আজঃ শনিবার ৩০ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম নগর ও আশপাশের পর্যটন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভীড়,নিরাপত্তা জোরদার

বিনোদন প্রতিবেদক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তীব্র গরমেও চট্টগ্রামের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।পবিত্র ঈদুল আজহার পরদিন আজ শুক্রবার দুপুরের পর থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে নগর ও আশপাশের বিনোদনকেন্দ্রে ঘুরতে বের হন হাজারো মানুষ।নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, পার্ক ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পতেঙ্গা, ফয়’জ লেক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, পারকি সৈকত, গুলিয়াখালী সী বিচ ও ভাটিয়ারি সানসেট পয়েন্টে পর্যটকদের উপস্থিতি দেখা যায়।


নগরের বাইরে থেকেও অনেক মানুষ ঈদের ছুটিতে এসব স্থানে বেড়াতে আসেন।সরেজমিনে দেখা যায়, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে শিশু-কিশোরদের আনন্দ উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।কেউ ঘোড়ার গাড়িতে চড়ছেন, কেউ সাগরের ঢেউয়ের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত। একইভাবে ফয়’জ লেকে নৌকাভ্রমণ ও বিভিন্ন রাইডে ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়।চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায় প্রবেশপথে।

অন্যদিকে আনোয়ারার পারকি সমুদ্রসৈকত ও সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সী বিচেও ছিল পর্যটকদের সরব উপস্থিতি। বিকেলের দিকে ভাটিয়ারি সানসেট পয়েন্টে সূর্যাস্ত উপভোগ করতে জড়ো হন অসংখ্য তরুণ-তরুণী।
পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটক বায়েজীদের মো. শহীদুল ইসলাম জানা, ঈদের পরদিন পরিবার নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছি। অনেকদিন পর সবাই একসঙ্গে সময় কাটাতে পেরে ভালো লাগছে। পরিবেশও বেশ আনন্দমুখর।ফয়’জ লেকে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে আসা কলেজছাত্রী নুসরাত জাহান বলেন, ঈদের ছুটিটা উপভোগ করতে এখানে এসেছি। আজকে অনেক মানুষের সমাগম হয়েছে। সবাই খুব আনন্দ করছে।

এদিকে বাড়তি দর্শনার্থী সামাল দিতে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে বিভিন্ন স্পটে। পাশাপাশি যানজট এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশের পতেঙ্গা জোনের (সাব জোন) ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. হাসান ইমাম বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঘুরতে পারেন, সেজন্য ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদে আসছে সৌরভ ও সোমার “মনে মন ছুঁয়ে গেছে”

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ঈদ-উল-আযাহায় জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী রঞ্জন চৌধুরীর তত্বাবধানে ও সংগীতপরিচালক সৃজন রায় এর পরিচালনায় একটি রোমান্টিক ধাঁচের “মনে মন ছুঁয়ে গেছে” শিরোনামে দ্বৈতগান নিয়ে আসছেন সৌরভ রায় ও সোমা। ইতিমধ্যে গানটি কে. এস. ডিজিটালের সত্বাধিকারী কনক রাজবরের সহযোগিতায় অডিও-ভিডিও সম্পন্ন হয়েছে।

গানটি প্রসঙ্গে শিল্পীযুগল বলেন, গানটি রঞ্জনদাদা অনেক আগে গেয়েছিলেন, আমরা পুনরায় নতুন করে উপস্থাপন করছি। গানটি কথায় সুধীর চন্দ্র দে ও সুরারোপ করেছেন ডেভিড। গানটি ঈদের দিন সংগীত পরিচালক সৃজন রায়ের নিজস্ব ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশিত হবে।

চট্টগ্রাম সিআরবি’র বর্ষ বরণ অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনে সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাঙা মাটির রঙে চোখ জুড়ালো, সাম্পান মাঝির গানে মন ভরালো, রুপের মধু সুরের যাদু কোন সে দেশে, মায়াবতী মধুমতি বাংলাদেশে, এই অনুভূতি বুকে ধারণ করে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করেছে “সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী” সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সুজন মজুমদার এর পরিচালনায় এ দলীয় সংগীত পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। এসময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা রূপ নেয় এক মিলনমেলায়। যেখানে সকাল থেকেই গান, কবিতা, নৃত্য আর আলপনার রঙে ভরে ওঠে ছিলো পুরো সিআরবি প্রাঙ্গণ। যেখানে মিলেছে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের সুর আর গানে, কবিতায় ও নৃত্যের তালে তালে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নেয় বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা।

সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মঞ্চে একের পর এক পরিবেশিত হয় দেশাত্মবোধক গান, লোকসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা। এসময় বৈশাখী সাজে সেজে আসা মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবের রঙ ছড়িয়ে ছিলো চারদিকে। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই নানা বয়সী মানুষের ঢল নামে সিআরবি প্রাঙ্গণে। ঢাক-ঢোলের তাল, রবীন্দ্র-নজরুলের গান, আর রঙিন পোশাকে দর্শনার্থীর পদচারণায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে চট্টগ্রামের শিরীষ তলা খ্যাত সিআরবি। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এখানেই যেন মিলেছে উৎসব, ঐতিহ্য আর বাঙালিয়ানা।

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ