আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

বোয়ালখালীতে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা ভাণ্ডালজুড়ি খাল থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ।সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে তা উদ্ধার করে।বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশি তদন্ত চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জ্যৈষ্ঠপুরা ভাণ্ডালজুড়ি খালে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা ওই নারীর পড়নে ছিল কালো রঙের সেলোয়ার-কামিজ। চুলে ক্লিপও ছিল। বয়স আনুমানিক ৩০-৩৫ বছর। খাল দিয়ে বর্ষা মৌসুমে পানির ঢল নামলেও শুকনো মৌসুমে পাহাড় থেকে অল্প পরিমাণে স্বচ্ছ পানি প্রবাহিত হয়। ফলে মরদেহ ভেসে আসার মতো তেমন একটা সুযোগ নেই বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগীর ফার্মে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস লিমিটেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই ফার্মে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁও ফায়ার. সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শহিদুল ইসলাম। এরআগে বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের ফাঁড়াবাড়ি সরদারপাড়া গ্রামে অবস্থিত নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস লিমিটেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। 


জানা যায়, বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ করে নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস  লিমিটেডের ৪ নম্বরjj শেডে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মুহুর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা  চারদিকে ছড়িয়ে পরে। খবর পেয়ে ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। 

নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস লিমিটেডের ম্যানেজার সুজন অধিকারী বলেন, আমাদের ফার্মে ৭টি শেড রয়েছে। এরমধ্যে ৪ নম্বর শেডে হঠাৎ করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই শেডে মুরগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৫৩০টি। এরমধ্যে অগ্নিকাণ্ডে শেডের ভেতরে থাকা ৪ হাজার ৫০০ পিচ মুরগী মারা যায়। এর পাশাপাশি শেডের ভেতরে থাকা সকল যন্ত্রাংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন। তাহলে পূণরায় শেডটি সচল করা সম্ভব হবে। আশা করি সরকার বিষয়টি নজরে নিয়ে সহযোগিতা করবেন। 

ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস  লিমিটেডের ৪ নম্বর শেডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আমরা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। 

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে ডিজেল-জেট ফুয়েল নিয়ে আসা ৩ জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে মালয়েশিয়া থেকে দুটি জাহাজে করে ডিজেল এবং সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজে জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) এসেছে। এর মধ্যে এমটি গ্রেট প্রিন্সেস নামে জাহাজটি গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ডলফিন জেটি-৬-এ জ্বালানি খালাস করছে। জাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল নিয়ে এসেছে। অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী এমটি লুসিয়া সোলিস জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে রওনা দিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। জাহাজটিতে প্রায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল রয়েছে।বর্তমানে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় জ্বালানি খালাস চলছে এবং বুধবার দুপুরে এটি ডলফিন জেটি-৫-এ ভিড়েছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের গভীরতাজনিত সমস্যা থাকায় বড় জাহাজ প্রথমে বহির্নোঙরে পৌঁছে কিছু তেল খালাস করে৷ পরে বাকিগুলো জেটিতে ভেড়ানোর পর খালাস করা হয়।
বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, ডেনমার্কের পতাকাবাহী এমটি টর্ম দামিনি জাহাজটি প্রায় ৩২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে মঙ্গলবার রাত থেকে বহির্নোঙরে জ্বালানি খালাস করছে। জাহাজটি বুধবার ডলফিন জেটি-৬-এ পৌঁছেছে। জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছিল বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ