বোয়ালখালীতে ৫ দোকানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

এস মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৫টি মামলায় মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কানুনগোপাড়া বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা।অভিযানকালে চট্টগ্রামের ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক মো. ফজলুল হক ও আবিদ আহসান উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা জানান, ওষুধ ও কসমেটিক আইন, ২০২৩-এর ৪০ ধারা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে মা ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা, সেবা ফার্মেসিকে ৩০ হাজার টাকা, শ্যামা ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা, পপুলার ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা এবং নিরাময় ফার্মেসিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।মোট ৫টি মামলায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মিরসরাইয়ে আধুনিক ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন শিল্পের যাত্রা শুরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এনএসইজেড) প্রায় ২০০ কোটি টাকা দেশীয় বিনিয়োগে এমইপি হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেডের আধুনিক বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন শিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছে। ২০২৯ সালের জানুয়ারি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পে প্রায় দুই হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড)-এ এমইপি হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেডের আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন শিল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। রোববার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বেজা জানায়, এমইপি হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেড জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রায় ১০ একর জমিতে শিল্প কারখানাটি স্থাপন করবে। প্রকল্পে প্রায় ২০০ কোটি টাকা সম্পূর্ণ দেশীয় বিনিয়োগ করা হবে। এখানে বৈদ্যুতিক তার, সুইচ-সকেট, ফ্যান, এলইডি লাইট, সার্কিট ব্রেকারসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন করা হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এমইপি গ্রুপ বর্তমানে বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন, পলিমার, প্যাকেজিং, শিপিং ও কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা পরিচালনা করছে। দেশজুড়ে তাদের এক হাজারের বেশি ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এবং প্রায় দুই হাজার করপোরেট ক্লায়েন্ট রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বেজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এমইপি হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদার, পরিচালক শকিল আলম চাকলাদার ও ফাহিম আলম চাকলাদার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও শিল্প উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদার বলেন, বিশ্বমানের প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। এই প্রকল্প দেশীয় বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ বৈদ্যুতিক পণ্যের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জানা গেছে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে বেজা ও এমইপি হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেডের মধ্যে ভূমি লিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটির নির্মাণকাজ ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করে ২০২৯ সালের জানুয়ারি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন শুরু হলে প্রায় দুই হাজার মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে বেজা। বর্তমানে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান উৎপাদনে রয়েছে এবং আরও প্রায় ২০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজ চলমান। দেশের বৃহত্তম পরিকল্পিত এই শিল্পাঞ্চলে শিল্প স্থাপনার পাশাপাশি আধুনিক নগর সুবিধাও গড়ে তোলা হচ্ছে।

আনোয়ারায় পারিবারিক কলহে বাবা-মাকে হত্যা করে রিমন : পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় পারিবারিক কলহ ও একমাত্র সন্তানের চরম অবাধ্যতার জেরে মা-বাবাকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার বেলা ১২টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আনোয়ারা থানা পুলিশ।

এর আগে শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে নিহতের ভাই তপন দাশ গুপ্ত (৫৭) বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার সাথে সাথে ঘাতক ছেলে রিমন দাশ গুপ্তকে (৩১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাপড় কাটার একটি রক্তমাখা কাঁচিও উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার ১০ নম্বর হাইলধর ইউনিয়নের পূর্ব গুজরা গ্রামের দেবেন্দ্র মহাজন বাড়ির বাসিন্দা স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) ও তার স্ত্রী কল্পনা দাশ গুপ্ত (৫৫)।পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতার রিমন দাশ গুপ্ত তার মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন। তিনি অত্যন্ত অবাধ্য প্রকৃতির ছিলেন এবং কোনোভাবেই তাকে সংশোধন করা যাচ্ছিল না। এই অবাধ্যতা ও আচরণগত সমস্যার কারণে প্রায়শই তিনি মা-বাবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রমিরাজ তার মায়ের সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হন। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রিমন উত্তেজিত হয়ে ঘরে থাকা কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে মা কল্পনা দাশ গুপ্তের গলায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ সময় স্ত্রীকে বাঁচাতে ও ছেলেকে প্রতিহত করতে বাবা স্বপন দাশ গুপ্ত এগিয়ে এলে ঘাতক রিমন তার ওপরও হিংস্র হামলা চালান। কাঁচি দিয়ে বাবার গলা ও পেটে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়।চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় স্বপন দাশ গুপ্তকে উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

তবে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে আনোয়ারা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকেই ঘাতক রিমন দাশ গুপ্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত কল্পনা দাশ গুপ্তের এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে স্বপন দাশ গুপ্তের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দুটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, পারিবারিক কলহ এবং একমাত্র সন্তানের অবাধ্যতার জের ধরেই এই নৃশংস জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। আমরা ঘটনার পরপরই ঘাতক ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছি এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিটি উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ