আজঃ বুধবার ২২ এপ্রিল, ২০২৬

চামুদরিয়া ওয়াই টাইপ সেতু বাস্তবায়ন পরিষদ গঠন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পটিয়া-আনোয়ারা- চন্দনাইশ তিন উপজেলার সংযোগস্থ চামুদরিয়া ঘাটে সেতু নির্মাণের দাবি জোরালো হচ্ছে দিন দিন| ২১ এপ্রিল ২০২৬ চামুদরিয়া ঘাটকুলে ওয়াই টাইপ সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম শহরের মোমিন রোডস্থ কেএফসি-তে সন্ধ্যা ৭টায় আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের আহ্বানে তিন উপজেলার বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন সামাজিক ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আনোয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাছির উদ্দিন আহমদ শাহ-এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম. নুরুল হুদা চৌধুরীর উপস্থাপনায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়| সভায় উপস্থিত চট্টগ্রাম-১২, ১৩ ও ১৪ সংসদীয় আসনের ব্যক্তিবর্গের বক্তব্যের মাধ্যমে চামুদরিয়া ওয়াই টাইপ সেতু বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে রাজনীতিবিদ এম. এ হাসেম রাজুকে আহ্বায়ক, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা এম. নুরুল হুদা চৌধুরীকে সদস্য সচিব করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন|

কমিটির অন্যন্যারা হলেন, যথাক্রমে- যুগ্ম আহ্বায়ক এম. মঞ্জুর উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব মো. ইসমাইল হোসেন কন্ট্রাক্টর, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজা মিয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা নাছির উদ্দীন আহমদ শাহ, আর. কে. দাশ রুপু, মীর মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, উত্তম কুমার আচার্য্য, সাংবাদিক সুজিত কুমার দাশ, ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী, সাগর মিত্র, মাওলানা মীর মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন নুরী কুরাইশী, ইসমাইল হোসেন (আশিয়া), সোহেল মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, সদস্য সচিব এম. নুরুল হুদা চৌধুরী, যুগ্ম সদস্য সচিব যথাক্রমে- এ কে এম আবু ইউসুফ, তাহেরা আক্তার শারমীন, কে. এম. হেমায়েতুল ইসলাম হেমায়েত, খোরশেদ আলম (শোভনদন্ডী), সাংবাদিক কাউসার আলম, পরিমল দত্ত, সদস্য যথাক্রমে- বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, মো. একরাম হোসেন, এড. শওকত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের মাহমুদ, সাংবাদিক আব্দুর নুর চৌধুরী, এড. চন্দন বিশ্বাস, হাবিব উল্ল্যাহ, আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন আনসারী, বিদ্রোহী বড়ুয়া, দুলাল কান্তি বড়ুয়া, নুর মোহাম্মদ, নওশা মিয়া, আবুল কাশেম, বোরহান উদ্দিন গিফারী, যীশু দাশ, হারুনুর রশীদ, এড. শফিউল আযীম শাকিল, কাজল বোস, মিজানুর রহমান রুবেল, তানভীরুল হুদা, এড, ইফতেখার হোসেন, এস. এম জোবাইদুল ইসলাম সাদ্দাম, সামশুল ইসলাম, ছালামত উল্লাহ, ফজলুল কাদের, লিটন চৌধুরী, বিমান চৌধুরী, লায়ন অঘোর সিংহ স্বপন, ডা. অসীম দাশ, কাজী মোহাম্মদ আদনান, জি. এম মামুনুর রশিদ, এমদাদুল ইসলাম, আনিসুর রহমান জনি, মোহাম্মদ নাজমুল হক শামীম,

এস এম শিবলী নোমানী, আমিনুল হক, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মো. সালাহ উদ্দীন সাহেদ, বাপ্পী চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, কে. এইচ এম তারেক, ফয়সাল উদ্দীন, সালাউদ্দিন, মো. নুরুল হোসেন চৌধুরী, ওসমান গণি, মো. রুবেল, এটিএম সেলিম, বাসু নন্দী, মাসুদ রানা, ইরাস চৌধুরী, সাজু দাশ, সাংবাদিক আমজাদ হোসেনসহ ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন|

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অবৈধভাবে খাল ভরাট ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলায় অবৈধভাবে খাল ভরাটের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আজ ২১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে উপজেলার পেতন শাহ মাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় মোহাম্মদ সোহেল রানা (২৮), পিতা- মোঃ মনির হোসেন, পেতন শাহ মাজার সংলগ্ন, বোয়ালখালী পৌরসভা, থানা-বোয়ালখালী, জেলা-চট্টগ্রামকে খাল ভরাটের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, খাল ভরাটের ফলে পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল, যা স্থানীয় পরিবেশ ও জলাবদ্ধতার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী তাকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন। এসময় তিনি জানান, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নকলমুক্ত পরিবেশ গড়তে হবে” — মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্তভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি কেন্দ্রের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নকলমুক্ত পরিবেশ গড়তে হবে। পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।

পরিদর্শন শেষে মেয়র অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরীক্ষার্থীদের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি উপস্থিত অভিভাবকদের মাঝে খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করেন।

খাবার ও পানি বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হকার্স সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুল বাতেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাহেদুল কবির চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ