আজঃ শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬

ইরান যুদ্ধবিরতির পর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করলেন দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স

আরমান চৌধুরী আরব আমিরাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী
আরব আমিরাত প্রতিনিধি

দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (ডিএক্সবি) পরিদর্শন করেছেন। তিনি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই ভ্রমণ কেন্দ্রটি ঘুরে এর কার্যক্রম এবং যাত্রী পরিষেবা পর্যালোচনা করেন।

দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টানা ১২ বছর ধরে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে এবং এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল মাঠ পর্যায়ে এই বিপুল চাপ কীভাবে সামাল দেওয়া হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা।

শেখ হামদান দুবাই পুলিশ অপারেশনস সেন্টারও পরিদর্শন করেন, যেখানে কর্মকর্তারা তাকে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক উভয়ের সামগ্রিক ভ্রমণ অভিজ্ঞতা উন্নত করার লক্ষ্যে তৈরি স্মার্ট সিস্টেমগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। তিনি এমিরেটস এয়ারলাইন দলের সাথেও সাক্ষাৎ করেন, যারা তাদের বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি বর্তমানে ৬৫টি দেশের ১২৩টি গন্তব্যে পরিষেবা দিয়ে থাকে।

এই সফরের সাথে ছিলেন শেখ হামদান তার দলের সাথে বিমানবন্দরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখছেন, দুবাই পুলিশের বিভিন্ন সিস্টেম সম্পর্কে ব্রিফিং শুনছেন এবং পথিমধ্যে এমিরেটস এয়ারলাইন দলের কর্মীদের সাথে আলাপচারিতা করছেন।

দৃশ্যগুলো শুধু আনুষ্ঠানিক আলাপচারিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না — ভবনজুড়ে থাকা লোকজন দ্রুতই বিষয়টি লক্ষ্য করে। বারান্দা থেকে শুরু করে জানালা পর্যন্ত, একাধিক তলায় ভিড় জমেছিল, এবং দুবাইয়ের যুবরাজ যখন সেই স্থান দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন করতালি ও হর্ষধ্বনির মধ্যে অনেকেই নিজেদের ফোনে ভিডিও করছিল।

তাকে এমিরেটস এয়ারলাইন এবং এমিরেটস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও শেখ আহমেদ বিন সাঈদ আল মাকতুমের সাথেও একটি হালকা মুহূর্ত ভাগ করে নিতে দেখা যায়।

দুবাই শেখ হামদানকে শেখ আহমেদের সাথে রসিকতা করতে দেখা যায়। তিনি কৌতুকপূর্ণ ভঙ্গিতে ক্ষণিকের জন্য তার কাঁধে হাত রাখেন, যা দেখে আশেপাশের লোকজন হেসে ফেলে — এটি ছিল এমন একটি আনুষ্ঠানিক সফরের মাঝে তাদের মধ্যে এক বিরল ও হালকা মেজাজের আলাপচারিতার ঝলক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতীয় নৌ জাহাজ ‘আইওএস সাগর’ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘আইওএস সাগর’ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। শুক্রবার সামুদ্রিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক সমন্বয় বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায় জাহাজটি। বহুজাতিক নৌ মোতায়েন কর্মসূচি ‘আইওএস সাগর ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে এই সফরকে ভারতীয় নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর জাহাজটিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বিএনএস আলী হায়দার (এফ১৭)’ অভ্যর্থনা জানিয়ে বন্দরে নিয়ে আসে।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, নৌবহর কমান্ডার এবং ডকইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন আইওএস সাগরের অধিনায়ক। এসব বৈঠকের মাধ্যমে দুই নৌবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সফরসূচির অংশ হিসেবে নানা ধরনের কর্মসূচি রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ একটি আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার আয়োজন করবে।পাশাপাশি আইওএস সাগরের পক্ষ থেকেও একটি ডেক রিসেপশনের আয়োজন করা হবে, যেখানে দুই দেশের নৌ সদস্যরা অংশ নেবেন।

স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানাতে চট্টগ্রামের কমনওয়েলথ ওয়ার সেমেট্রিতে একটি পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এতে যৌথ ইতিহাস ও আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে সামুদ্রিক লজিস্টিকস ও বন্দর নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা হবে।পরবর্তীতে উভয় পক্ষের নৌ সদস্যদের মধ্যে পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় ও জাহাজ পরিদর্শন কর্মসূচিও থাকবে।প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে আইওএস সাগরের নৌ সদস্যরা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও নৌ একাডেমি পরিদর্শন করবেন। এতে দুই দেশের নৌ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার পারস্পরিক ধারণা আরো গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সফরের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উভয় নৌবাহিনীর মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের কথাও রয়েছে, যা দুই বাহিনীর মধ্যে সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। চট্টগ্রাম সফরকে ভারত সরকারের ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অংশ এবং আঞ্চলিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা জোরদারের একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের পশ্চিম বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের পশ্চিম বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী। দলের বৈঠকে বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী নাম চুড়ান্ত হয়েছে । দলীয় সিদ্ধান্ত অনযায়ী ২ জন উপ-মুখ্যমন্ত্রীও থাকছেন এমনটাই জানা যায় । আগামিকাল মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে
শুভেন্দু অধিকারী ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথগ্রহণ গ্রহণ করার কথা রয়েছে।
সংগৃহীত –
[email protected]

আলোচিত খবর

দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। শুক্রবার সকাল ৮ থেকে চট্টগ্রামের এই শোধনাগারটিতে পুনরায় পরিশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শরীফ হাসনাত বলেন, কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রিফাইনারিতে পৌঁছানো শুরু হয়েছে। এর পরপরই চালু করা হয় শোধনাগারটি।ইআরএল সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর নতুন কোনো ক্রুড অয়েলের চালান দেশে পৌঁছায়নি। ফলে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল রাতে ইস্টার্ন রিফাইনারির ক্রুড অয়েল ডিস্টিলেশন ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এর মধ্যে বুধবার দুপুরে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের জাহাজটি কুতুবদিয়া চ্যানেলে এসে পৌঁছায়। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই দেশে আসা প্রথম ক্রুড অয়েলের চালান। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি বাংলাদেশে আসে। ২৪৯ দশমিক ৯৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়তে না পারায় নিয়ম অনুযায়ী ছোট ছোট ট্যাংকারে তেল খালাস করে পতেঙ্গার ইআরএলে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়াকে লাইটারিং বলা হয়।এদিকে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় ‘নর্ডিকস পলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজে থাকা বিপিসির এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। দেশের বাকি জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানিনির্ভর। বর্তমানে দেশে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন ও জেট ফুয়েলেরও উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ