মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে নানা উপায়ে বিকৃত ও ভূলুণ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে : চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে একটি মহল নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
শনিবার নগরের ষোলশহর ২ নম্বর গেট বিপ্লব উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, বিপ্লব উদ্যান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে এখান থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিরোধ ও বিদ্রোহের আহ্বান জানিয়েছিলেন। পরে ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেন। তার নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও সাহসিকতা স্বাধীনতার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক রাজনীতির নতুন ধারা সূচনা করেন। একদলীয় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তে জনগণের অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, বর্তমানে আমরা লক্ষ্য করছি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে নানা উপায়ে বিকৃত ও ভূলুণ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে সাম্য, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন শহীদ জিয়াউর রহমান দেখিয়েছিলেন, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও রেমিট্যান্স খাতে তার গৃহীত পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতিকে নতুন গতি দিয়েছিল। তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।

মেয়র আরও বলেন, আজও বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনেক খাত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তার সুযোগ্য পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটন ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

চামড়া শিল্পের সংকটের প্রসঙ্গ তুলে ডা. শাহাদাত বলেন, একসময় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা চামড়া শিল্প আজ নানা সংকটে বিপর্যস্ত। এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করে দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করা সম্ভব।
চট্টগ্রামকে দেশের পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম শুধু স্বাধীনতার ইতিহাসের নয়, দেশের অর্থনীতিরও প্রাণকেন্দ্র। এই নগরী সবসময় জাতীয় আন্দোলন সংগ্রাম এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছে। বন্দর, শিল্প, পর্যটন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রামকে প্রকৃত অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করতে হবে।

তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম জাতীয় অর্থনীতির আরও শক্তিশালী চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

মেয়র বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশপ্রেম, সততা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সংকটাপন্ন দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। তার আদর্শ ধারণ করে দুর্নীতিমুক্ত, আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, আজকের দিনে আমাদের শপথ হোক, শহীদ জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও আদর্শকে ধারণ করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি জাতীয় সংসদ ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। গঠিত এ কমিটি প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন ও সংশোধনী প্রক্রিয়ায় কাজ করবে।বিরোধী দলকে সদস্য মনোনয়নের আহ্বান জানানো হলেও তারা কোনো নাম দেয়নি।


সোমবার ১৩ জুলাই রাতে সংসদে এ কমিটি গঠন করা হয়।সংসদ নেতা তারেক রহমানের পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। এ কমিটি ১৭ সদস্যের হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিরোধী দলকে ৫ জনের নাম দেয়ার অনুরোধ করা হলেও তারা কারও নাম দেয়নি। একারনে ১২ সদস্যের সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অপর সদস্যরা হলেন- বিএনপির সংসদ চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন, মীর হেলাল উদ্দিন, ফারজানা শারমিন, শাকিলা ফারজানা, মাহমুদুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের সংসদ সদস্য জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ, গণঅধিকার পরিষদের সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মো. অলিউল্লাহ।

এনসিটি,সিসিটি টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ উদ্বেগজনক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান বন্দর রক্ষা কমিটির নেতারা। সংগঠনটির দাবি, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে দেশের অন্যতম কৌশলগত এই দুটি টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ উদ্বেগজনক এবং এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংসদে আলোচনা, বিশেষজ্ঞদের মতামত ও জনমতের প্রতিফলন নিশ্চিত করা উচিত।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ও সিসিটি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ঢাকায় নেওয়া হয়েছে বলেও তারা জানতে পেরেছেন।
নেতারা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

অন্তর্র্বতীকালীন সরকারও সেই উদ্যোগ এগিয়ে নিতে চাইলেও দেশব্যাপী গণপ্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মুখে তা স্থগিত করতে বাধ্য হয়। কিন্তু বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনমতের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব না দিয়ে শুধু এনসিটি নয়, সিসিটিও ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এতদিন আলোচনা সীমাবদ্ধ ছিল এনসিটি ইজারা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে। তবে এখন এনসিটির পাশাপাশি সিসিটিও ইজারা দেওয়ার উদ্যোগের খবর জনমনে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একটি নবনির্বাচিত সরকারের সামনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারমূলক কাজ থাকা সত্ত্বেও দেশের অন্যতম কৌশলগত সম্পদ দুটি টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার বিষয়ে এত তাড়াহুড়ো কেন, সে প্রশ্নও তোলেন তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌম স্বার্থের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট একটি কৌশলগত অবকাঠামো। তাই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ দীর্ঘমেয়াদে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেবল কয়েকজন মন্ত্রী বা আমলার অনুমোদনের বিষয় হতে পারে না। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা, বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ এবং সর্বোপরি জনগণের মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, প্রকৌশলী সুভাষ চন্দ্র বড়ুয়া, কমরেড মো. শাহ আলম, বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু, অ্যাডভোকেট মনিরুল আলম, অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন, শ্রম সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য তপন দত্ত, শ্রমিকনেতা কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিমসহ অন্যান্য নেতারা।
নেতারা অবিলম্বে এনসিটি ও সিসিটি ইজারা দেওয়ার সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানান।

একইসঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেন, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে দেশের কৌশলগত সম্পদ নিয়ে কোনো চুক্তি সম্পাদিত হলে দেশপ্রেমিক জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করবে এবং ইতিহাসে এমন চুক্তি ‘কালো চুক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

আলোচিত খবর

সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।l

আজ রোববার ১২ জুলাই ফজরের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯৫ বছর। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনজীবী জীবনে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, আইন অঙ্গন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ