নেত্রকোনা সদর ও উপজেলাগুলোতে স্বাধীনতা দিবস পালিত।

মোঃ নূর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বৈষম্যমুক্ত, সুখী ও সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়ার দৃপ্ত অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে নেত্রকোনা জেলা সদরসহ আটপাড়া, মোহনগঞ্জ, কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, বারহাট্টা ও পূর্বধলা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। ৩১ বার তোপধ্বনি, স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং নানা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

নেত্রকোনা সদর: প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে নেত্রকোনা সদরে দিবসের সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। কালেক্টরেট ভবন প্রাঙ্গণে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্ট) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. আনোয়ারুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নূরু এবং পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম সরদার।

এছাড়া বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আশরাফ উদ্দিন খানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল ৮টায় আধুনিক স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১টায় পাবলিক হলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

আটপাড়া: নানা আয়োজনে নেত্রকোনার আটপাড়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হয়েছে। সকালে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের স্মরণ করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা মাল্টিপারপাস অডিটরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মরহুম মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এসকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহনূর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল শারমিন দৃষ্টি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মাসুম চৌধুরী, উপজেলা প্রকৌশলী আল মুতাসিম বিল্লাহ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এম এ মোমিন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ওমর ফারুক, সমাজসেবা কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন আহমেদ, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুবায়দুল আলম এবং সাংবাদিক হাবিবুল ইসলাম প্রমুখ।

মোহনগঞ্জ ও বারহাট্টা: মোহনগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ আলী উসমান শিশু পার্কে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুনের সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা একাদশের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

একইভাবে বারহাট্টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. জিনিয়া জামানের সভাপতিত্বে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ এবং প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ এবং বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর: কলমাকান্দায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, উপজেলায় তালিকাভুক্ত ৪১৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে বর্তমানে ১৭৫ জন জীবিত রয়েছেন।

দুর্গাপুরে সুসঙ্গ সরকারি কলেজ মাঠে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ইউএনও আফরোজা আফসানা’র সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয়। বিকেলে হা-ডু-ডু খেলা এবং সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমি ও বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পূর্বধলা: জে.এম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউএনও তাসনীম জাহানের সভাপতিত্বে দিবসের মূল অনুষ্ঠান পালিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা।

দিনভর রাজনৈতিক দলগুলোর পৃথক কর্মসূচি লক্ষ্য করা গেছে। বেলা ১১টায় সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করে। সাড়ে ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবার জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আবু তাহের তালুকদারের নেতৃত্বে একটি র ্যালি ও সংকিপ্ত আলোচনা সভা এবং দুপুর ১টায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ ইমরানের নেতৃত্বে পৃথক র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়াও বাকি উপজেলাগুলোতে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের তথ্য পাওয়া গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। উত্তরা ক্লাব লিমিটেডের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এ আদেশ দেন।২০২২ সালের ১৮ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর, ভাঙচুর, হত্যাচেষ্টা ও হুমকির অভিযোগে ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের ৮ জুন পরীমনি ও তার সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে প্রবেশ করে ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন তারা। রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে ক্লাব ছাড়ার সময় পরীমনি তাকে ডাক দেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনা মূল্যে দেওয়ার জন্য চাপ দেন।
এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি গ্লাস ছুড়ে মারেন, যা তার মাথা ও বুকে আঘাত করে বলে অভিযোগ করেন নাসির উদ্দিন।

মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের এপ্রিলে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।পুলিশ ও আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তদন্তে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনকে মারধরের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পিবিআই। পাশাপাশি পরীমনির ছোড়া মদের গ্লাসে নাসির উদ্দিনের আঘাত পাওয়ার ঘটনারও সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ