আজঃ সোমবার ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

রিহ্যাবে নতুন পরিচালক আবদুল গফফার মিয়াজী, নাগরিক উন্নয়ন ফোরামের শুভেচ্ছা

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ নির্বাচনে চট্টগ্রাম থেকে সহ-সভাপতি পদে মোহাম্মদ মোরশেদুল হাসান সর্বোচ্চ ৩১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম রিজিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছেন এ এস এম আব্দুল গাফফার মিয়াজী এবং সারিস্ত বিনতে নুর, যারা চট্টগ্রাম রিজিয়নের কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।অন্যদিকে, রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার শেখ নিজাম উদ্দিন, হৃষিকেশ চৌধুরী, সৈয়দ ইরফানুল আলম, নূর মোহাম্মদ, এস এম শহিদুল্লাহ এবং আশীষ রায় চৌধুরী।

এরই প্রেক্ষিতে নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের আহ্বায়ক আবদুল গফফার মিয়াজী রিহ্যাবের পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় তাকে সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রিহ্যাবের নিজ কার্যালয়ে এক উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ আবদুল গফফার মিয়াজী সহ রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির নবনির্বাচিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দকেও ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য এস এম তৈয়ব। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তারেকুর রহমান, আকিবুল ইসলাম, ইফতিয়ার উদ্দিনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও শুভানুধ্যায়ীরা।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, আবদুল গফফার মিয়াজী দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের নাগরিক সমস্যা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। সততা, নিষ্ঠা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে তিনি সমাজে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।তারা আরও বলেন, আবাসন খাত দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিকল্পিত নগরায়ণ ও মানসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে দক্ষ নেতৃত্ব অপরিহার্য। নবনির্বাচিত এই নেতৃত্ব চট্টগ্রামের আবাসন খাতকে আরও গতিশীল ও উন্নয়নমুখী করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করে আবদুল গফফার মিয়াজী নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই সম্মান আমাকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলেছে। আমি সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবো এবং আবাসন খাতের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবো।অনুষ্ঠানে নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম-চট্টগ্রামের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, সদস্যবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এই শহর আমাদের—জনসচেতনতা ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়” — চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিস্কার কার্যক্রম জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচালিত “ক্রাশ প্রোগ্রাম”-এ সরেজমিনে উপস্থিত থেকে তদারকি করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সকালে প্রথমে তিনি ৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের জে.এম সেন স্কুলের পেছনে অবস্থিত বান্ডেল খাল এলাকায় চলমান পরিস্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে পর্যায়ক্রমে ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের বদর খালি খাল (ইসলাম কলোনী) এবং ৩৫নং বক্সিরহাটা ওয়ার্ডের দক্ষিণ মধ্যম পীতম্বরশাহ এলাকায় নালা-নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রমে অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে নালা-নর্দমা ময়লার স্তুপে পরিণত হয়েছে, যা জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কিছু অসচেতন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে নালাগুলোকে কার্যত বর্জ্য ফেলার কেন্দ্রে পরিণত করেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না।”


তিনি আরও বলেন, “জনগণকে সচেতন না করতে পারলে এই কর্মসূচি শতভাগ সফল করা সম্ভব নয়। এই শহর আমাদের সবার—এ শহরের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। নিজ নিজ দোকান ও বাসার জন্য আলাদা ডাস্টবিন রাখতে হবে এবং নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলতে হবে।” ডাস্টবিন চুরি হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে তদারকির আহ্বান জানান।


এ সময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরেন মেয়র। তিনি বলেন, “পরিচ্ছন্ন কর্মীরা শহরের নীরব যোদ্ধা—তাদের জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম অগ্রাধিকার।” বর্তমানে অনেক কর্মী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গাদাগাদি করে বসবাস করছেন উল্লেখ করে তিনি জানান, তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশোধন অনুযায়ী মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০৯ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা পূর্বের ২৩১ কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২৩ সালের হালনাগাদ রেট সিডিউল এবং পরামর্শকের নতুন নকশা অনুযায়ী নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণকে উল্লেখ করেন মেয়র।

তিনি আরও জানান, স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বান্ডেল কলোনিতে নির্ধারিত দুটি ভবনের একটি নির্মাণ সম্ভব না হওয়ায় সেটি ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে চসিকের নিজস্ব জায়গায় নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে মেয়র বলেন, প্রকল্প এলাকায় বসবাসরত সেবকদের পুনর্বাসনে সময় লাগায় কাজ শুরুতে বিলম্ব হয়েছে। এ কারণে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এ প্রকল্পের আওতায় সাতটি ভবনে মোট ১,০৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে, যার প্রতিটির আয়তন প্রায় ৬০০ বর্গফুট। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিকল্পিত আবাসনে বসবাসের সুযোগ পাবেন, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা ও কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মেয়র আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে নগরীকে পরিষ্কার রাখছেন, তাই তাদের আবাসনসহ মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা চসিকের দায়িত্ব।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মোঃ শরফুল ইসলাম মাহি, মেয়রের একান্ত সহকারী (রাজনৈতিক) জিয়াউর রহমান জিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যু ‎।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে এক শিশুসহ চারজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একটি গরুও মারা গেছে।‎রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর বাড়ির আশপাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন,ফুয়াদ (১৪), সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে; ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি (১৫), নবীর হোসেনের ছেলে মিজান (২০) এবং আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে শামীম (১৮)। তারা সবাই একই গ্রামের বাসিন্দা।

‎প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীর বরাতে জানা যায়, বিকেলের দিকে হঠাৎ আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায় এবং বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় তারা বাড়ির পাশে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শামীমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে পাশে থাকা একটি গরুও মারা যায়।

‎একই গ্রামের চারজনের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ