আজঃ বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬

ডিসি হিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অবশ্যই হবে: আশ্বস্ত করেছেন জেলা প্রশাসক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ডিসি হিলে ‘অবশ্যই অনুষ্ঠান হবে’ বলে আশ্বস্ত করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।বুধবার বিকেলে ডিসি হিলের নজরুল স্কয়ার সংস্কার ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।ডিসি হিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে কিনা–এ প্রশ্নে জেলা প্রশাসক বলেন, “ডিসি হিলের এই নজরুল স্কয়ারের একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আছে।

সেই কর্মকাণ্ড যাতে আরো বেগবান হয়, এজন্যই আমরা এটাকে সুন্দরভাবে সাজাচ্ছি।“লিমিটেশন হচ্ছে, এখানে যে স্পেস আছে স্পেসের বেশি তো আমরা দিতে পারব না। একটা প্রতিষ্ঠান একদিন একটা অনুষ্ঠান করবে। পরের দিন আরেকটা করবে। কিন্তু একসাথে দুই তিনটা প্রতিষ্ঠান আসলে তো করতে পারবে না। এটাই লিমিটেশন।তিনি বলেন-অবশ্যই প্রোগ্রাম হবে। প্রোগ্রাম হচ্ছে তো। অনুষ্ঠান এখনো হচ্ছে, সামনেও হবে। এই জায়গা লিমিটেড স্পেস। এই জায়গার মধ্যে যতগুলো সম্ভব। একটা জায়গায় তো দশটা গোষ্ঠী এসে করতে পারবে না একই সময়ে। একটার পর একটা এভাবে করতে হবে।এদিন ডিসি হিলের পূর্ব প্রান্তে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নতুন স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করা হয়।

জেলা প্রশাসক বলেন-এই পার্কের এরিয়া মূলত একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। নজরুল স্কয়ার স্থাপন করা হয়েছিল ২০০৫ সালে। কিন্তু কালের পরিক্রমায় রাস্তা অনেক উঁচু হয়ে গিয়েছিল। ওয়াকওয়ে অনেক বেশি উঁচু হয়ে যায়। বিদ্রোহী কবির মনুমেন্ট অনেক নিচু হয়েছিল। অন্ধকারাচ্ছন্ন ও জীর্নশীর্ন অবস্থায় পড়ে ছিল।“তখনই মনে হয়েছে, ভবিষ্যতে আবারও যদি কখনো কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হয়, তাহলে তিনি অনুপ্রেরণা হবেন। উনাকে সেই সম্মানের জায়গায় রাখতে হবে। সে লক্ষ্যে নতুনভাবে সাজিয়েছি। যাতে তরুণ প্রজন্ম দেখতে পারে কার লেখনী তাদের আন্দোলিত করছে।

তিনি বলেন-ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নজরুল ছিলেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধেও তার প্রাসঙ্গিকতা তেমনই ছিল। নব্বইয়ের আন্দোলনেও তার প্রাসঙ্গিকতা তেমন ছিল। আবার চব্বিশের আন্দোলনেও বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা একই রকম ছিল।

বিদ্রোহী কবি, সাম্যের কবি, গণজাগরণের কবি, আমাদের জাতীয় কবি। তরুণ প্রজন্ম বারংবার তার লেখনি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছে। বাংলাদেশের যত অর্জন তাতে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে তার লেখনী।”ডিসি হিলের পুরো এলাকা সিসি ক্যামরার আওতায় আনা হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন-এখানে বয়স্করা সকালে হাঁটতে আসেন। অনেকে বেড়াতে আসেন। এজন্য পুরো জায়গাটা পরিষ্কার করেছি। বসার ব্যবস্থা করেছি। সামনে একটি ওয়াশ ব্লক করা হবে। যাতে সুন্দরভাবে আরামদায়ক পরিবেশে মানুষ রিক্রিয়েশন পায়।
২০১৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এক অনুষ্ঠানে

অপরিচ্ছন্নতার’ কারণ দেখিয়ে সেসময়ের গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ডিসি হিলে বছরে তিনটি ছাড়া অন্য অনুষ্ঠান আয়োজন না করার আহ্বান জানান। ওই তিন অনুষ্ঠান হল- পহেলা বৈশাখ এবং রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তী।এরপর থেকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ডিসি হিলে আর কোনো সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া বন্ধ রাখা হয়।এর প্রতিবাদে ‘সর্বস্তরের সংস্কৃতিকর্মী ও সচেতন নাগরিক সমাজ’ ও যুব ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আন্দোলনে নামে। ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানায়।এরপর প্রায় পাঁচ মাস পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামের একটি আবৃত্তি সংগঠন ডিসি হিলে অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি পায়। তবে এরপর আর উল্লেখযোগ্য কোনো অনুষ্ঠান হয়নি।২০১৮ সালের ২৫ জুলাই চট্টগ্রামের এক অনুষ্ঠানে সে সময়ের সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এ নিয়ে ক্ষোভ জানালেও ডিসি হিল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য উন্মুক্ত হয়নি।

সবশেষ গত বছর ডিসি হিলে ‘সম্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদকে বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু পহেলা বৈশাখের আগের রাতে হামলা চালিয়ে মঞ্চ ভাংচুরের পর সেই অনুষ্ঠান আর হয়নি।চট্টগ্রামের ডিসি হিলে উন্মুক্ত মঞ্চের পাশাপাশি পাহাড়ের চূড়ায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবন রয়েছে।ইতোপূর্বে বলা হয়েছিল, ডিসি হিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাইকের আওয়াজে তাদের পারিবারিক জীবনের ব্যাঘাত ঘটায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরবাসীর জন্য নিরাপদ পানি ও কার্যকর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা এবং কমিউনিটির সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।চট্টগ্রামে আয়োজিত “ওয়াশ ফর আরবান পুওর” প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের ফেইজ আউট ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গত মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন। ওয়াটারএইড বাংলাদেশের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর বাস্তবায়নে পরিচালিত এ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে সমাপ্ত হচ্ছে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করার কারণে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আমাদের একটি সমন্বিত সিস্টেম গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসন, উন্নয়ন সংস্থা ও সাধারণ জনগণ সবাই একসাথে কাজ করবে।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, নগরের স্টেডিয়াম এলাকায় এবং পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় নাগরিকদের জন্য টয়লেট নির্মিত হওয়ায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্ভব হচ্ছে।

এভাবে জনবহুল এলাকাগুলোতে টয়লেট নির্মাণ করা হলে মানুষ উপকৃত হবে এবং পরিবেশ উন্নত হবে।
মেয়র বলেন, নগরের জনসাধারণের সুবিধার্থে সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জনস্বাস্থ্যবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তুলছে। ইতোমধ্যে নগরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়েছে, যাতে মায়েরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে শিশুদের দুধ পান করাতে পারেন। কর্ণফুলী সেতুর পাশসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নগরের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়ন সংস্থা ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একসঙ্গে কাজ করলে নগরবাসীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা ও স্যানিটেশন সুবিধা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরীর এখনও অনেক এলাকায় নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটিকে সচেতন হয়ে নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরতে হবে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করতে হবে। এমন গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য তিনি ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ডিএসকে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।কর্মশালায় ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম লিড বাবুল বালা প্রকল্পের অর্জন ও কার্যক্রম নিয়ে একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডিএসকে ও ওয়াটারএইডের কাজের গুণগত মান ও নান্দনিকতা দেখে বোঝা যায় প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। ভবিষ্যতে পাহাড়ি এলাকা বাদ দিয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কাজ করলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী বলেন, আজকের উপস্থাপনাটি অত্যন্ত তথ্যবহুল। সমাজে এখনও নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ব্যক্তি সচেতনতার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সিনিয়র আর্কিটেক্ট বলেন, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ডিএসকে গত তিন বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কাজের গুণগত মান অত্যন্ত ভালো এবং ভবিষ্যতে নিজেদের কার্যক্রমে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ রয়েছে।

ডিএসকে ঢাকার ওয়াশ বিভাগের পরিচালক এম. এ. হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক আরেফাতুল জান্নাত।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম ওয়াসা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সমাজসেবা অধিদপ্তর, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, থানা শিক্ষা অফিস, পুলিশ প্রশাসন, ফার্মেসি প্রতিনিধি, স্কুল ও মাদ্রাসা প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, সিবিও প্রতিনিধি, হাইজিন হকার এবং স্বেচ্ছাসেবকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

চট্টগ্রামের সানমারে দেশীয় কাপড় পাকিস্তানি বলে বিক্রি, জরিমানা গুনল দুই প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর জিইসি মোড় এলাকার সানমার ওশান সিটিতে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।বুধবার দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ।

তিনি জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ চোখের লেন্স বিক্রয় এবং অনুমোদিত বিভিন্ন প্রসাধনী বিক্রির অপরাধে রেড আর্থকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশি কাপড়কে পাকিস্তানি বলে বিক্রি এবং যথাযথ ভাইচার উপস্থাপন করতে না পারায় অ্যাঞ্জেলিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস
শুরু
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস শুরু হয়েছে। আরও ৪টি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় রয়েছে।বুধবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এসব জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল ও শিল্পকারখানার কাঁচামাল রয়েছে।

চলতি সপ্তাহের মধ্যে আরো চারটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে পৌঁছাবে। সব মিলিয়ে আগামী দেড় মাসের সব ধরনের জ্বালানি পাইপলাইনে রয়েছে। তাই দ্রুত সংকটের কোনো শঙ্কা নেই। তবে নাশকতার আশঙ্কা আছে। দেশি—বিদেশি নানান অপশক্তি সংকটের সুযোগে জ্বালানিবাহী জাহাজে নাশকতা চালাতে পারে— এমন শঙ্কা থেকে বহির্নোঙরে অবস্থান করা জাহাজগুলোর বিশেষ নিরাপত্তা চেয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে এসব জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। কারণ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর চারটি জ্বালানিবাহী জাহাজে পরপর রহস্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে সংকটের শঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিতে এমন নাশকতার চেষ্টা হতে পারে বলে ধারণা বন্দরের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ