আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

শহরে কোনো ধরনের বিলবোর্ড থাকবে না : মেয়র ডা. শাহাদাত।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্ছেদে অংশ নিয়ে নগরীতে কোনোর ধরনের বিলবোর্ড থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর কাজীর দেউড়ি মোড়ে উচ্ছেদ অভিযানকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো ধরনের বিলবোর্ড শহরে থাকবে না। নির্বাচনকালীন কেউ আমাদের সাথে কথা না বলে করে ফেলেছে। এ সময় চট্টগ্রাম নগরীকে পরিকল্পিত, দৃষ্টিনন্দন ও পরিচ্ছন্ন মহানগর হিসেবে গড়ে তুলতে বিলবোর্ড ও অবৈধ বিজ্ঞাপন স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, নগরজুড়ে অনুমোদনহীন বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রামকে বিলবোর্ডমুক্ত করা হবে। চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেরেন।

এদিন নগরের কাজীর দেউরীতে অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযান শুরু হয়। সিটি কর্পোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট টিম, প্রকৌশল বিভাগ, পরিচ্ছন্নতা বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়াই স্থাপিত বিভিন্ন আকারের বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়কের দৃশ্যমানতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল, ট্রাফিক সিগন্যাল ও সাইনবোর্ড আড়াল হয়ে যাচ্ছিল এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

উচ্ছেদ কার্যক্রমের ফলে মোড়টির দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
অভিযান পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, চট্টগ্রাম শহরকে বিলবোর্ডের জঞ্জাল থেকে মুক্ত করতে আমরা সমন্বিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ নিয়েছি। নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার। অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিলবোর্ড স্থাপন করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত নীতিমালা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বিজ্ঞাপন স্থাপন করতে হবে। অন্যথায় নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, উম্মে কুলসুম, শাহরীন ফেরদৌসী, রক্তিম চৌধুরী, প্রণয় চাকমা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন :যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নেভি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রামের যোগব্যায়াম উৎসাহীদের সাথে এ দিবস উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ( চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে ৮০০ অধিক জনসমাগম হয়।যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন যোগ অনুশীলন পরিচালনা করেন।

সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হারীশ কুমার তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, যোগ একটি প্রাচীন অনুশীলন, যার অর্থ হলো ‘যুক্ত হওয়া’ বা ‘একত্রিত হওয়া’। এটি দেহ, মন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা অর্জনে সহায়তা করে।
প্রায় ৫ হাজার বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশে এর উৎপত্তি হলেও যোগ কেবল শারীরিক ব্যায়াম বা বিভিন্ন ভঙ্গির অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনধারা, যা শারীরিক প্রাণশক্তি, মানসিক স্বচ্ছতা এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতি বছর ২১ জুন বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত হয়। ভারতের উদ্যোগে ইউনাইটেড নেশনস ২০১৪ সালে এই দিবসকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্বাস্থ্য, নমনীয়তা, মানসিক স্থিতি এবং জীবনীশক্তি বজায় রাখতে যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। নিয়মিত যোগাভ্যাস মানসিক চাপ কমায়, শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করে। তাই একটি সুস্থ, সুখী ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনে যোগকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, যোগ আমাদের সকলকে সংযুক্ত করে ও একত্রিত করে। যখন যোগ জীবনযাত্রার অংশ হয়ে ওঠে, তখন তা মানব ঐক্যের ভিত্তি স্থাপন করে। যোগ আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনের শিল্প শেখায় এবং মানসিক সুস্থতা থেকে শারীরিক সুস্থতার পথ দেখায়। এটি আমাদের শরীরকে নমনীয় হতে সাহায্য করে এবং আমাদের শক্তির মাত্রা উচ্চ রাখে। শারীরিক সুস্থতা থেকে শুরু করে মনের শান্তি পর্যন্ত, যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে।

পূর্বধলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শিক্ষক জাহাঙ্গীর স্যারকে বিদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক সৈয়দ মেহেদী হাসান (জাহাঙ্গীর) স্যারকে এক বর্ণাঢ্য ও আবেগঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে অবসরোত্তর বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন,) সকালে বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত থেকে তার দীর্ঘ ২৭ বছরের কর্মজীবনের স্মৃতি ও অবদানের কথা স্মরণ করেন। স্মৃতিচারণ ও বক্তব্য পর্বে এক হৃদয়স্পর্শী পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

​কর্মময় জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা ​বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সৈয়দ মেহেদী হাসান ১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত ৩০ মে ছিল তার শেষ কর্মদিবস এবং ৩১ মে থেকে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে যান। তবে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আজ ২১ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

​অতিথিবৃন্দের স্মৃতিচারণ ​বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরে আলম ছিদ্দিকী মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধান শিক্ষক শুধাংশু শেখর তালুকদার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান খান সেলিম।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

​সাবেক প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র সরকার ​সাবেক সহকারী শিক্ষক এস এম এনামুল করীম ​সাবেক সহকারী শিক্ষক প্রাণেশ চন্দ্র দাস ​সাবেক সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ​সাবেক সহকারী শিক্ষিকা জাহানারা বেগম​এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ও বিদায়ী শিক্ষকের সহধর্মিণী সুরাইয়া আক্তারসহ বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীরা।

​বক্তারা বলেন: “জাহাঙ্গীর স্যার শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর। তার নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও অসাধারণ নেতৃত্বগুণ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া ও স্কাউটিং কার্যক্রমকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শুধাংশু শেখর তালুকদার বলেন, “খেলোয়াড়ি জীবনে জাহাঙ্গীর স্যার একজন সফল গোলরক্ষক হিসেবে স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সুনাম অর্জন করেছিলেন। শিক্ষকতা জীবনেও তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় জাতীয় পর্যায়ের সাফল্য এনে দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের স্কাউট দল দেশ-বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।

​সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরে আলম ছিদ্দিকী মামুন বলেন, “তার অবসর আমাদের জন্য এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করবে। বিদ্যালয়ের ক্রীড়া ও স্কাউটিংয়ে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
​বিদায়ী শিক্ষকের আবেগঘন বক্তব্য

বিদায়ী বক্তব্যে আবেগাপ্লুত হয়ে সৈয়দ মেহেদী হাসান (জাহাঙ্গীর) স্যার বলেন, “এই বিদ্যালয় শুধু আমার কর্মস্থল নয়, এটি আমার দ্বিতীয় পরিবার। জীবনের ২৭টি বছর এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাটিয়েছি। সবসময় শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছি। অবসরে গেলেও এই বিদ্যালয় ও এর স্মৃতি চিরদিন আমার হৃদয়ে থাকবে।”
​শেষ পর্ব: সম্মাননা ও শ্রদ্ধা

অনুষ্ঠানের শেষাংশে জাহাঙ্গীর স্যারের হাতে বিদ্যালয় পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক ও বিভিন্ন উপহার তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত সবাই তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং একটি সুখী ও শান্তিময় অবসর জীবনের জন্য আন্তরিক প্রার্থনা ও শুভকামনা জানান।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ