আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মাসব্যাপী নালা নর্দমা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আরও গতি আনতে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রবিবার (১০ মে ২০২৬) নগরীর দেওয়ান বাজার ও জামাল খান ওয়ার্ডে পরিচালিত ক্র্যাশ প্রোগ্রামের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

দৈনিক কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১টায় সাব এরিয়া এলাকা এবং সকাল সাড়ে এগারটায় রহমতগঞ্জ, মিডটাউন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মেয়র। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, পাইপ দিয়ে পানি নিষ্কাশন হচ্ছে, তবে তা এখনো পর্যাপ্ত নয়। ভারী বৃষ্টিপাত হলে এসব এলাকায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি থেকে যায়। তাই দ্রুত মাটি অপসারণসহ চলমান কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।তিনি ৩৪ ব্রিগেড আর্মি ইঞ্জিনিয়ারিং টিমকে দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার অন্যতম কারণ হচ্ছে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা ও নালায় বর্জ্য নিক্ষেপ। এতে পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই জলজট সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, যারা নালা খালে ময়লা ফেলবে, অবৈধ দখল করবে কিংবা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে এবং আইন অনুযায়ী জরিমানা ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মেয়র স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ভবন মালিক, ব্যবসায়ী ও সমাজের সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গত বছর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা অনেকাংশে জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছিলাম। এবারও সব সেবা সংস্থা, জনপ্রতিনিধি ও নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে কাজ করছি।তিনি নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পরিবহন খাতের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে : মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ট্রেইলার ট্রান্সপোর্ট মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন–এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার চসিকের প্রধান নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পরিবহন খাতের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি-দাওয়া ও পেশাগত প্রতিবন্ধকতার বিষয় মেয়র মহোদয়ের কাছে তুলে ধরেন।

এ সময় তারা নগরের সড়ক ব্যবস্থাপনা, ভারী যানবাহন চলাচল, ট্রেইলার পার্কিং সংকট এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা কামনা করেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। এ নগরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে পরিবহন খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই খাতের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “নগরবাসীর স্বার্থ রক্ষা এবং যানজট ও জনদুর্ভোগ কমিয়ে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। চট্টগ্রামকে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সাক্ষাৎ শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তরুণ প্রজন্মকে মাদক মুক্ত রাখতে ব্যারিষ্টার মীর হেলাল সাহেব এর গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করুন – সালাউদ্দীন আলী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নাঙ্গলমোড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে “বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি নাঙ্গলমোড়া আন্তঃ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট”-এর প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় ম্যাচ। রবিবার (১০ মে) বিকেল নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ খেলাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

নাঙ্গলমোড়া খেলোয়াড় সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে সভাপতিত্ব করেন নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও এশিয়ান হেলথ কেয়ার গ্রুপ এর চেয়ারম্যান লায়ন সালাউদ্দিন আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) এর সভাপতি কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল বলেন, “তারুণ্যের শক্তিকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়াচর্চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় তরুণদের উন্নয়ন ও ক্রীড়াক্ষেত্রের প্রসারে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তার অবদান ভবিষ্যতে মাইলফলক হয়ে থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে দেশের যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার আয়োজন বাড়াতে হবে। ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে সমাজে সৌহার্দ্য, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হয়।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লায়ন আনোয়ার হোসাইন উজ্জ্বল। তিনি বলেন, “গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা নতুন প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করে। এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকলে যুবসমাজ ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হবে।”

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন মাহমুদ ও সদস্য সচিব নুরুল আজম। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টের মাধ্যমে এলাকার তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা যুবদলের সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক আমজাদ সুমন, নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. মহিনুল ইসলাম, প্যানেল চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুন, আহমেদ আরমান, নুরুল আজিম মিন্টু, ওসমান গনি, গাজী বাবুল, গাজী রাসেল, আল হেলাল, বশির আল হেলাল, মোঃ জুনায়েদ, আতাউলা সিকদার, আলী রিয়াজ,মোঃ মোরশেদ, মো রিপন,মোঃ বাবু,মোঃ রিয়াজ, মোঃ শাওন,শাকিল, সাকিব, নয়নসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

খেলা শুরুর আগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, অতিথিদের পরিচিতি ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। মাঠজুড়ে হাজারো দর্শকের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও খেলোয়াড়দের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পারফরম্যান্সে উদ্বোধনী ম্যাচটি হয়ে ওঠে উপভোগ্য।

সালাউদ্দীন আলী বলেন এলাকার যুবসমাজকে খেলাধুলার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করাই এ টুর্নামেন্ট আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখতে জননেতা ব্যারিস্টার মীর হেলাল সাহেবের গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখা আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।আসুন, আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতা সৃষ্টি করি, সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি এবং যুবসমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের পথে উৎসাহিত করি।
মাদক নয় শিক্ষা,ক্রিড়া, সংস্কৃতি ও মানবিকতাই হোক আগামী প্রজন্মের শক্তি।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ