চট্টগ্রামে এবার কোরবানি পশুর চাহিদা ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

প্রস্তুত ৭ লাখ ৮৩ হাজার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে এবার ঈদুল আজহায় চাহিদার তুলনায় কোরবানির পশুর ঘাটতি রয়েছে। তবে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা বলছেন, চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর ঘাটতি থাকবে না। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আনা গবাদিপশুতে পূরণ হবে ঘাটতি। কিন্তু পশুখাদ্যের উচ্চমূল্য, শ্রমিকের মুজরি বৃদ্ধি ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটসহ নানা কারণে এবার পশুর দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে চট্টগ্রাম নগর ও উপজেলাগুলোতে সাত লাখ ৮৩ হাজার পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। চাদিহার তুলনায় ৩৫ হাজারের বেশি পশুর ঘাটতি থাকলেও আশাপাশের উপজেলা ও দেশের অন্যান্য জেলা থেকে সরবরাহকৃত পশু এই ঘাটতি পূরণ করবে বলে মনে করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

জেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, প্রতিবছর কোরবান উপলক্ষে চট্টগ্রামে স্থানীয়ভাবে হৃষ্টপুষ্টকৃত ও কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিস¤পদ দপ্তর। এ বছর তালিকা প্রস্তুত করা হয় গত ২১ এপ্রিল।
সে তালিকায় দেখা গেছে, এ বছর চট্টগ্রাম মহানগর ও উপজেলায় স্থানীয়ভাবে ৭ লক্ষ ৮৩ হাজার ১৫১টি গবাদিপশু হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। যা গতবছর (২০২৫) ছিল ৮ লক্ষ ৬০ হাজার ৮৮২টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে স্থানীয় উৎপাদন কমেছে ৭৭ হাজার ৭৩১টি।এর আগে ২০২২ সালে চট্টগ্রামে স্থানীয়ভাবে গবাদি পশুর উৎপাদন ছিল ৭ লক্ষ ৯১ হাজার ৫০১টি। ওই হিসেবে এ বছরের স্থানীয় উৎপাদন এবারসহ গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এছাড়া ২০২৪ সালে ৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৩৫৯টি, ২০২৩ সালে ৮ লক্ষ ৪২ হাজার ১৬৫টি, ২০২১ সালে ৭ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৩৪টি, ২০২০ সালে ৬ লক্ষ ৮৯ হাজার ২২টি ও ২০১৯ সালে স্থানীয়ভাবে হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছিল ৬ লক্ষ ১০ হাজার ২১৯টি গবাদিপশু।এর মধ্যে এবার স্থানীয়ভাবে হৃষ্টপুষ্টকৃত গরুর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৭৯টি।

যা গতবছর ছিল ৫ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮১৩টি। অর্থাৎ এক বছরে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গরুর সংখ্যা কমেছে ৩৬ হাজার ৫৩৪টি। এছাড়া এবছর স্থানীয়ভাবে ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫১৯টি ছাগল হৃষ্ট করা হয়। যা গতবছর ছিল ২ লক্ষ ৫১ হাজার ৭৪টি। এছাড়া এ বছর ৪৭ হাজার ৮৩৪টি মহিষ হৃষ্টপুষ্ট করা হয়, যা গতবছর ছিল ৬৪ হাজার ১৬৩টি। পাশাপাশি গতবছর ৫৫ হাজার ৬৯৭টি ভেড়া স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা হলেও এ বছর সংখ্য কমে দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৪২৩-এ।
জেলা প্রাণিস¤পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ি, এ বছর চট্টগ্রামে কোরবানি পশুর চাহিদা রয়েছে ৮ লক্ষ ১৮ হাজার ৬৭১টি গবাদিপশুর। ওই হিসেবে এবার স্থানীয় উৎপাদনের বিপরীতে ৩৫ হাজার ৫২০টি গবাদিপশুর ঘাটতি রয়েছে।

ওই দপ্তরের তথ্যমতে, এবার চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলা ও নগরীর পাঁচলাইশ, কোতোয়ালী, ডবলমুরিং এলাকায় কোরবানির পশুর চাহিদা ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি। এর মধ্যে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে ৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৫১টি। ফলে চাহিদার তুলনায় ৩৫ হাজার ৫২০টি পশুর ঘাটতি রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর জানান, গত কোরবানির ঈদের পশুর চাহিদা ছিলো ৮ লাখ ৯৬ হাজার ২৬৯টি। সেই হিসেবে গতবারের তুলনায় এবার ৭৭ হাজারের বেশি পশুর চাহিদা কমে গেছে। তবে চাহিদার পাশপাশি উৎপাদনও গতবারের চেয়ে কিছুটা কম হয়েছে। যে পশু মজুদ আছে সেটা চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জন্য যথেষ্ট। যেটুক ঘাটতি আছে সেটা পূরণে তিন পার্বত্য জেলা ও কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জসহ উত্তরের জেলাগুলো থেকে পশু আসবে। ফলে শেষ পর্যন্ত পশু উদ্বৃত্তও থাকতে পারে।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ি, এবার চট্টগ্রাম জেলায় ষাঁড়, বলদ, গাভি, ছাগল, মহিষ, ভেড়া মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৬৯,৪৭৮টি পশুর মজুদ আছে ফটিকছড়ি উপজেলায়। এছাড়া মিরসরাইয়ে ৬০,৩৪০, সন্দ্বীপে ৬২,৩১০, সীতকুণ্ডে ৪৩,৮২০, হাটহাজারীতে ৫৪,৭৫৬, রাউজানে ৪৩,৬০৮, রাঙ্গুনিয়ায় ৪৬,৫৬১, বোয়ালখালীতে ৩১,১৬২, পটিয়ায় ৫৯,৭৩৫, চন্দনাইশে ৩৮,৫৫৯, সাতকানিয়ায় ৫২,৯৯৮, লোহাগাড়ায় ৩৭,২৯১, বাঁশখালীতে ৬০,৩৮৯, আনোয়ারায় ৪০,৯৮০ ও কর্ণফুলীতে ৩২,৪৪৩টি পশুর মজুদ রয়েছে। এরসব এলাকার প্রত্যেকটিতেই চাহিদার চেয়ে উল্লেখযোগ্য পশু উদ্বৃত্ত আছে।

অন্যদিকে নগরীর পাঁচলাইশে ২৫,৫৯৮, কোতোয়ালীতে ৭,৪৭২ ও ডবলমুরিংয়ে ১৬,৬৬০টি পশুর মজুদ রয়েছে। তবে এই তিনটি এলাকায় পশুপালন কম হওয়া এবং ঘনবসতির কারণে পাঁচলাইশ এলাকায় ৩০,১৫২, কোতোয়ালীতে ৩১,১৫৮ ও ডবলমুরিং এলাকায় ৪৭,০২০টি পশুর ঘাটতি রয়েছে। যা আশপাশের উপজেলা ও দেশের অন্য জেলা থেকে বেপারীদের আনা পশু দিয়ে ঘাটতি পূরণ হবে বলে মনে করছেন প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিস¤পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর আরো বলেন, গো-খাদ্যের দাম বাড়তি, মানুষের অর্থনৈতিক সমস্যা, সবকিছু মিলিয়ে গবাদিপশু হৃষ্টপুষ্টকরণ কমেছে। মূল সমস্যা হচ্ছে গবাদি পশুর খাদ্যের দাম। যার খরচ যোগান দিতে না পেরে চট্টগ্রাম জেলায় ৩০০ খামার ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে।
তবে আশার বাণী শুনিয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, চট্টগ্রামে গবাদি পশুর উৎপাদন কমলেও কোরবানিতে পশু সংকট হবে না। অন্যান্য জেলায় গবাদি পশুর উৎপাদন প্রচুর বেড়েছে। ওইসব এলাকা থেকে তো চট্টগ্রামে কোরবানির পশু আসবে। তাছাড়া এবার চট্টগ্রামে কোরবানির চাহিদাও কমেছে, ফলে সমস্যা হবে না।

এদিকে খামারিদের অভিযোগ, জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা চট্টগ্রামের বাইরের লোক। তাই তারা চট্টগ্রামে কোরবাানির পশুর উৎপাদন বাড়ুক সেটা চাই না। তারা ছলে-বলে কৌশলে চট্টগ্রামের বাইরে থেকে গবাদি পশু এনে ঘাটতি পুরণে ব্যস্ত। কারণ উত্তরবঙ্গের যে কোন জায়গার চেয়ে চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর দাম দ্বিগুণ। যা সম্পদ পাচারের শামিল।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ স¤পাদক মালিক মোহাম্মদ ওমর বলেন, সাধারণ মানুষের যে খাদ্যপণ্য চালসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বেড়ে গেলে বাজার মনিটরিং করা হয়, অভিযান চলিয়ে জরিমানা করা হয়। এতে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু গো-খাদ্যের ক্ষেত্রে এ ধরনের কিছু হয় না। ফলে হঠাৎ করেই গো-খাদ্যের উৎপাদকরা দাম দেড়গুণ করে ফেলে। যেমন সয়াবিনের খৈল ২৬০০ টাকা থেকে ৩৩০০ টাকা করে ফেলেছে, এটা নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ