ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপিত হওয়ায় মানুষ উপকৃত হবে-আবু সুফিয়ান এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এই প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আইসিইউতে ডায়ালাইসিস সেবার শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোঃ আবু সুফিয়ান। এর পর হাসপাতালের আয়োজনে সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ আবু সুফিয়ান এমপি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী বন্ধু আনামুল হক ইকবালের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে একটি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপিত হয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ উপকৃত হবে-এটা আমাদের পরম পাওনা।

পর্যায়ক্রমে এ হাসপাতালে কিডনি রোগীদের জন্য আলাদাভাবে ডায়ালাইসিস ইউনিট করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। হাসপাতাল দু’টির সমস্যা পুঙ্খানুপঙ্খরূপে ফাইল আকারে নিয়েছি এবং এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি’র সাথেও হাসপাতালগুলোর সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে। সমস্যা সমাধানসহ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতে যত বরাদ্ধ লাগবে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরসন করবেন বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চমেক হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার চেহারা পাল্টে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, সরকারের উপর চাপিয়ে দিয়ে বা সরকারের দিকে চেয়ে থেকে আমরা সবকিছু করতে পারবো না। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আনামুল হক ইকবাল জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ডায়ালাইসিস সেবা সহযোগিতা দিয়ে বেসরকারীভাবে এগিয়ে এসেছেন। সরকার থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ বেসরকারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল চিকিৎসা সুবিধা ও অবকাঠামোগতভাবে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছে। এগুলো আমাদেরকে খেয়াল রেখে বেসরকারী উদ্যোক্তা ও সমাজে ইকবাল ভাইয়ের মতো যারা মানবপ্রেমী আছেন তাদেরকে খোঁজ করব এবং হাসপাতালের সমস্যাগুলো কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তা সমাধানে উদ্যোগের পাশাপাশি জেনারেল হাসপাতালে আপাততঃ আগামী ৬ মাস ডায়ালাইসিস সরঞ্জামগুলো চালু রাখার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।

এমপি আবু সুফিয়ান আরও বলেন, চিকিৎসাসেবায় মানুষ অবর্ণনীয় কষ্টে আছে। প্রাইভেট সেক্টরে যে সকল হাসপাতালগুলো গড়ে উঠেছে সেগুলোতে চিকিৎসা থাকলেও চিকিৎসা নিতে মানুষের আর্থিক সক্ষমতা নেই। প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে অনেকে চিকিৎসার জন্য যায়, কিন্তু বের হওয়ার সময় সবকিছু দিয়ে নিঃস্ব হয়ে বের হতে হয়। আমরা এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই-যাতে আমরা স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি। সরকারী হাসপাতালে গিয়ে মানুষ যাতে সেবাগুলো পায় সে ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করবো। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন এমপি। চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোঃ একরাম হোসেনের সভাপতিত্বে, এনেস্থেসিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মৌমিতা দাশ ও সার্জারী ওয়ার্ডের রেজিস্টার ডা. সাকিব জিয়াউদ্দিন মোঃ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনেস্থিসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মইনুল আহসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এ.এস.এম ইফতেখারুল ইসলাম লিটন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ফার্মাসিস্ট আনামুল হক ইকবাল, হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. বিজন কুমার নাথ, আইসিইউ ইনচার্জ ও এনেস্থেসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. রাজদীপ বিশ্বাস, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, মহানগর বিএনপি নেতা ইব্রাহিম বাচ্চু, ইউনূস চৌধুরী হাকিম, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড বিএনপি’র আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আলী নূর, বিশিষ্ট সমাজসেবক কায়সার আলী চৌধুরী প্রমূখ। হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ওয়ার্ডের রেজিস্টার ডা. সাকিব জিয়াউদ্দিন মোঃ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনেস্থিসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মইনুল আহসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এ.এস.এম ইফতেখারুল ইসলাম লিটন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ফার্মাসিস্ট আনামুল হক ইকবাল, হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. বিজন কুমার নাথ, আইসিইউ ইনচার্জ ও এনেস্থেসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. রাজদীপ বিশ্বাস, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, মহানগর বিএনপি নেতা ইব্রাহিম বাচ্চু, ইউনূস চৌধুরী হাকিম, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড বিএনপি’র আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আলী নূর, বিশিষ্ট সমাজসেবক কায়সার আলী চৌধুরী প্রমূখ। হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন বাতিলে ল’ফার্ম নিয়োগ হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার পর সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিল এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । দুবাইয়ে একটি আন্তর্জাতিক ল’ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করার জন্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।রোববার ২ আগস্ট রাজশাহীতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন-সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন—বিষয়টি আমরা জেনেছি। তার জামিন আদেশ বাতিলের জন্য বাংলাদেশ সরকার দুবাইয়ে একটি ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চিংড়ি প্রকল্পের দখল নিয়ে শেষ রাতে গোলাগুলি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিংড়ি প্রকল্পের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধসহ গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সরল ইউনিয়নের উত্তর সরল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন তাজুরঘোনা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, গোলাগুলির ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ থেকে ১০ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে এর মধ্যে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি থাকলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, স্থানীয়ভাবে তৈরি একনলা বন্দুক দিয়ে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, এলাকায় নতুন করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে শান্ত থাকার এবং অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাজুরঘোনা এলাকার একটি চিংড়ি প্রকল্পের মালিকানা ও দখল নিয়ে স্থানীয় কবির গ্রুপ ও মনসুর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাতে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে একপক্ষ অন্যপক্ষকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে কয়েকজন পথচারীসহ সংঘর্ষে লিপ্ত ব্যক্তিরা গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী দল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। অভিযানে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) মো. ইব্রাহীম, আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান ও বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হকসহ জেলা পুলিশের একটি বড় দল অংশ নেয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ