আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬

ঝটিকা মিছিলের সময় কোতোয়ালীতে ব্যানারসহ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ৮ জন গ্রেপ্তার।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন রাইফেল ক্লাবের সামনে ভোরে ঝটিকা মিছিল করার সময় ব্যানারসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টায় কোতোয়ালী থানাধীন রাইফেল ক্লাবের সামনে আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগরের ব্যানার নিয়ে ঝটিকা মিছিল করার সময় কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ৮ জন সদস্যকে ব্যানারসহ গ্রেফতার করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আফতাব উদ্দিন। তিনি৷ বলেন- ভোরে রাইফেল ক্লাবের সামনে আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগরের ব্যানার নিয়ে ঝটিকা মিছিল শুরু করলে পুলিশ দ্রুত উক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ৮ জন সদস্যকে ব্যানারসহ গ্রেফতার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. তুষার (২০), আব্দুল্লাহ আল নোমান (২০), মো. রাকিব (১৯), ইব্রাহীম হোসেন বাবু (২২), মো. শরীফ হোসেন মুন্না (২০), সৈয়দ হামিদ মিয়াজী (২২), মো. মাসুদুর রহমান (২৪) ও মো. রিয়াজ হোসেন (২০)।পুলিশ জানায়- গ্রেপ্তারকৃতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে থানা কতৃপক্ষ জানিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১১ মার্চ, বুধবার গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরও হযরত শেরে খোদা মওলা আলী (র.), খাতুনে জান্নাত মা ফাতেমা (রহ.) উরশ মোবারক ও শহীদ বদর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ শরিফ ও ইফতার মাহফিল খানকাহ্ শরিফ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা কাজী হাবিবুল হোসাইন, মাওলানা মোঃ মুজিবুল হক, হাফেজ মাওলানা মোখতার হোসাইন, মাওলানা হাফেজ হারুণ রশীদ, মাওলানা একরামুল হক, কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলী, ফজলুল হক, মকসেদুর রহমান হাসনু, মীর শফিউল আলম নিজাম, মহানগর সমন্বয়কারী মেজবাহ উদ্দীন, শফিকুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসাইন, ওমর ফারুক, শামসুল আলম, খানকাহ্ সভাপতি মুহাম্মদ শওকত হোসাইন রুবেল, সাধরাণ সম্পাদক খুরশিদ আলম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জুয়েল, রাজা, রিপন, ওসমান, পারভেজ, ইকবাল, রানা, বিজয়, নূর মিয়া, হাকিম প্রমুখ।

টাকা আত্মসাৎ করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার চট্টগ্রামে সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালতে এই চার্জগঠন করা হয়। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন বলেন, ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগে দুদকের মামলায় সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আগামী ৫ এপ্রিল মামলা সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত। ৮ জন আসামি হাজির ছিলেন।মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (৫৬), তার স্ত্রী ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামান (৪৬), সাবেক পরিচালক আসিফুজ্জামান চৌধুরী (৪৬) ও রোকসানা জামান চৌধুরী (৫৬)।সাবেক পরিচালকদের মধ্যে আরও আছেন- বশির আহমেদ (৫৫), আফরোজা জামান (৪৮), সৈয়দ কামরুজ্জামান (৬১), মো. শাহ আলম (৬২), মো. জোনাইদ শফিক (৬৪), অপরূপ চৌধুরী (৬৫), তৌহিদ সিপার রফিকুজ্জামান (৬৬), ইউনুছ আহমদ (৭৯), হাজী আবু কালাম (৭৯), নুরুল ইসলাম চৌধুরী (৬২) এবং সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর (৭৭) ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ কাদরী (৬৪)।ব্যাংকটির সাবেক

কর্মকর্তাদের মধ্যে আছেন- মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ (৫১), আবদুল হামিদ চৌধুরী (৫০), আবদুর রউফ চৌধুরী, জিয়াউল করিম খান (৪৬), মীর মেসবাহ উদ্দীন হোসাইন (৬২) ও বজল আহমেদ বাবুল (৫৬)। জাবেদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরামিট গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা হলেন- মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরী (৫১), মোহাম্মদ মিছবাহুল আলম (৫০), আব্দুল আজিজ (৩৯), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (৫৪), মোহাম্মদ হোছাইন চৌধুরী (৪৮), ইয়াছিনুর রহমান (৪৩), ইউছুফ চৌধুরী (৪৫) ও সাইফুল ইসলাম (৪৫),আরামিট গ্রুপের এজিএম উৎপল পাল (৫১), প্রদীপ কুমার বিশ্বাস (৫১), মো. জাহিদ (৪৫), মো. শহীদ (৪৯), মো. সুমন (৩৯), ইলিয়াস তালুকদার (৫০) ও ওসমান তালুকদার (৪৮)।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আরামিট গ্রুপের প্রটোকল অফিসার ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে নামসর্বস্ব ভিশন ট্রেডিং নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক সাজিয়ে ইউসিবিএল থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়। পরবর্তীতে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ তার কর্মচারীদের মাধ্যমে সেই টাকা উত্তোলন করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করে সম্পত্তি কিনে নেন। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ৪(২) ও ৪ (৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন। ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই জাবেদ ও তার স্ত্রীসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করেছিলেন। মামলার ৩১ আসামির মধ্যে ২ জন মারা যাওয়ায় তাদের বিচারিক কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়ার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে সুপারিশ করেছেন।এরা হলেন- ইউসিবিএল’র সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল ও কাজী মোহাম্মদ দিলদার আলম নামে জাবেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী। বাকি ২৯ জনের সঙ্গে তদন্তে পাওয়া ৭ জনসহ মোট ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল দুদক। অভিযোগপত্রে ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ