আজঃ শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬

মানসিক চাপ মোকাবিলায় সিআইইউতে সচেতনতামূলক সেশন।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ মোকাবিলায় বিশেষ সচেতনতামূলক সেশন মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিআইইউ এর মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং সেন্টার (এমএইচডব্লিউসি) এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার। “ম্যানেজিং স্ট্রেস অ্যান্ড বিল্ডিং মেন্টাল রিজিলিয়েন্স” শীর্ষক সেশনটি পরিচালনা করেন ড. তাসনুভা মাহভীন। তিনি সহজভাবে স্ট্রেস কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং মানসিকভাবে আরও শক্ত হওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তিনি “ইউস্ট্রেস” (ইতিবাচক চাপ) ও “ডিস্ট্রেস” (নেতিবাচক চাপ)-এর পার্থক্য, স্ট্রেস ও বার্নআউটের ভিন্নতা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের গুরুত্ব এবং মানসিক স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর কিছু কার্যকর উপায় তুলে ধরেন।
স্কুল অব ল-এর সহকারী ডিন ও মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং সেন্টার এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নাজনীন আক্তার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেশনে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রেজিস্ট্রার আনজুমান বানু লিমা।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন পাবলিক রিলেশনস অফিসার ওয়াসিয়াতুল মারিফা ইফতি। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ইন্টারঅ্যাকটিভ এই সেশনে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং মানসিক চাপ মোকাবিলার বাস্তবসম্মত কৌশল সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিআইইউতে এআই সেন্টারের যাত্রা শুরু, গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি শিক্ষায় নতুন সম্ভাবনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউ) প্রাণবন্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে সিআইইউএআই সেন্টার। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইন প্লাটফর্মে যুক্ত ছিলেন মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা কাউন্সিল সদস্য ও নোটোমেশন এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও ড. জুনায়েদ কাজী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিটাগং ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (চুয়েট) এর কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। সন্মানিত অতিথি হিসেবে অনলাইন প্লাটফর্মে সংযুক্ত ছিলেন মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা কাউন্সিল সদস্য ও বিডিওএসএন এর প্রেসিডেন্ট জনাব মুনীর হাসান।

বক্তারা বলেন – “বর্তমান বিশ্বে এআই শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং এটি অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিল্পখাতের রূপান্তরের অন্যতম চালিকাশক্তি। সিআইইউএআই সেন্টার শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।”সিআইইউ এর সহকারী রেজিস্ট্রার রুমা দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন স্কুল অব সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডিন অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল। এসময় সিআইইউএআই সেন্টারের বিভিন্ন পরিকল্পনা, গবেষণা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য তুলে ধরে একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন সেন্টারের পরিচালক এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাজ্জাতুল ইসলাম।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, – “বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী দক্ষতায় গড়ে তুলতে সিআইইউ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সিআইইউএআই সেন্টার ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী।” এসময় সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সিআইইউএআই সেন্টারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এআই, মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, রোবোটিক্স এবং অটোমেশন বিষয়ে গবেষণা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা সহযোগিতা, কর্মশালা, সেমিনার এবং ইন্ডাস্ট্রি কানেক্টিভিটির মাধ্যমে প্রযুক্তিখাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই কেন্দ্র।

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির পুরকৌশল বিভাগের বিদায় অনুষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নানা আয়োজনে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং(পুরকৌশল) বিভাগের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও ফেস্ট মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস বায়েজিদ আরেফিন নগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুরকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সায়মা আকতারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম ।

বিশেষ অতিথি ও উদ্বোধক ছিলেন উপাচার্য(ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান । বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. মোজাম্মেল হক, রেজিস্ট্রার এ এফ এম মোদাচ্ছের আলী, অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, কর্মকতার্, সাংবাদিক, আমন্ত্রিত অতিথি ও শিক্ষকবৃন্দসহ শিক্ষার্থীরা।

শুরুতে র‌্যালি ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য সহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। পরে আমন্ত্রিত অতিথিরা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রকাশনা ম্যাগাজিন অ্যাংকর-২০২৬ এর মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি, বিভাগের সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

আলোচিত খবর

দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। শুক্রবার সকাল ৮ থেকে চট্টগ্রামের এই শোধনাগারটিতে পুনরায় পরিশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শরীফ হাসনাত বলেন, কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রিফাইনারিতে পৌঁছানো শুরু হয়েছে। এর পরপরই চালু করা হয় শোধনাগারটি।ইআরএল সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর নতুন কোনো ক্রুড অয়েলের চালান দেশে পৌঁছায়নি। ফলে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল রাতে ইস্টার্ন রিফাইনারির ক্রুড অয়েল ডিস্টিলেশন ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এর মধ্যে বুধবার দুপুরে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের জাহাজটি কুতুবদিয়া চ্যানেলে এসে পৌঁছায়। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই দেশে আসা প্রথম ক্রুড অয়েলের চালান। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি বাংলাদেশে আসে। ২৪৯ দশমিক ৯৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়তে না পারায় নিয়ম অনুযায়ী ছোট ছোট ট্যাংকারে তেল খালাস করে পতেঙ্গার ইআরএলে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়াকে লাইটারিং বলা হয়।এদিকে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় ‘নর্ডিকস পলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজে থাকা বিপিসির এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। দেশের বাকি জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানিনির্ভর। বর্তমানে দেশে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন ও জেট ফুয়েলেরও উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ