আজঃ শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬

বিএনপি নেতা সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুমের পিতা সৈয়দ মোঃ বদিউল আলমের জানাযা সম্পন্ন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক-ক্রীড়া সংস্থা জাতীয় নির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুমের পিতা এবং হাটহাজারীর প্রখ্যাত আলেমেদ্বীপ প্রয়াত মাওলানা আব্দুল কাদের’র ৪র্থ পুত্র সৈয়দ মোঃ বদিউল আলম গতকাল ২৬ এপ্রিল সকাল ৯.১০ মিনিটে চট্টগ্রাম ক্যান্সার ইনস্টিটিউট এন্ড রিসোর্স সেন্টার (চট্টগ্রাম ও শিশু হাসপাতাল) এ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে…রাজেউন)।

গতকাল বাদে মাগরিব হাটহাজারীর মির্জাপুর সৈয়দ মছিউল্লাহ শাহ্ দরবার শরীফ ময়দানে মরহুমের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, গাউসিয়া হক মঞ্জিলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ ফরিদ উদ্দিন আহমদ, মতিউর রহমান শাহ্ দরবার শরীফের সাজ্জাদনশীন মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, আঞ্জুমানের সাবেক মহাসচিব সৈয়দ আবু তালেব চেয়ারম্যান, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ গিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সেলিম চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আরিফুল হাসান চৌধুরী, সাবেক অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ জাফর হোসেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ আমির হোসেন খান,

মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সদস্য সচিব আলহাজ্ব সৈয়দ আব্বাস উদ্দিন, চট্টগ্রাম সেনা নিবাস উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সৈয়দ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ, চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সৈয়দ মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা মুহাম্মদ খায়রুননবী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক নেতা এস.এম. ফারুক হোসেন, মির্জাপুর খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সভাপতি ব্যাংকার মুহাম্মদ ইসহাক, কাটির হাট মহিলা কলেজের অধ্যাপক শেখ আহমদ, মির্জাপুর মিতালী সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মাসুদ, গোলতাজ মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যাপক অলি আহাদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিমুল, সহ-সাংগঠনিক এম এ মুবিন, জেলা উলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা নুরুল আবসার আনসারী, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাফায়েতুল ইসলাম সাবাল, মির্জাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ আব্দুল জব্বার, সদস্য সচিব মুহাম্মদ ইয়াকুব মেম্বার, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহ্বায়ক মুহাম্মদ ইউনুস তালুকদার, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে মাওলানা রমজান আলী, মুহাম্মদ নুরুল আবসার, জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মুহাম্মদ শাহাদাত ওসমান চেয়ারম্যান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুহাম্মদ ফোরকান চৌধুরী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের আহ্বায়ক আবু সৈয়দ, মির্জাপুর ইউনিয় যুবদলের আহ্বায়ক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মির্জাপুর খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইফতেহার হোসেন চৌধুরী জনি, মির্জাপুর আইডিয়াল কিন্টারগার্টেনের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, প্রবীন বিএনপি নেতা অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ওবাইদুল আকবর, মুহাম্মদ সুলতানুল আলম চৌধুরী, হাজী মুহাম্মদ আবুল বশর, মির্জাপুর আদর্শ সমাজ কল্যাণ পরিষদের কাজী নুরুন্নবী, সৈয়দ আব্দুল আজিজ, মুহাম্মদ আবুল মনসুর, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আন্তঃবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ মুহাম্মদ করিম,

সিনিয়র শিক্ষক আবু রাহেল মুহাম্মদ ফয়সাল, সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুল আনোয়ার, সমাজ সেবক আলহাজ্ব মোঃ শফি চৌধুরী, বিএনপি নেতা সৈয়দ রমজুল ইসলাম বাবুল, মুহাম্মদ সেলিম চৌধুরী, সমাজ সেবক মোঃ ইলিয়াস, মুহাম্মদ মাসুদ করিম, মুহাম্মদ আলী, মোঃ মোর্শেদুল আলম প্রমুখ। জানাযার ইমামতি করেন সৈয়দ মছিউল্লাহ মির্জাপুরী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ আবু সাঈদ। জানাযায় বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন ছিপাতলি গাউছিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা শফিউল আলম নিজামী। উল্লেখ্য যে, মরহুম সৈয়দ বদিউল আলম মৃত্যুকালে তিন পুত্র, তিন কন্যাসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন রেখে যান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি, জরিমানা গুনল দুই কারখানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও এফআইডিসি রোডের স’ মিল এলাকার আলিফা আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।অস্বাস্থ্যকর, নোংরা ও দুর্গন্ধময় পরিবেশে বিভিন্ন রাসায়নিক, নিম্নমানের রং, ফ্লেভার ব্যবহার করে আইসক্রিম তৈরি ও বাজারজাত করায় এই জরিমানা দায়ের করা হয়। এছাড়া নিম্নমানের রং, ফ্লেভার ও নিম্নমানের আইসক্রিমে লাভেলো কোম্পানির মোড়ক ব্যবহার করে বাজারজাত করার অপরাধে শহীদ পাড়ার আম্মাজান আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকেও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ( চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত চান্দগাঁও থানার এফআইডিসি রোড ও শহীদ পাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে। এতে নেতৃত্ব দেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা।একই অভিযানে মূল্যতালিকা না থাকায় এক মুদি দোকানিকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ার বড়াল ব্রিজ ও চাটমোহর রেলস্টেশনে ট্রেনের আসন বৃদ্ধির দাবি উত্থাপন করেন জাতীয় সংসদে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর এলাকায় ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি বৃদ্ধি এবং আসন সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ৩৩০,পাবনা ও সিরাজগঞ্জ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা।

তিনি বলেন, এই দাবি বাস্তবায়িত হলে ৭০,পাবনা-০৩ আসন (ভাঙ্গুড়া,চাটমোহর ও ফরিদপুর) সহ আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশেই কমে আসবে।জানা যায়, ব্রিটিশ আমল থেকে ট্রেনে যাত্রী পরিবহনে ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল ব্রিজ ও চাটমোহর রেল স্টেশন অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ স্টেশন।
রাজধানী ঢাকা যাতায়াতে পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও চাটমোহর উপজেলা সহ আশেপাশের অঞ্চলের জনগণ বড়াল ব্রিজ রেল স্টেশন বেশি ব্যবহার করে। অন্যদিকে পাবনা সদর, আটঘরিয়া ও চাটমোহরের যাত্রীরা ঢাকা যাতায়াতে চাটমোহর রেল স্টেশন ব্যবহার করে।

বর্তমানে দুটি রেল স্টেশনে ঢাকাগামী পাঁচটি ট্রেনের যাত্রা বিরতি হয়। ভাঙ্গুড়ার বড়াল ব্রিজ রেল স্টেশনে পাঁচটি ট্রেনে প্রায় ১৮০টি ও চাটমোহর স্টেশনে প্রায় ২৮০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু এ দুটি রেল স্টেশনে প্রতিদিন বরাদ্দের চেয়ে পাঁচ থেকে ছয় গুণ যাত্রী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন রেল স্টেশনে যাতায়াত করেন। ফলে অধিকাংশ যাত্রী কে আসন বিহীন টিকিটে যাত্রা করতে হয়।

এতে যাত্রীদের যেমন ভোগান্তি ও তেমনি সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হয়। বিষয়টি বিবেচনা করে সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা এই রুটে ঢাকাগামী সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি ও অধিক আসন বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সংসদে।এ বিষয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা বলেন, কৃষি, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। এসব প্রয়োজনে এই এলাকার মানুষ কে নিয়মিত ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন শহরে যাতায়াত করতে হয়। ট্রেন পথ এ অঞলের মানুষের ঢাকা যাতায়াতের প্রধান ও সাশ্রয়ী মাধ্যম।

কিন্তু ট্রেনে আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষ কে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তাই তিনি এই রুটের সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি ও আসন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন জাতীয় সংসদে।জৈনক ভাঙ্গুড়া বাজারের বাসিন্দা বলেন, যাত্রীদের চাপের বিবেচনায় বড়াল ব্রিজ রেল স্টেশনে ট্রেনের টিকিট কম। ফলে অনলাইনে টিকিট বরাদ্দের পরপরই শেষ হয়ে যায়। এতে অধিকাংশ যাত্রীকে দাঁড়িয়ে ট্রেনে যাতায়াত করতে হয়,যা অত্যন্ত কষ্টের। তাই সংসদ সদস্যের এই দাবিকে সাধুবাদ জানাই।

বড়াল ব্রিজ রেল স্টেশনের ইনচার্জ শফিউল ইসলাম বলেন, এই রেল স্টেশনে আসন বরাদ্দের চেয়ে যাত্রীর চাপ অনেক বেশি। ফলে সংসদ সদস্যের এই দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক ও জনকল্যাণকর। ফলে এটি বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ