আজঃ মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি আমিরের পুষ্পস্তবক অর্পণ।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। ফুল দেওয়ার পর শহীদ বেদীতে দাঁড়িয়ে মোনাজাত করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আমির সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন – এটা রাষ্ট্রীয় আচার হিসেবে সঙ্গীদের নিয়ে আমাকে আসতে হবে, তাই আমি এসেছি।

তিনি বলেন-আমরা ভাষা শহীদদের পাশাপাশি ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন আন্দোলনে শহীদদেরও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে শহীদ হয়েছেন, তাদেরও স্মরণ করি।জাতির মুক্তি না আসা পর্যন্ত, ফ্যাসিবাদ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি মানবিক দেশ গঠন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে দেড় কিলোমিটার জুড়ে সড়কে আলপনা অঙ্কনের ব্যতিক্রমী আয়োজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পয়লা বৈশাখ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে সড়কে আলপনা অঙ্কনের ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম নগরের সার্কিট হাউস থেকে শুরু হয়ে লাভলেইন ও কাজীর দেউড়ি হয়ে ঐতিহ্যবাহী ডিসি হিল পর্যন্ত বিস্তৃত এই আয়োজন উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ করেছে জেলা
প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা রোববার (১২ এপ্রিল) রাত ১১টায় এই আলপনা অঙ্কনের উদ্বোধন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমি এবং শিশু একাডেমির শিক্ষার্থী ও শিল্পীরা এতে অংশ নিয়েছেন। তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে লতাপাতা, ফুল, পাখি ও লোকজ মোটিফের মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য তুলে ধরেছেন।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম গত রাতে বলেন, আমরা আসলে দেড় কিলোমিটার যে আলপনা করছি, সেখানে আপনারা দেখছেন বিভিন্ন রঙে আমাদের এই সড়ক রাঙানো হচ্ছে। আমরা আমাদের জীবনকেও এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সেভাবে রাঙিয়ে তুলতে চাই।তিনি বলেন, আমাদের এই সমাজে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধসহ যারা বসবাস করে, তাদের প্রত্যেকের আলাদা রং থাকলেও উৎসব পালনের ক্ষেত্রে আমরা একতাবদ্ধ। আমরা একত্রে মিলিত হয়ে আমাদের উৎসব আয়োজন করি।

তিনি আরও বলেন, সমাজে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে এবং উৎসবের সময় তারা ঐক্যবদ্ধ হয়-এই আয়োজন সেই সম্প্রীতির প্রতীক।
তিনি আরও যোগ করেন, এখানে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান সবাই মিলে এবং অন্যান্য যারা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে, বৌদ্ধসহ যারা আছে-আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর সমাজে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করি।

ডিসি বলেন, আমরা সম্মিলিতভাবে দেশের জন্য কাজ করি এবং আমাদের সংস্কৃতির যে মেলবন্ধন আছে, সেটি বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাই। আমাদের সংস্কৃতির যে গৌরব এবং ঐতিহ্য, সেটি যেন আগামী প্রজন্ম ধরে রাখে—সেজন্য আমরা তাদের উৎসাহিত করছি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হোসেন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শরীফ উদ্দিন ও মো. সাইদুজ্জামান পাঠান। এ সময় জেলা প্রশাসকের একমাত্র সন্তানও উপস্থিত ছিলেন এবং আলপনা অঙ্কনে অংশগ্রহণ করেন।

দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যচর্চার ফসল অমিত বড়ুয়ার সাহিত্যকর্ম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোর সাহিত্যের উৎকর্ষধর্মী দ্বি-মাসিক পত্রিকা কিশোরবেলা’র উদ্যোগে কবি ও শিশুসাহিত্যিক অমিত বড়ুয়ার সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান চট্টগ্রাম একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক রাশেদ রউফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক রফিকুর রশীদ।আলোচক ছিলেন প্রফেসর রীতা দত্ত, এলিজাবেথ আরিফা মুবাশশিরা, তহুরীন সবুর ডালিয়া, অরুণ শীল। উদ্বোধক ছিলেন কবি সুজন বড়ুয়া।স্বাগত বক্তব্য দেন রহমান রনি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন দিলরুবা খানম ছুটি।

বক্তারা বলেন, কবি অমিত বড়ুয়ার দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যচর্চার ফসল এই আলোচনা-উৎসব। তিনি নানা প্রতিকূলতার মাঝেও সাহিত্য রচনা অব্যাহত রেখেছেন। ছড়া-কবিতায় তিনি যে দৃশ্য আঁকেন তা নতুন ও স্বতন্ত্র। শিশু-কিশোরদের মনস্তত্ত্ব বুঝেই তিনি সাহিত্য রচনা করেন। তাঁর কবিতা-ছড়ার ভাষা সহজ, সরল ও সংবেদনশীল।শুভেচ্ছা বক্তব্য ও কবিতা পাঠে অংশ নেন সনজীব বড়ুয়া, দীপক বড়ুয়া, জসীম মেহবুব, খালেদুল আনোয়ার, মর্জিনা আক্তার, সুবর্ণা দাশ মুনমুন, সিমলা চৌধুরী, লিপি বড়ুয়া, আলোক বিকাশ বড়ুয়া, সুসেন কান্তি দাশ, যারীন সুবা, আবুল কালাম বেলাল, সনজিত দে, আজিজ রাহমান, নূরনাহার নিপা, সুপলাল বড়ুয়া, ইফতেখার মারুফ, কাঞ্চণা চক্রবর্তী, শিউলি নাথ, সাবিনা পারভীন লিনা, মিলন বণিক, মারজিয়া খানম সিদ্দিকা, আকাশ আহমেদ, সৈয়দ জিয়াউদ্দীন, জসিম উদ্দিন খান, বিদ্যুৎ কুমার দাশ, হেলাল বিন ইলিয়াছ, তানজিনা রাহী, মুনাজউর রহমান, মহুয়া চৌধুরী, প্রদ্যোত কুমার বড়ুয়া, বনানী শেখর রুদ্র প্রমুখ।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ