আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

বোয়ালখালীতে পহেলা বৈশাখ ঘিরে উপজেলা প্রশাসনের বর্ণিল আয়োজন

নয়ন কান্তি দে, বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ কে স্বাগত জানাতে উন্মুখ পুরো দেশ। সারাদেশের মতো বাঙালির এ প্রাণের উৎসবে মেতে ওঠার ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে।

উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নানা আয়োজন নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আজ চৈত্র সংক্রান্তি। আগামী মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন। পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের আয়োজন নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন সাহিত্য-সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী ব্যস্ত সময় পার করছেন।

প্রতি বছরের ন্যায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সকাল ৯টায় বৈশাখী শোভাযাত্রা, রশি টানা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৯টায় কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে নববর্ষের আনন্দ শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া সম্মিলিত বর্ষবরণ উদ্যাপন পরিষদের উদ্যোগে উপজেলার দাশের দীঘির পাড়ে সকাল ৯টা থেকে সংগীতানুষ্ঠান, বলিখেলা, কাওয়ালী গানের আসর, গীতা আলেখ্য ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানস্থল, মঞ্চ ও আশপাশের এলাকা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা এখন উৎসবমুখর হয়ে উঠবে।

বাংলা বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতি, আনন্দ ও আত্মপরিচয়ের এক উজ্জ্বল প্রতীক। পুরোনোকে পেছনে ফেলে নতুনকে বরণ করার এ দিনটি যুগে যুগে বাঙালির জীবনে নিয়ে এসেছে নতুন আশার বার্তা। প্রকৃতির রঙে রঙিন এই সময়টাতে শহর থেকে গ্রাম, দেশ থেকে প্রবাস সবখানেই এক অনন্য উৎসবমুখর আবহ তৈরি হয়। লাল-সাদা পোশাক, পান্তা-ইলিশ, মঙ্গল শোভাযাত্রাসব মিলিয়ে বৈশাখ হয়ে ওঠবে এক মহামিলনমেলায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, “বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্যের অংশ বাংলা নববর্ষ বরণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে। এখন অপেক্ষা প্রাণের এ উৎসবে মেতে ওঠার।”

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জ্বালানি স্বল্পতায় চট্টগ্রামে অব্যহত লোডশেডিং, নগরজীবনে দুর্ভোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ে নগরজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। জ্বালানি ঘাটতির কারণে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হেয়ছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট সেক্টরের কর্মকর্তরা।
Ppp@গরীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিনে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে ৪০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পরে আবার আসছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চট্টগ্রাম জোনের হিসাবে দেখা যায়, বিদ্যুতের চাহিদা ১ হাজার ৩৮৪ থেকে ১ হাজার ৪৩২ মেগাওয়াটের মধ্যে ওঠানামা করলেও সরবরাহ তা মেটাতে পারছে না। ফলে গড়ে ২৫০-২৮০ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। অনেক এলাকায় একবার বিদ্যুৎ গেলে ফিরতে সময় লাগছে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা। সংকটের মূল কারণ জ্বালানি স্বল্পতা।
চট্টগ্রাম পিডিবির সুপারভাইজরি কন্ট্রোল অ্যান্ড ডাটা অ্যাকুইজিশন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফাহমিদা জামান জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে গ্যাসচালিত বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করেই লোডশেডিংয়ের মাত্রা ওঠানামা করছে।

চাঁন্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা রিনা আক্তার বলেন, রাতে বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোই কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। গরমে বারবার ঘুম ভেঙে যায়। বিদ্যুৎ গেলে ২-৩ ঘণ্টা থাকে না। এভাবে চললে বাসায় থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
বহদ্দারহাট এলাকার চাকরিজীবী নুর নবী বলেন, দিনে অফিস, রাতে বাসায় এসেও শান্তি নেই। বিদ্যুৎ না থাকায় ঠিকমতো বিশ্রাম নিতে পারি না। পরের দিন কাজের ওপরও প্রভাব পড়ছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে মুরগীর ফার্মে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস লিমিটেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই ফার্মে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁও ফায়ার. সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শহিদুল ইসলাম। এরআগে বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের ফাঁড়াবাড়ি সরদারপাড়া গ্রামে অবস্থিত নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস লিমিটেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। 


জানা যায়, বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ করে নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস  লিমিটেডের ৪ নম্বরjj শেডে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মুহুর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা  চারদিকে ছড়িয়ে পরে। খবর পেয়ে ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। 

নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস লিমিটেডের ম্যানেজার সুজন অধিকারী বলেন, আমাদের ফার্মে ৭টি শেড রয়েছে। এরমধ্যে ৪ নম্বর শেডে হঠাৎ করে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই শেডে মুরগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৫৩০টি। এরমধ্যে অগ্নিকাণ্ডে শেডের ভেতরে থাকা ৪ হাজার ৫০০ পিচ মুরগী মারা যায়। এর পাশাপাশি শেডের ভেতরে থাকা সকল যন্ত্রাংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন। তাহলে পূণরায় শেডটি সচল করা সম্ভব হবে। আশা করি সরকার বিষয়টি নজরে নিয়ে সহযোগিতা করবেন। 

ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে নিশ্চিতপুর পোল্ট্রি এন্ড ফিডস  লিমিটেডের ৪ নম্বর শেডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আমরা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। 

আলোচিত খবর

৬ জুলাই ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ এবং ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার ৬ জুলাই ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ এবং ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তবে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে না। এছাড়া ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করা হবে; দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবেও পালিত হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমসহ অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ