আজঃ সোমবার ৬ এপ্রিল, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি পাচ্ছে ৩৬,জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট -১৩,স্বতন্ত্র -১।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচন কমিশন (ইসি)জানিয়েছে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি জোট পাচ্ছে ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসন, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৩টি আসন এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা একত্র হয়ে একটি আসন পেয়েছেন।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য
সোমবার (৬ এপ্রিল) কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান।তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ৮ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।
ইসির সূত্র অনুযায়ী, আসন বণ্টনে জোটগত অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিএনপির সঙ্গে থাকা কয়েকটি রাজনৈতিক দল মিলেই বড় অংশ পেয়েছে। অপরদিকে জামায়াতের সঙ্গেও রয়েছে কয়েকটি সহযোগী দল, যাদের সমন্বয়েই তাদের প্রাপ্ত আসন নির্ধারিত হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও জোট গঠন করে একটি আসন নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে নিজস্ব ড্রেজারে এক বছরে ড্রেজিং খাতে ৫০ পঞ্চাশ কোটি টাকা সাশ্রয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সুদক্ষ ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবধর্মী পরিকল্পনায় কর্ণফুলী চ্যানেল ও বন্দর সীমানায় ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনায় যুগোপযোগী পরিবর্তন এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সকলের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সরাসরি হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের তত্ত্বাবধানে কর্ণফুলী নদীর মোহনা হতে বন্দর সীমানার অন্তর্গত প্রধান জেটি এবং কালুরঘাট পর্যন্ত নেভিগেশনাল চ্যানেলে ও বন্দর সীমার অন্যান্য চ্যানেলে নাব্যতা রক্ষায় এখন এক সাশ্রয়ী ও কার্যকর মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের পরিকল্পিত এবং বাস্তবধর্মী কার্যকর উদ্যোগের ফলে ড্রেজিং খাতের ব্যয় অতীতের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা সংস্থার আর্থিক সাশ্রয়ে এক যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাস্তবসম্মত ব্যয় নির্ধারণ এবং আধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থার ফলে ড্রেজিং খাতের অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রবণতা কমানো সম্ভব হয়েছে।

গত এক বছরে চবক এর নিজস্ব ড্রেজার এর মাধ্যমে ড্রেজিং ও পরিকল্পিতভাবে ড্রেজিং কার্য সম্পাদনের ফলে চবক এর ড্রেজিং খাতে কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্ট সদস্য (হারবার ও মেরিন) এর তত্ত্বাবধানে হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত এই ড্রেজিং কার্যক্রমে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে দক্ষ ঠিকাদার নিয়োগ নিশ্চিত করে ড্রেজিংয়ের কাজগুলোকে ছোট ছোট পরিকল্পিত অংশে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও কাজের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়ায় ঠিকাদাররা অনেক বেশি দায়বদ্ধতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে পারছে।

মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর প্রশাসনিক তদারকি এই সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। চবক-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে নিয়মিত তদারকির ফলে ড্রেজিংয়ের প্রকৃত পরিমাণ ও মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই কৌশলী উদ্যোগের ফলে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ নৌ-চ্যানেলগুলোতে প্রয়োজনীয় নাব্যতা সার্বক্ষণিক বজায় থাকছে, যার ফলে বড় আকৃতির বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখন অনেক বেশি নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে বন্দরে যাতায়াত করতে পারছে। এর ফলে বন্দরের পণ্য খালাস ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌ-রুটে চট্টগ্রাম বন্দরের বিশ্বস্ততা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

এছাড়া কর্ণফুলী নদীর উপর সীমানায় বিশেষ করে সদরঘাট হতে ৩য় কর্ণফুলী সেতুর উজানে ১.৫ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় নেভিগেশনাল চ্যানেল ও সংযুক্ত খাল সমূহে পরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ ড্রেজিং কাজ সম্পাদনের ফলে উক্ত এলাকায় লাইটার জাহাজ সহ অন্যান্য নৌযান সমূহ সমন্বিতভাবে শৃংখলাবদ্ধ উপায়ে বার্থিং করা হচ্ছে বিধায় নৌ দূর্ঘটনা অনেকাংশে উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। একইসাথে উক্ত এলাকায় শহরের সাথে সংযুক্ত ৮ টি গুরুত্বপূর্ণ খালের মূখে চবক সীমানায় ড্রেজিং পূর্বক নাব্যতা রক্ষা করার ফলে খাল দিয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে আগত পানি সমূহ নির্বিঘ্নে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে ইহা আগামী বর্ষায় চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে অনেকাংশে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

এরূপ পরিকল্পিত ড্রেজিংয়ের ফলে কর্ণফুলী নদীর নেভিগেশনাল চ্যানেল ও অন্যান্য অংশে দীর্ঘ মেয়াদী টেকসই হাইড্রো-মরফোলজিক্যাল অবস্থার তেমন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে না, যা নদীর স্বাভাবিক গতি প্রবাহে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সহ নদীতে পলি জমার হার অনেকাংশে কমে আসছে এবং চট্টগ্রাম বন্দর সহ অন্যান্য ব্যাক্তি মালিকানাধীন জেটি/ বার্থ সমূহ এর সুফল পাচ্ছে। উল্লেখ্য, উক্ত খাল সমূহের সম্মুখভাগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক ড্রেজিং করা হলে উক্ত সংস্থার খাল ড্রেজিং খাতে অতিরিক্ত কমপক্ষে ৮৫ পঁচাশি কোটি টাকা খরচ হত, যা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ড্রেজিং করার কারণে সাশ্রয় হয়েছে।


ড্রেজিং খাতে সাশ্রয় হওয়া এই বিপুল অর্থ এখন বন্দরের অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে। যথাযথ তদারকির ফলে ঠিকাদার-নির্ভর ড্রেজিং কার্যক্রমে এই ধরনের আর্থিক শৃঙ্খলা ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শুধুমাত্র বন্দরের অভ্যন্তরীণ ভিত্তিকেই শক্তিশালী করেনি, বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের এই ধারা বজায় রেখে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এই প্রধান প্রবেশদ্বারকে বিশ্বমানের আধুনিক বন্দরে রূপান্তর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সংবিধান সংস্কার নয়, সংশোধন হবে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংবিধান কখনো ‘সংস্কার’ হয় না, বরং এটি রহিত, স্থগিত বা ‘সংশোধন’ হয় বলে রোববার ৫ এপ্রিল মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। জাতীয় সংসদে জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত প্রস্তাবে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি সংবিধান সংশোধনের জন্য সকল দলের সমন্বয়ে একটি ‘বিশেষ সংসদীয় কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেন, ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের অভিপ্রায়কে আমরা সম্মান জানাতে চাই। জুলাই জাতীয় সনদ ও জুলাই ঘোষণাপত্রের নির্যাসকে আমরা সংবিধানে ধারণ করার অঙ্গীকার করেছি। এটি চতুর্থ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে মনে রাখতে হবে, ৭১-এর স্বাধীনতার সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না।

পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অনেক আইনি প্রতারণা করা হয়েছে। হাইকোর্ট ইতিমধ্যে এর কিছু অংশ অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। বাকি অংশগুলো এই সার্বভৌম সংসদই সিদ্ধান্ত নিয়ে বাতিল বা সংশোধন করবে। বিশেষ করে ৫, ৬ ও ৭ নম্বর তফসিলে যে ভুল ইতিহাস ও তথাকথিত স্বাধীনতার ঘোষণা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তা বিলুপ্ত করা প্রয়োজন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং ২৭শে মার্চ কালুরঘাট থেকে প্রোভিশনাল হেড অফ স্টেট হিসেবে ঘোষণা দেন। এটিই প্রকৃত ইতিহাস যা আমরা সংবিধানে ফিরিয়ে আনতে চাই।আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস সংবিধানের মূলনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন- আমরা সংবিধানে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ নীতিটি পুনর্বহাল করতে চাই। এটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। জুলাই সনদে এটি থাকার কথা থাকলেও কোনো কোনো দলের আপত্তির কারণে রাখা হয়নি। তবে আমরা এটি ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর।

মন্ত্রী আরও বলেন- রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সেই ক্ষমতা প্রয়োগ হয় এই সংসদের মাধ্যমে। আমরা ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ প্রবর্তনের ম্যান্ডেট পেয়েছি, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্ব করবে।

বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আসুন সরকারি দল, বিরোধী দল এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা মিলে বিশেষ সংসদীয় কমিটিতে বসে আলোচনা করি। সংবিধান কীভাবে সংশোধিত হবে, তা এই সংসদেই নির্ধারিত হবে। বাইরে থেকে আমদানি করা কোনো প্রেসক্রিপশনে নয়।

আলোচিত খবর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপি পাচ্ছে ৩৬,জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট -১৩,স্বতন্ত্র -১।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচন কমিশন (ইসি)জানিয়েছে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি জোট পাচ্ছে ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসন, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৩টি আসন এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা একত্র হয়ে একটি আসন পেয়েছেন।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য
সোমবার (৬ এপ্রিল) কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান।তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ৮ এপ্রিল ঘোষণা করা হবে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।
ইসির সূত্র অনুযায়ী, আসন বণ্টনে জোটগত অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিএনপির সঙ্গে থাকা কয়েকটি রাজনৈতিক দল মিলেই বড় অংশ পেয়েছে। অপরদিকে জামায়াতের সঙ্গেও রয়েছে কয়েকটি সহযোগী দল, যাদের সমন্বয়েই তাদের প্রাপ্ত আসন নির্ধারিত হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও জোট গঠন করে একটি আসন নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ