আজঃ বুধবার ৮ এপ্রিল, ২০২৬

বোয়ালখালী পূর্ণ চন্দ্র সেন সারোয়াতলী স্কুল মাঠে আন্ত:স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন-২০২৬l।

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক বলেছেন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে হবে। খেলাধুলা মানুষের মনকে সতেজ ও সুস্থ রাখে। বর্তমান সরকার খেলাধুলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। গত মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত পূর্ণ চন্দ্র সেন সারোয়াতলী স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত আন্ত:স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মেহেদী হাসান ফারুক এই কথা বলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক নির্বাচিত সহ সভাপতি সাংবাদিক মো: মুজাহিদুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক দিলীপ কুমার মল্লিক, সিনিয়র শিক্ষক মুজিবুর রহমান ফারুকী, শিক্ষক তিলেশ পারিয়াল, রূপন দে, মওলানা সেলিম শরিফ প্রমুখ। খেলা পরিচালনা করেন প্রথম শ্রেণির রেফারী বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: ইব্রাহীম, সহকারী রেফারী ছিলেন মো: জসীম উদ্দিন ও চিন্ময়।

প্রথম রাউন্ডের উদ্বোধনী খেলায় পশ্চিম কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় ২-০ গোলে হাওলা উচ্চ বিদ্যালয় কে পরাজিত করে। এছাড়া বিকাল ৩ টায় কানুনগোপাড়া ড: বি বি উচ্চ বিদ্যালয় ৫-০ গোলে হাওলা কুতুবিয়া সিনিয়র মাদ্রাসাকে পরাজিত করে।একই দিন উপজেলায় আরও তিনটি ভেন্যুতে যথাক্রমে কধুরখীল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ,গোমদন্ডী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও শাকপুরা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই প্রথম রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার সর্বমোট ৩২ টি স্কুল ও মাদ্রাসা এই আন্ত: স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ড না থাকায় জরিমানা, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ড ও মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় রাজু ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ছোট খোঁচাবাড়ি এলাকার কেবি ফিলিং স্টেশনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আশাদুল হক।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ফুয়েল কার্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করায় সড়ক পরিবহন আইন, ২০০৯-এর ১৬ ও ৭২ ধারায় তাকে এ জরিমানা করা হয়।এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, জ্বালানি নিতে হলে অবশ্যই বৈধ কাগজপত্র ও ফুয়েল কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। অন্যথায় আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামে আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় পিতার জেরা অব্যাহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বহুল আলোচিত আইনজীবি সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার বাদী তাঁর পিতা জামাল উদ্দিনের জেরা অব্যহত রয়েছে। নগরের কোতোয়ালী থানায় সুপ্রিম কোর্ট ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এই আইনজীবি হত্যা মামলায় বুধবার চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হকের আদালতে আসামির পক্ষে আইনজীবীরা জামাল উদ্দিনকে জেরা করেন। আদালত আগামী ২৯ এপ্রিল পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি হাজির করা হয়। অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বাদীর আইনজীবী ও আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় আজও বাদীর জেরা হয়েছে। ১১ আসামি ও পলাতক ১৪ আসামির পক্ষে জেরা করা হয়েছে।
এর আগে তার পক্ষে আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য্য আদালতে শুনানি করে তিন দফা সময় প্রার্থনা করেছিলেন। শুনানির একপর্যায়ে আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে জিজ্ঞাসা করেন, তার পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত আছেন কি-না এবং তিনি জেরা করবেন কি-না। জবাবে তিনি জানান, আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং সে জন্য সময় প্রার্থনা করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে নগরের কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। ২০২৫ সালের ১ জুন আলিফ হত্যা মামলায় চট্টগ্রাম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন সিএমপির কোতোয়ালী জোনের তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৮ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

গত ২৫ আগস্ট তৎকালীন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলাউদ্দিন মাহমুদের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার শুনানি শেষে সুকান্ত দত্তসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছিলেন আদালত। ৩১ জনকে আসামি করে মামলার এজাহার দায়ের করা হলেও এজাহারনামীয় গগন দাশ, বিশাল দাশ ও রাজকাপুর মেথরের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মামলার দায় থেকে তাদের অব্যাহতির আবেদন করেছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে নতুন করে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ আরও ১০ জনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করে গত বছরের ২৫ অগাস্ট চিন্ময় দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আদালত।

আলোচিত খবর

৫ বছরে বিএসসি বহরে যুক্ত হতে পারে আরো ২২ টি জাহাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছবি-৮
চট্টগ্রাম ব্যুরো: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) বহর সম্প্রসারণে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে ‘ওয়ান শিপ পলিসি’ গ্রহণ করেছে। এ নীতির আওতায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত আর্থিক সক্ষমতা সাপেক্ষে প্রতিবছর অন্তত একটি করে জাহাজ নিজস্ব অর্থায়নে কেনার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। তবে এই পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে নতুন জাহাজ কেনার আগে বিদ্যমান বহরের অপারেশন সচল রাখতে প্রয়োজনীয় অর্থ সংরক্ষিত থাকতে হবে। অর্থাৎ, আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেই বিনিয়োগ বাড়াবে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বিএসসি।

বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনে প্রধান কার্যালয়ে বিএসসির বর্তমান কর্মকান্ড এবং ভবিষৎ পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, আমরা একটা ফিলোসফি ডেভেলপ করেছি, ‘ওয়ান শিপ ফিলোসফি’। ২০৩০ সাল পর্যন্ত আর্থিক সক্ষমতা ঠিক থাকলে প্রতি বছর একটি করে জাহাজ নিজস্ব অর্থায়নে কেনার লক্ষ্য রয়েছে। এটার নাম দিয়েছি “ওয়ান শিপ পলিসি”। তবে কন্ডিশন আছে। কন্ডিশন হচ্ছে বাকি জাহাজগুলো অপারেশন করার জন্য সেই পরিমাণ অর্থ আগে স্টকে বা ব্যালেন্স থাকতে হবে।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সরকারি অর্থায়নে দুটি এমআর (মিডিয়াম রেঞ্জ) প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার এবং নিজস্ব অর্থায়নে একটি বাল্ক ক্যারিয়ার কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকায় দুটি এমআর ট্যাংকার ক্রয় প্রস্তাব একনেক অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। দুটি এমআর ট্যাংকার কেনার ১ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা অলরেডি স্যাংশন হয়ে গেছে। এছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে একটা বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ কেনার প্রকল্পটি মন্ত্রনালয় থেকে হয়তো দুই একদিনের মধ্যে একনেকে চলে যাবে।
একনেকে দুইটা প্রজেক্ট অনুমোদন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা আশা করছি সবকিছু ঠিক থাকলে পরবর্তী ছয় থেকে সাত মাসের মধ্যে এই তিনটা জাহাজ বিএসসির বহরে যুক্ত হবে।

তিনি আরও জানান, চীনের সঙ্গে জি-টু-জি ভিত্তিতে চারটি জাহাজ সংগ্রহের প্রকল্পে অগ্রগতি হয়েছে। এ প্রকল্পে দুটি ক্রুড অয়েল মাদার ট্যাংকার ও দুটি মাদার বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ পবে বিএসসি। এরইমধ্যে গত মাসে ফ্রেমওয়ার্ক ও ঋণচুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং চীনা পক্ষের স্বাক্ষর প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে। আগামী মাস থেকে জাহাজের স্টিল কাটিং ও নির্মাণকাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ৬টি কনটেইনার ভেসেল কেনার জন্য আমরা দীর্ঘদিন যাবত কাজ করছি। ঋণদাতা হিসেবে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক প্রাথমিকভাবে সম্মত হয়েছে। তারা ছয়টা কন্টেইনার ভেসেল তৈরি করার টাকা ফান্ডিং করবে। প্রসেস চলমান আছে। তাদের সাথে টার্মস এন্ড কন্ডিশন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। লোনের ইন্টারেস্ট রেট কত হবে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলে দুই তিন বছরের মধ্যে জাহাজগুলো বিএসসির বহরে যুক্ত হবে। প্রতিটি জাহাজের ধারণক্ষমতা ২৫০০ থেকে ২৮০০ টিইইউ এবং ড্রাফট প্রায় ৯ দশমিক ৮ মিটার হবে। এগুলোদিয়ে ফিডার জাহাজ হিসেবে সিঙ্গাপুর এবং শ্রীলঙ্কা থেকে আমরা কার্গো আনা নেওয়া করতে পারবো। যা জাতীয় ট্রান্সপোর্টেশনের ক্ষেত্রে জাহাজগুলো ব্যাপক অবদান রাখতে পারবে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া আরও ৩টি বাল্ক ক্যারিয়ার ও ৩টি এমআর ট্যাংকার সংগ্রহের জন্য কাজ চলছে। জাহাজ সংগ্রহে জাপানকে প্রথম পছন্দ হিসেবে রাখা হয়েছে। প্রকল্পটি ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশন হয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং জাপানের প্রাথমিক সম্মতিও পাওয়া গেছে বলে জানান বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাছাড়া আরও ২টি বাল্ক ক্যারিয়ার ও ২টি ট্যাংকার সংগ্রহের প্রস্তাবও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এগুলোর জন্য বর্তমানে অর্থায়নের উৎস খোঁজা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, বিএসসির ২২টি জাহাজ সংগ্রহের একটি পরিকল্পনা আছে। ২২টি জাহাজ নিয়ে একটি সমন্বিত বহর গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তার মধ্যে দুইটা অলরেডি বহরে যুক্ত হয়েছে। পাইপলাইনে আছে আরও সাতটা। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি দুই এক বছরের মধ্যে ১৪টা জাহাজ আমরা বহরে যুক্ত করতে পারবো। এবং সমস্ত প্রসেস যদি ঠিক থাকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিএসসির বহরে ২২ টা জাহাজ থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ