আনোয়ারায় অধ্যক্ষ আবু তাহের রাহিমাহুল্লাহর স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

অধ্যক্ষ আবু তাহের ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী --- আ.ন.ম শামসুল ইসলাম(সাবেক এমপি)

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি আ.ন.ম শামসুল ইসলাম বলেন, অধ্যক্ষ আবু তাহের রাহিমাহুল্লাহ ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী। তাঁর হাত ধরে আমাদের ইসলামী আন্দোলন আসার সুযোগ হয়েছে। ওনি এমন একজন ইসলামী আন্দোলনের পন্ডিত ছিলেন। ওনার আলোচনা শুনে মানুষ ইসলামি আন্দোলনে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসতেন। আজকে যারা বড় বড় ইসলামী আন্দোলনের নেতা তারা সবাই মাওলানা আবু তাহেরের হাতে গড়া জনশক্তি। ওনি খুবই সরল জীবনযাপন করতেন। এত বড় একজন নেতার এভাবে জীবনযাপন সত্যিই বিরল। তিনি জাতীয় নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। যার নেতৃত্ব শুধু রাজনীতিতে নয়, শিক্ষাঙ্গনসহ বিভিন্ন সেক্টরে প্রভাব পড়েছে।শনিবার (৩০ মে) বিকালে দি কিং আনোয়ারা কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত অধ্যক্ষ আবু তাহের স্মারক গ্রন্থ “স্মৃতিতে অম্লান” প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আনোয়ারা উপজেলা জামায়াতের আমীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আবদুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ শাহজাহান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর নজরুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টীম সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আরম চৌধুরী, নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মাওলানা জিয়াউল হাসান জিয়া, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, এনসিপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জোবাইরুল ইসলাম মানিক, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট শামসুদ্দিন আহমদ মির্জা, চট্টগ্রাম পশ্চিম জেলা শিবিরের সভাপতি ফরমানুর রহমান জাহিন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, অধ্যক্ষ আবু তাহের জ্ঞানের সাগর ছিলেন। ওনি একাধিক ভাষার অধিকারী ছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ইসলামী আন্দোলনের নেতা ছিলেন। তিনি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দিয়েছেন। ওনি ছাত্রজীবন থেকে সৃজনশীল নেতা ছিলেন। ওনি এতো গুনী একজন মানুষ ছিলেন। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, ফ্যাসিস্ট সরকারের রোষানলের কারণে আমরা সেদিন স্বাধীনভাবে জানাজা পড়ার অধিকারটুকু পাইনি। তিনি বহু গুনের অধিকারী ছিলেন। যারা ওনার সংস্পর্শ পেয়েছেন তারা বিষয়টি অনুধাবন করতে পারবেন। ওনি এমন নেতা ছিলেন তৎকালীন আমাদের শীর্ষ নেতারা ওনাকে নিয়ে গর্ব করতেন। আজকে আলোচনা সভা প্রমান করেছে ওনি দলমত নির্বিশেষে সবার সম্মানের জায়গায় অবস্থান করছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী এমপি বলেন, এমন জমানায় ছিলাম বরেণ্য এই রাজনীতিবিদের জানাজা আমরা ভালো করে আদায় করতে পারি নাই। ওনি এই অঞ্চলে ইসলামি আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে কোন রক্ত চক্ষুকে ভয় করে নাই। ওনি শুধু আনোয়ারার কৃতি সন্তান নয়, ওনি পুরো বাংলাদেশের কৃতিসন্তান। এই দেশের ছাত্রদের আলোর মশাল ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। ওনার মরহুম পিতাও একজন গর্বিত আলেম ছিলেন। কওমী ও আলিয়া আলেমদের সমন্বয় করার জন্য তাফসির মাহফিল আয়োজন করেন। অধ্যক্ষ আবু তাহের রহিমাহুল্লাহু ধর্মীয় রাজনীতির সব বিভেদ দূর করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি তাফসীর মাহফিলের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর নজরুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবু তাহের জ্ঞান আহরনের এক অনন্য মানুষ ছিলেন। ওনি আরবিসহ বিভিন্ন জ্ঞান চর্চা করতেন। ওনি জ্ঞানী লোকদের খুব কদর করতেন। দলমত নির্বিশেষে জ্ঞানী ও সম্মানিত লোকদের সম্মান করতেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাফর সাদেক বলেন, অনন্য প্রতিভা ও বহুমুখী জ্ঞানের অধিকারী অধ্যক্ষ আবু তাহের এর জীবন রাসুলুল্লাহ সাঃ এর আদর্শের অনুকরণে সাজানো ছিল। আমরা রাসুলুল্লাহ আদর্শ অনুসরণের লক্ষ্যে অধ্যক্ষ আবু তাহের এর মতো অনন্য ব্যক্তিত্বকে ধারণ করতে পারি। তার বর্ণাঢ্য জীবন আমাদের জন্য অনুসরণীয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, মাওলানা আবু তাহের আদর্শিক দায়িত্বশীলের অনুপম ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বিশেষ করে তিনি সার্বজনীন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। আমরা যারা আদর্শিক রাজনীতি ও ইসলামি আন্দোলন করি ওনার চরিত্র থেকে বিষয় গুলো শিক্ষা হিসেবে আমাদের জন্য রয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম এমপি বলেন, জনগনের দায়িত্ব কি জিনিস মাওলানা আবু তাহের ভাই থেকে শেখার প্রয়োজন রয়েছে। অনেক বড় দায়িত্ব পালন করার পর রাজনৈতিক বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার থাকার পর ওনি ছিলেন নির্লোভ। যা রাজনৈতিক নেতাদের ক্যারিয়ারে দুর্লভ।

অধ্যক্ষ আবু তাহের স্মারক গ্রন্থ “স্মৃতিতে অম্লান “প্রকাশনা পরিষদের সদস্য সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম, সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাছান খোকা ও সদস্য মোহাম্মদ হাবীবুল্লাহর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মোহাম্মদ উল্লাহ, জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, বিএনপির সাবেক উপজেলা সেক্রেটারী হুমায়ূন কবির আনসার, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাইল হক্কানী, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল মোস্তফা, আ ক ম ফরিদুল আলম, বাঁশখালী উপজেলা আমীর অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইসমাইল, বন্দর থানা আমীর মাহমুদুল আলম, সদরঘাট থানা আমীর অধ্যাপক আবদুল গফুর, পাঁচলাইশ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমী, শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আবদুস সালাম আনোয়ারী, উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্, নাছির উদ্দীন শাহ, আলহাজ্ব মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ও মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আগামী মাসে যুক্ত হচ্ছে আরও ১টি আন্তঃনগর ট্রেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনে যাতায়াতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই রুটে আগামী মাসে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন রুটে ট্রেনটি চলাচল শুরু করতে পারে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে।

এদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমানে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও একটি মাত্র রেক দিয়ে চারটি ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে প্রায়ই সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত বিশ্বাস বলেন, কক্সবাজার রুটে বিপুল যাত্রীর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতি চলছে। এতে যাত্রীরা আরও স্বস্তি ও নিরাপদে পর্যটন শহরে যাতায়াত করতে পারবেন। একই সঙ্গে রেলওয়ের আয়ও বাড়বে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছাতে পারে। ফিরতি ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। একদিকে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা। বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। পথে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও কুমিরাসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি রয়েছে। কক্সবাজার পর্যন্ত রুট বাড়ানো হলে এসব এলাকার যাত্রীরাও সরাসরি পর্যটন নগরীতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।তবে রুট সম্প্রসারণের আগে কক্সবাজারে ট্রেনটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন রুটে চলাচলের সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যালোচনা করছে রেলওয়ে।

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ