আজঃ শুক্রবার ১৯ জুন, ২০২৬

ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপিত হওয়ায় মানুষ উপকৃত হবে-আবু সুফিয়ান এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এই প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আইসিইউতে ডায়ালাইসিস সেবার শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোঃ আবু সুফিয়ান। এর পর হাসপাতালের আয়োজনে সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ আবু সুফিয়ান এমপি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী বন্ধু আনামুল হক ইকবালের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে একটি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপিত হয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ উপকৃত হবে-এটা আমাদের পরম পাওনা।

পর্যায়ক্রমে এ হাসপাতালে কিডনি রোগীদের জন্য আলাদাভাবে ডায়ালাইসিস ইউনিট করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। হাসপাতাল দু’টির সমস্যা পুঙ্খানুপঙ্খরূপে ফাইল আকারে নিয়েছি এবং এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি’র সাথেও হাসপাতালগুলোর সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে। সমস্যা সমাধানসহ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতে যত বরাদ্ধ লাগবে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরসন করবেন বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চমেক হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার চেহারা পাল্টে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, সরকারের উপর চাপিয়ে দিয়ে বা সরকারের দিকে চেয়ে থেকে আমরা সবকিছু করতে পারবো না। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আনামুল হক ইকবাল জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ডায়ালাইসিস সেবা সহযোগিতা দিয়ে বেসরকারীভাবে এগিয়ে এসেছেন। সরকার থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ বেসরকারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল চিকিৎসা সুবিধা ও অবকাঠামোগতভাবে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছে। এগুলো আমাদেরকে খেয়াল রেখে বেসরকারী উদ্যোক্তা ও সমাজে ইকবাল ভাইয়ের মতো যারা মানবপ্রেমী আছেন তাদেরকে খোঁজ করব এবং হাসপাতালের সমস্যাগুলো কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তা সমাধানে উদ্যোগের পাশাপাশি জেনারেল হাসপাতালে আপাততঃ আগামী ৬ মাস ডায়ালাইসিস সরঞ্জামগুলো চালু রাখার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।

এমপি আবু সুফিয়ান আরও বলেন, চিকিৎসাসেবায় মানুষ অবর্ণনীয় কষ্টে আছে। প্রাইভেট সেক্টরে যে সকল হাসপাতালগুলো গড়ে উঠেছে সেগুলোতে চিকিৎসা থাকলেও চিকিৎসা নিতে মানুষের আর্থিক সক্ষমতা নেই। প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে অনেকে চিকিৎসার জন্য যায়, কিন্তু বের হওয়ার সময় সবকিছু দিয়ে নিঃস্ব হয়ে বের হতে হয়। আমরা এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই-যাতে আমরা স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি। সরকারী হাসপাতালে গিয়ে মানুষ যাতে সেবাগুলো পায় সে ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করবো। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন এমপি। চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোঃ একরাম হোসেনের সভাপতিত্বে, এনেস্থেসিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মৌমিতা দাশ ও সার্জারী ওয়ার্ডের রেজিস্টার ডা. সাকিব জিয়াউদ্দিন মোঃ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনেস্থিসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মইনুল আহসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এ.এস.এম ইফতেখারুল ইসলাম লিটন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ফার্মাসিস্ট আনামুল হক ইকবাল, হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. বিজন কুমার নাথ, আইসিইউ ইনচার্জ ও এনেস্থেসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. রাজদীপ বিশ্বাস, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, মহানগর বিএনপি নেতা ইব্রাহিম বাচ্চু, ইউনূস চৌধুরী হাকিম, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড বিএনপি’র আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আলী নূর, বিশিষ্ট সমাজসেবক কায়সার আলী চৌধুরী প্রমূখ। হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ওয়ার্ডের রেজিস্টার ডা. সাকিব জিয়াউদ্দিন মোঃ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনেস্থিসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মইনুল আহসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এ.এস.এম ইফতেখারুল ইসলাম লিটন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ফার্মাসিস্ট আনামুল হক ইকবাল, হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. বিজন কুমার নাথ, আইসিইউ ইনচার্জ ও এনেস্থেসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. রাজদীপ বিশ্বাস, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, মহানগর বিএনপি নেতা ইব্রাহিম বাচ্চু, ইউনূস চৌধুরী হাকিম, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড বিএনপি’র আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আলী নূর, বিশিষ্ট সমাজসেবক কায়সার আলী চৌধুরী প্রমূখ। হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত- ২

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ভাটবাউর এলাকায় ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে রহমান সিএনজি পাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন—পিকআপের হেলপার আরাফাত (২০) ও চালক রাসেল (৩০)। দুর্ঘটনার পর তারা ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পিকাপে থাকা আরো দুই গুরুতর আহত হন । তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ভাটবাউর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক ও পিকআপের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর দুটি গাড়ি রাস্তার দুই পাশে ছিটকে পড়ে। এতে পিকআপের চালক ও হেলপার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আর ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে নিহতদের মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ মিয়ারাজ উদ্দিন বলেন, “খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুটি গাড়ি রাস্তার দুই পাশে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।

বোয়ালখালীতে সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে এক রাতে দুই কৃষকের সেচপাম্পের ৪ টি ট্রান্সফরমারের খোলস ফেলে ভেতরের যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার রাতের কোনো এক সময় উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের নির্মল দে’র ৩ টি ও শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জৈষ্টপুরা ৯ নং ওয়ার্ডের কৃষক মাদল চৌধুরীর ১টি ট্রান্সফরমারের যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে যায়।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে সেখানকার ১টি বিদ্যুতের খুঁটিতে তার, পাম্পে মোটর ও অন্যান্য সামগ্রী থাকলেও নেই ট্রান্সফরমার। আরেকটিতে ৩ টির মধ্যে ২টি ট্রান্সফরমার খুটিতে থাকলেও ১টি নাই। পৃথক দুটি স্থানে পড়ে আছে ট্রান্সফরমারের খোলস, নেই ভেতরের যন্ত্রাংশ।

ভুক্তভোগী ককৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য ভারাম্বা খালের আমুচিয়া ও জৈষ্টপুরা অংশে দুটি মোটরচালিত বৈদ্যুতিক সেচপাম্প দিয়ে ওই এলাকার মনতলা কালি বিল, আন্ধার বিল ও জৈষ্টপুরা এলাকার কুমার গাতা বিলে অন্তত ২০০ কানি জমির চাষাবাদ করা হয়।

বোরো মৌসুম শেষ হলে প্রতি বছরের মতো গত এক মাস আগে ১৭/৫/২৬ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে ট্রান্সফরমার নামিয়ে দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষকে বলা হয়েছে। এতোদিন ধরে না নামানোর কারণে ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। সরকারি খরচে ট্রান্সফরমার স্থাপনের দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নির্মল দে ও মাদল চৌধুরী।

চুরির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) স ম মিজানুর রহমান বলেন, বিভিন্ন কাজের চাপে যথাসময়ে খুঁটি থেকে ট্রান্সফরমার নামানো না হলেও চুরি প্রতিরোধে গ্রাহকদের বিভিন্নভাবে সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়া সেচ ও কলকারখানার ট্রান্সফরমার চুরি হলে গ্রাহককে নিজ খরচে তা স্থাপন করার বিধান আছে। প্রতিটি পাঁচ কেভিএ ধারণসম্পন্ন ট্রান্সফরমারের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ