আজঃ সোমবার ৩০ মার্চ, ২০২৬

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪টি পদের সব কটিতে জয়ী।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪টি পদের সব কটিতে জয়ী হয়েছে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্যানেল। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোল্লা মোহাম্মদ মাসুম রশিদ, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু।
রোববার (২৯ মার্চ) রাতে ভোট গণনা শেষে এই ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল আজিজ। এদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

শেখ আব্দুল আজিজ জানান, নির্বাচনে ১ হাজার ২০২ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৫৬ জন ভোট দিয়েছেন।নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন— সহসভাপতি মহসিন চৌধুরী (৪২০) ও মোশারফ হোসেন (৪০৫), যুগ্ম সম্পাদক এম এম তৌহিদুজ্জামান (৪৬০), লাইব্রেরি সম্পাদক জয়দেব কুমার সরকার (৪৮৫), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নুরুন নাহার নাজমুন নেছা জেবা (৪৯৮)।কার্যনির্বাহী পরিষদের বিজয়ী সাত সদস্য হলেন— শেখ সোহান ইসলাম (৬০২), শাজাহান ঠাকুর (৫৭৬), নারায়ণ কুমার মন্ডল (৫২১), আ ফ ম মুস্তাকুজ্জামান মুক্তা (৫১১), শাকিরা ফেরদৌস রিমি (৪৯২), মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান (৪৬৯) ও স্বর্ণালী দাস (৪৪৭)।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদের ১৫ দিনে ৩৪৬ দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত—যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক মহাসড়কে ৩৪৬ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ১০৪৬ জন আহত হয়েছে। একই সময়ে রেলপথে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত, ২২৩ জন আহত হয়েছে। নৌ-পথে ০৮ টি দুর্ঘটনায় ০৮ জন নিহত, ১৯ জন আহত ও ০৩ জন নিখোঁজ রয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ পথে সর্বমোট ৩৭৭ টি দুর্ঘটনায় ৩৯৪ জন নিহত ও ১২৮৮ জন আহত হয়েছে। গণমাধ্যম বিশ্লেষণে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। একই সময়ে জাতীয় অর্থপেডিক (পঙ্গু) হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ২১৭৮ জন ভর্তি হয়েছে। চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে গত ১৫ দিনে হতাহত বিশ্লেষণ করলে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি।

আজ ৩০ মার্চ সোমবার, সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই তথ্য তুলে ধরেন।

ঈদযাত্রা শুরুর দিন ১৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ২৮ মার্চ পর্যন্ত বিগত ১৫ দিনে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ১০৪৬ জন আহত হয়েছে। বিগত ২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ও ৮২৬ জন আহত হয়েছিল। বিগত বছরের সাথে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ৮.৯৫ শতাংশ, প্রাণহানী ৮.২৬ শতাংশ, আহত ২১.০৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১২৫ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন নিহত, ১১৪ জন আহত হয়েছে। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৬.১২ শতাংশ, নিহতের ৩৮.৪৬ শতাংশ এবং আহতের ১০.৮৯ শতাংশ প্রায়।

এই সময় সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৭১ জন চালক, ৫৫ জন শিশু, ৫৪ জন পথচারী, ৫১ জন নারী, ৪২ জন শিক্ষার্থী, ১০ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৭ জন শিক্ষক, ০৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ০৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ০৩ জন প্রকৌশলী, ০২ জন সাংবাদিক, ০১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ০১ জন চিকিৎসকের পরিচয় মিলেছে।

সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২৭.১৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৭.৭৩ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ১৬.২২ শতাংশ বাস, ১৫.২৮ শতাংশ ব্যাটারীচালিত রিক্সা, ৮.৪৯ শতাংশ কার-মাইক্রো, ৭.৭৩ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৭.৩৫ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল। দুর্ঘটনার ৩৫.৮৩ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩২.৩৬ শতাংশ পথচারীকে গাড়ী চাপা দেয়ার ঘটনা, ২২.২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রন হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায়, ০.৫৭ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনে, ০.৫৭ শতাংশ চাকায় ওড়না পেছিয়ে ও ৮.৩৮ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারনে দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৪৩.০৬ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০.০৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২১.৯৬ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এছাড়াও সারাদেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪.০৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.২৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৫৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার শপথ গ্রহণের ০২ দিন পরে রমজান শুরু, একমাসের মাথায় ঈদযাত্রা। নতুন সরকারের ব্যর্থতা খুঁজতে নয় বরং সরকারকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার মানষে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো ঈদযাত্রায় প্রাণহানির পরিসংখ্যান তুলে ধরছি। সরকার নতুন হলেও পুরোনো আমলা, পূর্বের মাফিয়া নেতাদের অনুসারী বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের বর্তমান সরকার সর্মথিত নেতাদের চাপে আওয়ামীলীগ সরকারের মত এবারো সড়ক পরিবহন মন্ত্রনালয়, রেলপথ মন্ত্রনালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়, বিআরটিএ, বিআইডাব্লিউটিএসহ পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সস্থার ঈদ ব্যবস্থাপনা সভায় লাখো যাত্রীদের পক্ষে কথা বলার মত যাত্রী ও নাগরিক সমাজের কোন প্রতিনিধি রাখা হয়নি। মালিকরা একচেটিয়া সুবিধা লুফে নিতে এমন অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠন প্রভাবমুক্ত থাকায় ঈদযাত্রা খানিকটা স্বস্তিদায়ক হয়েছিল যা সর্বমহলে প্রশংসা পেয়েছে। এবারের ঈদে বাস মালিক সমিতি এবং শ্রমিক ফেডারেশনের প্রভাবের কারনে ভাড়া নৈরাজ্য ও সড়ক দুর্ঘটনা, পরিবহনের বিশৃঙ্খলা অতীতের দুটি ঈদের তুলনায় বেড়েছে। সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা ছিল বাস মালিক সমিতি নিয়ন্ত্রিত। ফলে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের পদ্ধতি অনুসরণের কারনে সড়ক পরিবহন সেক্টরে সরকারের কিছু কিছু কর্মকান্ড ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।

দুর্ঘটনার কারণসমূহ:

১. দেশের সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিক্সা, অটোরিক্সা অবাধে চলাচল।
২. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকা, রেলক্রসিংয়ে হঠাৎ বাস উঠে আসা।
৩. সড়কে মিডিয়ামে রোড ডিভাইডার না থাকা, অন্ধবাঁকে গাছপালায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।
৪. মহাসড়কের নির্মান ত্রুটি, যানবাহনের নানাবিধ ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৫. উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।
৬. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন।
৭. বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানো।
৮. ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যের কারণে বাসের ছাদে, খোলা ট্রাক ও পিকআপে, ট্রেনের ছাদে, বাসের ইঞ্জিন বনাটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীসাধারণের যাতায়াত।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ :

১. সড়কে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো। ভাড়া আদায়ে স্মার্ট পদ্ধতির চালু করা।
২. মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা আমদানী ও নিবন্ধন বন্ধ করা।
৩. জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা।
৪. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহন, যানবাহনের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস প্রদান।
৫. বিআরটিএ অনুমোদিত ড্রাইভিং স্কুলের সরকার ঘোষিত ৬০ ঘন্টা ইনক্লুসিভ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করা।
৬. পরিবহন সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, মালিক সমিতির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা।
৭. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা।
৮. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৯. মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
১০. উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
১১. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।
১২. সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইউনিট চালু করা।
১৩. ঈদযাত্রা একসাথে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে স্বল্প মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী নানা পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি ঢাকা উপর জনসংখ্যার চাপ কমানোর দাবী জানাচ্ছি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, যাত্রী কল্যাণ সমিতি অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সদস্য আলমগীর কবির, মনজুর হোসেন ঈসা, ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি বাদল আহমেদ, মনজুর হোসেন, আজাদ হোসেন টিপু প্রমুখ।

যশোরে উদ্ধার হওয়া প্রাইভেটকারকে ঘিরে রহস্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যশোরে উদ্ধার হওয়া প্রাইভেটকারকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে সোনা পাচারসহ হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ। গাড়িটির মালিকানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে।

মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা হিরা খাতুন নিজেকে গাড়িটির মালিক দাবি করেছেন। তিনি জানান, তার স্বামী আলী আহমেদ, যিনি নিজেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচয় দিতেন, গত ৫ জানুয়ারি মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই বেনাপোল এলাকার ‘গোল্ড শহিদ’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা তাকে ফোনে হুমকি দিতে শুরু করে। তাদের দাবি, আলী আহমেদ তাদের অনেক সোনার বার আত্মসাৎ করেছেন এবং সেগুলো ফেরত দিতে হবে। না হলে তাকে ও তার ছেলেকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

হিরা খাতুন আরও জানান, ক্রমাগত হুমকির মুখে তিনি একপর্যায়ে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে বাধ্য হন। এসব সোনা বা বিরোধের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলেও দাবি করেন। প্রাইভেটকারটি ফেরত পেতে তিনি আদালতের আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হিরা খাতুনের ছেলে ফাইমুর রহমান সান, যিনি যশোর আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজের শিক্ষার্থী, গত ৮ জানুয়ারি শহরের আরবপুর এলাকা থেকে ছিনতাইয়ের শিকার হন। অজ্ঞাত ৩-৪ জন ব্যক্তি তার চোখ বেঁধে একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এবং তার ব্যবহৃত একটি আইফোন ও প্রাইভেটকারটি ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

পরে পুলিশি তৎপরতায় মাগুরা থেকে গাড়িটি উদ্ধার করে যশোরে আনা হয়। জানা যায়, গাড়িটি আইনজীবী কল্লোল নামে এক ব্যক্তির কাছে ছিল। তিনি শনিবার রাত ৮টার দিকে গাড়িটি জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে গাড়িটি কোতোয়ালি থানার হেফাজতে রয়েছে।

এদিকে পুলিশের একটি সূত্র দাবি করেছে, আলী আহমেদ নিজেই চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ওই প্রাইভেটকার ব্যবহার করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে সোনা পাচারে ভূমিকা রাখতেন। বেনাপোলের একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সুযোগ বুঝে তিনি কিছু সোনার বার আত্মসাৎ করেছিলেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।পুলিশের ধারণা, তার মৃত্যুর পর সেই সোনা উদ্ধারে চক্রটি সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং এরই অংশ হিসেবে গাড়িটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, “মূলত দুই পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক লেনদেন ছিল। সেই সূত্রে একটি পক্ষ গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নেয়, যা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ গাড়িটি নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রকৃত মালিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে গাড়িটি তার জিম্মায় দেওয়া হবে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।#

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ