আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

মেলায় থাকছে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক আয়োজন।

চট্টগ্রামে শুরু হলো স্বাধীনতার বইমেলা : স্টল ১২৯টি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

পাহাড়তলী বধ্যভূমিসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে চসিক উদ্যোগ নিচ্ছে 🇧🇩

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতার মাসকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে শুরু হয়েছে ১৯ দিনব্যাপী বইমেলা। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে নগরের কাজীর দেউড়ি জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়, চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, একটি নৈতিক, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বই মানুষের চিন্তাকে প্রসারিত করে, মূল্যবোধ তৈরি করে এবং প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।মেয়র মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

পাহাড়তলী বধ্যভূমিসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে চসিক উদ্যোগ নিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে প্রকৃত শহীদদের তালিকা প্রণয়নে সহযোগিতা কামনা করেন।তিনি বলেন, আমরা চাই, চট্টগ্রামের প্রতিটি ঐতিহাসিক স্থানে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষিত হোক, যাতে আগামী প্রজন্ম সত্য ইতিহাস জানতে পারে।নগর পরিচালনা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, বাংলাদেশে এখনো পূর্ণাঙ্গ ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ ব্যবস্থা চালু হয়নি।ফলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা ও বিষয় সংরক্ষণে স্থানীয় সরকার সীমাবদ্ধতার মুখে পড়ে। তবুও চসিকের আওতাধীন এলাকাগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে কাজ চলমান রয়েছে।মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। যারা জীবনবাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন, তাঁদের অনেকেই আজও কষ্টে দিনযাপন করছেন।তাঁদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড ও স্পোর্টস কার্ডের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে নিম্নবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করা হচ্ছে, যা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বইমেলার গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না, বরং বই মানুষের জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে।

তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি সংস্কৃতি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে জানান, চসিক পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে এবং প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-লাইব্রেরির ব্যবস্থাও চালু রয়েছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অধীনে বর্তমানে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীলতা বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই শহর আমাদের সবার। সবাই মিলে আমরা চট্টগ্রামকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও জ্ঞানভিত্তিক নগরীতে পরিণত করতে পারি।

৪০ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে মেলায় ১২৯টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি ডাবল স্টল এবং ৯৪টি সিঙ্গেল স্টল রয়েছে। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসহ ১১২টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিচ্ছে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে।

মেলায় থাকছে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক আয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে রবীন্দ্র উৎসব, নজরুল উৎসব, বৈশাখী উৎসব, লেখক সমাবেশ, শিশু ও যুব উৎসব, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠান, কবিতা ও ছড়া উৎসব, আলোচনা সভা, লোকজ ও নৃগোষ্ঠী সংস্কৃতি বিষয়ক আয়োজনসহ নানা অনুষ্ঠান। প্রতিদিনের আলোচনা সভায় লেখক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদরা অংশ নেবেন।

চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনের সভাপতিত্বে আয়োজনে অংশ নেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, সিএমপির উপ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া, শহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নুসরাত সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ মামুন। স্বাগত বক্তব্য দেন সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি শাহাবুদ্দিন হাসান বাবু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কুসুম কুমারী স্কুলের সহকারী শিক্ষক রূমিলা বড়ুয়া। মোনাজাত পরিচালনা করেন চসিকের মাদরাসা পরিদর্শক মাওলানা হারুনুর রশিদ। অনুষ্ঠানে চসিক পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
বুধবার বই মেলা মঞ্চে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ‘একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষিত জাতির বিকল্প নেই’ শীর্ষক বিষয় ভিত্তিক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিজিএমইএ ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি ইউভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল করিম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র পহেলা বৈশাখে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পহেলা বৈশাখ বছরের প্রথম দিন বাঙ্গালী জাতির জন্যে বিশেষ দিন আড়ম্বরপূর্ণ ভাবে পালন করে থাকে, সেই সাথে বিভিন্ন পটচিত্র হাতে বাংলার

ঘরে ঘরে রৌদ্রময় দিনগুলো যেভাবে কাটে হাত পাখা, মিষ্টি, দই সহ নানা রকম পণ্য কৃষকের নতুন ধান ঘরে আনার যে কৌতূহল। বিভিন্ন প্রাণীর ছবি সম্বলিত ফেস্টুন হাতে বৈশাখী শোভা যাত্রা বের করে, রাস্তায় আঁকা হয় আলপনা, বৈশাখী রঙিন পোশাক পরে সবাই আনন্দ উৎসবে সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ পান্তা ইলিশ খাওয়া, ঘুরাঘুরি উৎসবে মেতে উঠে ছেলে বুড়ো সব বয়সের মানুষ।

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত পহেলা বৈশাখে চট্টগ্রাম নগরীর বৈঠক খানা কমিউনিটি হল চেরাগী পাহাড় ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ এর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, এতে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কণ্ঠ শিল্পী, সুরকার,বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন এর সঙ্গীত পরিচালক সুব্রত দাশ অনুজ, সম্মানিত অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র কর্মকর্তা অঞ্জনা পারিয়াল, রিজেন্সী ও ক্যানপার্ক মানব সম্পদ বিভাগের উপমহা ব্যবস্হাপক লিটন কান্তি সরকার ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সনেট দেব।পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য তোলে ধরে অনুভূতি প্রকাশ করেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. অনুপ দে, শিক্ষক লেলিন বিশ্বাস, এর পর অনুভূতি প্রকাশ করেন সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র সভাপতি সাংবাদিক

অরুণ নাথ, পরিষদের অন্যতম উপদেষ্টা লোপা দাশ, সুর্বণা দাশ, অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পরিষদের সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন।একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্মৃতি দে, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, হিমু আইচ,অদিতি বিশ্বাস, উর্বশী চক্রবর্তী, কবিতা আবৃত্তি ও গান করেন লিটন কান্তি সরকার,এর পর একক গান করেন সারদা স্বয়ং প্রভা ঘোষ,অভ্রনীল দে,আর্য্যদীপ সরকার,শুভ্রনীল দাশ,দ্বৈত সঙ্গীত পরিবেশন করেন দীপা দে – নীপা দে ও অবন্তী সরকার – পিহুনা সরকার। এর পর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সৌমিল শ্রীহান দত্ত, মো: লোকমান হোসেন, অরুণ নাথ, সনেট দেব,সুপ্রিয়া চৌধুরী, নরেন বিশ্বাস, রোদ্দুর দে, প্রসেনজিৎ ঘোষ,ঈশ্বান চক্রবর্তী,সূর্বণা দাশ,,উর্বশী চক্রবর্তী,দীপা সিংহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের মধ্যমনি ছিলেন বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ, তাঁর পরিচালনায় পুরো অনুষ্ঠানটি উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মনজয় করে নিয়েছে। বিকাল ৩.৩০ টা থেকে রাত ৮ টা অবধি সুরের মায়াজালে ভরপুর। হলরুমটি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। শ্রোতাদের অনুরোধে শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজের গানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

চট্টগ্রাম মহানগরে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৩ লাখের বেশি শিশু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৩ লাখের বেশি শিশু। বৃহস্পতিবার লালদীঘির পাড়ে চসিক পাবলিক লাইব্রেরি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।

এ সময় মেয়র নগরের শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যে ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত মাসব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে বলে জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন। বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) শেখ ফজলে রাব্বী, সিভিল সার্জন ড. জাহাঙ্গীর আলম, চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ডা. হোসনে আরা, ডা. তপন কুমার, ডা. খাদিজা আহমেদ, ডা. আব্দুল মজিদ শিকদার, ইউনিসেফের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দেলোয়ার হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর ডা. ইমং প্রো চৌধুরী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক ফাহমিদা বেগম।

মেয়র আরো বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় এবং পরবর্তীতে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি এমনকি মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি।তিনি জানান, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। প্রতিদিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

চসিক সূত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পেইনে ৭টি জোনের ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৪৮টি স্থায়ী টিম, ২০৫টি অস্থায়ী টিম, ৪১টি মপ-আপ টিম এবং ১৪টি সন্ধ্যাকালীন টিকাদান সেশন চালু থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টিকা গ্রহণের জন্য অভিভাবকদের ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে অনলাইনে নিবন্ধন করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে নিবন্ধন না থাকলেও কোনো শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হবে না। বিশেষ করে বস্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।

মেয়র আরও জানান, ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতকরণ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় সভা, মাইকিং ও গণসচেতনতা কার্যক্রম।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচি সফল করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সাংবাদিক, শিক্ষক, ইমাম, পেশাজীবীসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই আমরা একটি সুস্থ, নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে পারবো।
আগামী ২০ এপ্রিল সকাল ১০টায় চসিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে এ টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন হবে।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ