গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছাতে একযোগে কাজ করার আহ্বান

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’-এর অধীনে বুধবার সকাল ১০ টায় চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে ‘জেন্ডার সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রাম আদালত বিষয়ক বিভাগীয় কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউএনডিপি -এর সহযোগিতায় এই কর্মশালার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম।

“অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে”এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সহজে ও দ্রুত বিচারিক সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং গ্রাম আদালত পরিচালনায় জেন্ডার সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।চট্টগ্রামের উপপরিচালক (উপসচিব) স্থানীয় সরকার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

তিনি বলেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে গ্রাম আদালতকে আরও আধুনিক ও সক্রিয় করে তুলতে হবে। প্রযুক্তির সহায়তায় ডিজিটাল অ্যাপসের মাধ্যমে গ্রাম আদালতের তথ্য হালনাগাদ করা এবং মামলার অগ্রগতি জানার সুযোগ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। গ্রামীণ জনপদে সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে নারীদের জন্য দ্রুত ও সহজ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই আদালতের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এর সুফল সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধি করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশনস্) সফিজুল ইসলাম উল্লেখ করেন, অনেক সময় সাধারণ মানুষ গ্রাম আদালতের এখতিয়ারভুক্ত মামলাগুলো না বুঝে সরাসরি সংশ্লিষ্ট থানায় দায়ের করেন, যা মূলত ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতেই নিষ্পত্তিযোগ্য। এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো প্রয়োজন, যাতে সবাই জানতে পারে ইউনিয়ন পরিষদেই এই আইনি সেবা পাওয়া যায়। গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ও এর পরিধি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি অবহিত করার মাধ্যমে গ্রামীণ বিচার ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করা সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (উপসচিব) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান বলেন, গ্রাম আদালতকে আরও জেন্ডার সংবেদনশীল ও সাধারণ মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার এই লক্ষ্যকে সফল করতে সকল অংশীজনকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিভাগীয় কর্মশালায় চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নোয়াখালী ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব কাজী তারিক আজিজ, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সিভিল জজ সুব্রত বিশ্বাস, ইউএনডিপি বাংলাদেশের জেন্ডার এনালিস্ট শামিমা আক্তার শাম্মি, ইপসার সহকারী পরিচালক ফারহানা ইদ্রিস প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জব্দ ইয়াবা আত্মসাত, প্রত্যাহার তিন পুলিশ সদস্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ট্রাকে তল্লাশি করে জব্দ করা ৩০ হাজার ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে সাতকানিয়া থানা থেকে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া তিন পুলিশ সদস্য হলেন, এসআই মাহবুবুল ইসলাম, কনস্টেবল ফয়েজ আহম্মেদ ও গাজী মোহাম্মদ মহসিন।চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে গত বুধবার এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি হয়েছে বলে জানালেন সাতকানিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম।তবে বৃহস্পতিবার(২৯ অক্টোবর) বিষয়টি জানাজানি হয়।

সাতকানিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম বললেন, ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা এলাকায় সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ট্রাকটি থামান তিন পুলিশ সদস্য। এ সময় তাদের সঙ্গে রবিন ও মোমেন নামে দুজন কথিত সোর্সও ছিলেন। দুই কনস্টেবল ট্রাকে উঠে চালকের পাশে বসে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেন। মোটর সাইকেলে এসআই মাহবুবুল ইসলাম ও মাইক্রোবাসে দুই সোর্স তাদের অনুসরণ করতে থাকেন।

ট্রাকটি বিভিন্ন সড়ক ঘুরিয়ে সাতকানিয়া উপজেলার কেরাণীহাট রেলক্রসিং এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চালককে নামিয়ে দিয়ে ট্রাকে তল্লাশি করা হয়। ট্রাকে চালকের আসনের নিচ থেকে তিন পোটলায় রাখা ৩০ হাজার ইয়াবা জব্দ করে ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ইয়াবাগুলো জব্দ না দেখিয়ে তারা আত্মসাত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৭০,পাবনা-০৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ মাওলানা মুহাম্মাদ আলী আছগার।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান, কৃষি অফিসার শারমিন জাহান, ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাকিউল আজম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুর মুজাহিদ স্বপন, সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক,প্রেসক্লাব এর সভাপতি মোঃ রায়হান আলী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, ভাঙ্গুড়া পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ সুজন আহম্মেদ সহ আইনশৃঙ্খলা কমিটির সন্মানিত সদস্যরা।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ