ঈদ উপহারই বড় ব্যাপার নয়, ভালোবাসাই আসল” ..ভাঙ্গুড়ায় এমপি রুমা

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা। তিনি বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর দেওয়া ঈদ উপহারই বড় নয়, এর পেছনের ভালোবাসা ও মূল্যবোধই সবচেয়ে বড় বিষয়।

মঙ্গলবার ২৬ মে বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত দলীয় নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য ঈদের উপহার পাঠিয়েছেন। এই ঈদ উপহার আমি আমার পুরো রাজনৈতিক জীবনেও পাইনি। তাই জীবনের স্মৃতি হিসেবে এই ঈদ উপহার থেকে ১০০ টাকা রেখে দেবো। কারণ আমার প্রিয় নেতার কাছ থেকে পাওয়া এই ঈদ উপহার আমার জীবনের চরম পাওয়া।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এমপি রুমা আরও বলেন,
বিগত প্রায় দেড় যুগ ধরে আপনারা জেল-জুলুম, হামলা-মামলা ও নির্যাতন সহ্য করেছেন। অনেকেই নিশ্চিন্তে ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা চাকরি করতে পারেননি। এমনকি স্বাভাবিক জীবনযাপনও করতে পারেননি। আপনাদের এই ত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবেই আজকের এই ঈদ উপহার।

তিনি আরো বলেন, ঈদ উপহার যাই হোক, এটিকে হৃদয় থেকে গ্রহণ করবেন। কারণ এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দলের প্রতি ভালোবাসা, ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রতি সম্মান এবং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের স্বীকৃতি।
গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭০,পাবনা-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থীর পরাজয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন,
দলের কিছু নেতাকর্মীর ভুলের কারণে বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন। এতে পাবনা-৩ এলাকার উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আমি সবসময় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। যেকোনো প্রয়োজনে আমাকে পাশে পাবেন। দিন-রাত সর্বসময় আমার মোবাইল নম্বর আপনাদের জন্য খোলা থাকবে।অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর মুজাহিদ স্বপন। বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান ও বর্তমান সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাব হোসেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ব্যবসায়িক অংশীদারকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেফতার-৮

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে অপহরণকারী চক্রের মূল হোতাসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহৃত ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিনকে (৩৬) উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার পক্ষিয়া ইউনুস মোক্তার বাড়ির মৃত মোস্তফার ছেলে মো. শান্ত মিয়া (৩২), আনোয়ারা উপজেলার ভিংরোল মাস্টার আশরাফ আলীর বাড়ির মৃত আহমদ হোসেনের ছেলে মো. আবুল হাশেম (৫২), আকবরশাহ থানার লতিফপুর রেলবিট এলাকার মৃত সোলেমানের ছেলে মো. আকরাম (৩৪), মীরসরাই উপজেলার গড়িয়াহাস এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো. মঈন উদ্দিন রায়হান (২৯), সীতাকুণ্ডের কেদারখীল এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেন (৩৫), গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শোভাগঞ্জ এলাকার মুসলিম আলীর ছেলে মাহবুব রহমান (২৬), ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চবরপুর এলাকার সুজল হকের ছেলে মানিক হোসেন (৩০) এবং জোরারগঞ্জের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে

মো. ফারুক (৩৪)।বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইনস্ মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, বুধবার নগরের আকবরশাহ, পাঁচলাইশ ও মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, আবুল হাশেম ও আকরাম ভুক্তভোগী হেলাল উদ্দিনের ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। পাওনা টাকা উদ্ধারের উদ্দেশ্যে তারা শান্ত মিয়াকে এক লাখ টাকায় ভাড়া করে অন্যদের সহযোগিতায় হেলালকে অপহরণ করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। আকরাম আবুল হাশেমের মেয়ের জামাই।হেলাল উদ্দিন নগরের পাঁচলাইশের শুলকবহর রওশন বোর্ডিংয়ের পাশে গাড়ির গ্যারেজ পরিচালনা করেন। তার ব্যবসায়িক অংশীদার আবুল হাশেম, বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায় ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে হেলাল ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও আরও ৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এ টাকা আদায় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

এর জেরে গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে আবুল হাশেমসহ কয়েকজন হেলালকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়। পরদিন অপহরণকারীরা হেলালের মোবাইল থেকে তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে ফোন করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে হেলালকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে শান্ত মিয়া, আবুল হাশেম ও আকরামকে গ্রেফতার করা হয়। আকরামের হেফাজত থেকে হেলালের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জের মহামায়া লেকে বন বিভাগের পরিত্যক্ত কটেজ থেকে হেলালকে উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে মঈন উদ্দিন রায়হান, আমজাদ হোসেন, মাহবুব রহমান, মানিক হোসেন ও ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। আবুল হাশেম ও আকরাম পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য শান্ত মিয়াকে এক লাখ টাকা দিয়ে অন্যদের ভাড়া করে হেলালকে অপহরণ করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

চট্টগ্রামের ষোলশহরে ট্রেনে কাটা পড়ে হাত পা হারাল শিশু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের ষোলশহর এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে এক শিশু। একই ঘটনায় শাহেদ নামে আরেক শিশু আহত হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে ট্রেন লাইন ধরে হাঁটার সময় এই ঘটনা ঘটে।গুরুতর আহত রাহাতকে (১০) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার ডান পা ও ডান হাত ট্রেনে কাটা পড়েছে। একই ঘটনায় তার বড় ভাই শাহেদ (১৩) হাত ও মুখে ব্যথা পেয়েছে। তাদের বাবার নাম মোহাম্মদ ফারুক।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নুরুল আলম আশেক জানালেন, দুপুর আড়াইটার দিকে রাহাতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ষোলশহর রেলক্রসিংয়ে কাটা পড়েছে সে। তার হাত ও পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাকে ২৬ নম্বর অর্থপেডিক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। রাহাত প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর তার বড় ভাই শাহেদ তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। তাদের বাসা দুই নম্বর গেট মসজিদ গলিতে।

শিশুটির বাবা মোহাম্মদ ফারুক জানান, দুই ভাই ফিনলে স্কয়ার সংলগ্ন মসজিদে নামাজ পড়েছে। নামাজ পড়ে বাসায় যাওয়ার সময় ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় পড়ে যায়। বড় ছেলে শাহেদের হাত মুখ সামান্য ছিঁড়ে গেছে। রাহাতের এক পা ও হাত কেটে গেছে। এখন তার রক্তশূন্যতা দেখা দিয়েছে বেল তিনি জানান।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ