আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

স্কলারশিপ এ্যাওয়ার্ড পেলেন সিআইইউ’র মেধাবী শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি’র (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান করেছে কোরিয়ান শিল্পগোষ্ঠী ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন। “ইয়ংওয়ান-সিআইইউ একাডেমিক এক্সিলেন্স স্কলারশিপ প্রোগ্রাম” এর আওতায় অ্যাওয়া র্ড প্রদান অনুষ্ঠান শুক্রবার বিকালে কোরিয়ান ইপিজেড এলাকাস্থ ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীদের হাতে স্কলারশিপ সনদ বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সন্মানিত অতিথি ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন ও কোরিয়ান ইপিজেড এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী (সিইও) কিহাক সুং।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কোরিয়ান ইপিজেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্ণেল (অবঃ) মোহাম্মদ শাহজাহান। আরো বক্তব্য প্রদান করেন, ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন ও কোরিয়ান ইপিজেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী জনাব কিহাক সুং, সিআইইউর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লুৎফি এম আইয়ুব এবং সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক প্রমুখ। সিআইইউ’র সহকারী রেজিস্ট্রার রুমা দাশ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইইউ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার।

এসময় সেখানে সিআইইউর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যবৃন্দ, সিআইইউ’র বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শেখ শাহিনুর রহমানসহ উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন এবং চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি’র (সিআইইউ) মধ্যকার এক সমঝোতা স্মারক চুক্তির বাস্তব রুপায়নে ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন সিআইইউ’র শিক্ষার্থীদের জন্য বাৎসরিক স্কলারশিপের অংশ হিসেবে এক কোটি নয় লাখ ষাট হাজার টাকা প্রদান করে।

এই স্কলারশিপের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিএসসি ইন ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম এবং ব্যবসায় অনুষদের বিবিএ প্রোগ্রাম থেকে মোট ১৬জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্কলারশিপের জন্য নির্বাচন করা হয়। মর্যাদাপূর্ণ এই স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা পুরো আন্ডার গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে নির্দিষ্ট সিজিপিএ বজায় রাখা সাপেক্ষে শতভাগ টিউশন ফি মওকুফসহ বিনামূল্যে অধ্যয়নের সুযোগ পাবে।

এই শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠক্রমের অংশ হিসেবে ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনে ইন্টার্ণশিপের সুযোগ পাবে এবং এর সফল সমাপ্তি শেষে সেখানেই চাকুরীতে যোগদান করবে। সেইসাথে তাদেরকে মেন্টরশিপ সুবিধা এবং কোরিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করা হবে। ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের সৌজন্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে শিক্ষকবৃন্দের সঙ্গে আগামী মাসে কোরিয়ায় একটি শিক্ষা সফরে অংশগ্রহণের জন্য নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুষ্টিয়ায় রাসেল ভাইপারের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার চরে রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ে রবিউল ইসলাম (৩৬) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।বুধবার রাতে পদ্মার চর থেকে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নিহত রবিউল ইসলাম দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ মন্ডলপাড়া গ্রামের জামাল মালিথার ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০ টার দিকে রবিউল ইসলাম পদ্মার চরে নিজ ক্ষেতে কাজে যায়।এ সময় একটি বিষাক্ত সাপ তাকে কামড় দিলে ঘটনাস্থলেই কৃষক রবিউল ইসলামের মৃত্যু হয়। দিন শেষে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

পরে রাত ৯টার দিকে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা পদ্মার চরের নিজ ক্ষেতে কৃষক রবিউল ইসলামকে পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিউল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের মুখের লালা ও শরীরের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছিল রাসেল ভাইপার সাপের কামড়েই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে সাপটি রাসেল ভাইপার কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন জানান, বুধবার রাত ৯টার দিকে রবিউল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।
প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সাপের কামড়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে দেরিতে হাসপাতালে আনার কারণে এটি রাসেল ভাইপারের কামড় ছিল কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে দক্ষিণ ফিলিপনগর মন্ডলপাড়া নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে কৃষক রবিউলের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

দুবাইয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরীর ইন্তেকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


বাংলাদেশ সমিতি আবুধাবির সাবেক সভাপতি, আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক, চট্টগ্রাম বাঁশখালী উপজেলাধীন এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরী (৭৫) আর নেই। রোববার সন্ধ্যা ৮টার দিকে শারজাহ্ একটি বেসরকারি হাসপাতালে (মেডকেয়ার) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরী দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তার নেতৃত্বগুণ, আন্তরিকতা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি কমিউনিটির সব স্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় ছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার বড় ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত এবং ছোট ছেলে শারজাহ্ তে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। গতকাল ১৫ ০৪ ২০২৬ ইং বুধবার মরহুম প্রকৌশলী ইন্জিনিয়ার আবু জাফর চৌধুরী সি আই পি জায়নাজার নামাজ স্থান সময় বাদে আসর নামাজের পরপরই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ রোড সংলগ্ন এডনক পেট্রল স্টেশনের পাশের মসজিদ।

তার মৃত্যুতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও কমিউনিটির সদস্যরা শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
মরহুমের জন্য দোয়া করা হচ্ছে- মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করা জন্য সবাই দোয়া করেন।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ