দেওয়ান বাজারকে আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে দেখতে চাই : চসিক কাউন্সিলর প্রার্থী রেজাউল করিম

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলে একদল সুযোগসন্ধানী মানুষ জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু ক্ষমতার দাপটে বা কোনো বিশেষ সুযোগ নিয়ে নয়, বরং সুশিক্ষা এবং জনগণের সরাসরি ম্যান্ডেট নিয়ে দেওয়ান বাজারবাসীর সেবক হতে চান এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা মোহাম্মদ রেজাউল করিম রেজা। তিনি আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ২০ নং দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী।

দেওয়ান বাজারের এক সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে বেড়ে ওঠা রেজাউল করিমের শিক্ষার ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত। তিনি ঐতিহ্যবাহী মুসলিম হাই স্কুল থেকে সফলতার সাথে এসএসসি, ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও তিনি মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন; ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগাং-এর ঢাকা ক্যাম্পাস থেকে তিনি ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

এলাকার সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, একজন জনপ্রতিনিধির কেবল রাজনৈতিক পরিচিতি থাকলেই চলে না, তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থাকাটা জরুরি। রেজাউল করিমের এই উচ্চশিক্ষা ও ব্যবসায়িক জ্ঞান দেওয়ান বাজারকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত ‘স্মার্ট ওয়ার্ড’ হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন।

সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় রেজাউল করিম রেজা বলেন, আমরা লক্ষ্য করি, যখনই দেশে ক্ষমতার পটপরিবর্তন হয়, তখন একশ্রেণীর মানুষ রাতারাতি নিজেদের প্রভাবশালী প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, দখলদারিত্ব বা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া নেতৃত্ব কখনও এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন করতে পারে না। আমি চাই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে সাধারণ মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে একজন শিক্ষিত ও যোগ্য প্রতিনিধি বেছে নেবেন।

তিনি আরও বলেন, আমি মুসলিম হাই স্কুল ও ইসলামিয়া কলেজের আঙিনায় বড় হয়েছি। এই মাটির মানুষের ভাষা আমি বুঝি। উচ্চশিক্ষা আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে আধুনিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাগরিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা যায়। আমি দেওয়ান বাজারকে একটি নিরাপদ, সিসিটিভি নিয়ন্ত্রিত,পরিচ্ছন্ন,মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে দেখতে চাই।

এলাকার বাসিন্দাদের মতে, ক্ষমতার এই সন্ধিক্ষণে অনেক ‘বসন্তের কোকিল’ দেখা গেলেও রেজাউল করিম সবসময়ই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন। তাঁর এই উচ্চশিক্ষিত ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তির কারণে বিশেষ করে তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

আসন্ন চসিক নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রভাব ছাড়াই জনগণের সরাসরি সমর্থনে জয়ী হয়ে দেওয়ান বাজারের সেবায় আমৃত্যু আত্মনিয়োগ করার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন এই মেধাবী তরুণ সমাজসেবক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীর প্রথম শহিদ এখলাছুর রহমানের ৫৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীর শ্রদ্ধা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১৯৫৬ সালের ২০ শে মে তিনি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পোপাদিয়া ইউনিয়নের আকুবদনডী গ্রামে অকুতোভয় বীরোচিত আত্মত্যাগী এখলাছ। মরহুম সৈয়দ জামাল উদ্দীনের ঔরষে মরহুমা সৈয়দা মছুদা খাতুনের গর্ভে জন্ম গ্রহণ করেন এই ক্ষন জন্মা ব্যাক্তিত্ব।মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসে বীর বিক্রমে

কধুরখীলের খোকার দোকান এলাকায় পাকবাহিনীর ওপর গ্রেনেড ছুড়ে মেরেছিলেন এ শহিদ এখলাছ। ওইদিন পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন তিনি। সেই সংগ্রামী বীর মুক্তিযোদ্ধা ৭১ সালের ৪ আগস্ট পাকবাহিনীর হাতে শহীদ হন। (তথ্য সূত্র দৈনিক পাকিস্তান, পূর্বদেশ,ইওেফাক ১৯৭১)।

স্বাধীনতা সংগ্রামের উজ্জ্বল নক্ষত্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান ক্যাপ্টেন করিমের গড়া বাহিনী ও ৬৯এর ছাত্র মিছিলে অগ্রনীভূমিকা পালন করেছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কধুরখীল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।সরাসরি যুক্ত ছিলেন তৎকালীন প্রগতিশীল রাজনীতির সঙ্গে।বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল নোমান সাহেব এখলাছের সহযোদ্ধা।

উল্লেখ্য তৎকালীন স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজের অধ্যাপক দিলীপ চৌধুরী গ্রুপের অন্যতম মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীন শিক্ষাবিদ রফিক আহমদ শহীদ এখলাছের ভগ্নিপতি। সাধারণ মানুষের উপর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর নির্মমতা ও এদেশীয় সহযোগীদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে গ্রেনেড ছুড়ে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এ সম্মুখ যোদ্ধা।

দেশ স্বাধীনের পর তাঁর স্মৃতি বিজড়িত বিদ্যাপীঠ কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনকে নামকরণ করা হয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এখলাছ মিলনায়তন। ইকবাল পার্কের নাম পরিবর্তন এনে করা হয়েছিল শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এখলাছ পার্ক। এছাড়া একটি সড়কের নামকরণ করা হয় এই মহান বীর শহীদের নামে।তবে কিছু ঐতিহাসিক স্মৃতি এখন বিস্মৃতির আড়ালে।

ইতিহাসের বৃহৎ অংশে বোয়ালখালী উপজেলা সদরের স্মৃতি সৌধে এ মহান বীর শহীদের নাম রয়েছে কাজেই দেশমাতৃকার অতুলনীয় আত্মত্যাগের জন্য লাল সবুজের পতাকা জুড়ে ও স্মৃতির দর্পনে চির উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন।

সাংবাদিকের কাজ ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা -কাদের গনি চৌধুরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেছেন- রাষ্ট্র ও ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা এবং তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা সাংবাদিকতার কাজ। এটি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, জনগণের অধিকার রক্ষা করে এবং সমাজে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।২ আগস্ট রোববার দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ আয়োজিত সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব বলেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ