে অনুসন্ধানে তাঁর নামে ২ কোটি ২৩ লাখ ৯৮ হাজার ৮২২ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ৩৯ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪২ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৬৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৪ টাকা। ব্যয় বাদে বৈধ সঞ্চয়ের তুলনায় ৯ কোটি ৮৮ লাখ ৩০ হাজার ১৪৭ টাকার সম্পদের উৎস পাওয়া যায়নি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগের সময়কাল ধরা হয়েছে ২০০২ সাল থেকে ৩০ জুন ২০২৪ পর্যন্ত।

দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, সাবেক সংসদ সদস্য ও রূপালী লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় ৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকালে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রামে আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ : পুলিশের জালে ১০ নারী-পুরুষ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানাধীন চাক্তাই ভেড়া মার্কেট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর বাকলিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে চাক্তাই ভেড়া মার্কেটের স্বপ্নীল আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার কয়েকটি কক্ষে অভিযান চালানো হয়।এ সময় অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ১০ জনকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপি বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান।
আটককৃতরা হলো, মাইনউদ্দিন (৩০), মোরশেদ (৩২), ইয়াছমিন (২২), সেতু আক্তার (১৮), সাদিয়া আক্তার সালমা (২৫), রুম্পা শীল (৩০), শারমিন আক্তার (২০), বেবি আক্তার (৩০), আব্দুল গফুর (৩৮) ও বাবুল মিয়া (৩৫)।

আলোচিত খবর

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। কমিটিতে আরও ১৪ জন সদস্য রয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং সচিব।

কমিটির সদস্যরা হলেন- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী; উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন; উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ; মন্ত্রিপরিষদ সচিব; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব; নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব; অর্থ বিভাগের সচিব; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব; স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।এ ক্ষেত্রে কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষে কমিটি আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দেবে।

এছাড়াও কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, নবগঠিত এই কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়ন; প্রাথমিক পর্যায় দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিটিতে ১টি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ; নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করা যায় কিনা তা পর্যালোচনা; সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও National Household Database আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল MIS প্রণয়নের সুপারিশ করবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ